রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ, ক্ষুব্ধ মস্কো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০২ জুন ২০২৫, ২০:৩২আপডেট : ০২ জুন ২০২৫, ২০:৩২

দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার এক ঘণ্টার মাথায়ই ইস্তাম্বুলে শেষ হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার সরাসরি আলোচনা। তুরস্কের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠক শুরু হতে বিলম্ব হয় প্রায় দুই ঘণ্টা, আর সমাপ্তি ঘটে তারও কম সময়ে—মাত্র এক ঘণ্টায়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

রবিবার ইউক্রেনের একটি বড় ধরনের ড্রোন হামলার পরদিনই অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক। ওই হামলায় রাশিয়ার পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম কৌশলগত বোমারু বিমান লক্ষ্যবস্তু হয় বলে জানিয়েছে কিয়েভ।

সংলাপ শুরু হওয়ার আগে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, এই আলোচনার দিকে পুরো বিশ্বের নজর রয়েছে।

বসফরাসের তীরে চিরাগান প্রাসাদে মুখোমুখি বসেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা। আলোচনায় একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি, রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে বৈঠক ও যুদ্ধবন্দি বিনিময় প্রসঙ্গ তোলা হয়।

তবে আলোচনা শুরুর মুহূর্তে রাশিয়ার মনোভাব ছিল ক্ষুব্ধ। প্রভাবশালী রুশ যুদ্ধব্লগাররা কিয়েভের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলার দাবি তুলেছেন। ইউক্রেনের দাবি, তারা সাইবেরিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলে রুশ বিমানঘাঁটিতে হামলা করেছে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রাশিয়ার বেশ কিছু কৌশলগত বোমারু বিমান ধ্বংস হয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এদিন লিথুয়ানিয়ায় এক বক্তৃতায় বলেন, দুপক্ষ নতুন একটি যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার চিফ অব স্টাফ জানিয়েছেন, আলোচনায় ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রাশিয়াকে একটি তালিকা হস্তান্তর করা হয়েছে, যেখানে রুশ বাহিনীর হাতে ‘জোরপূর্বক অপহৃত’ শিশুদের নাম রয়েছে। ইউক্রেন চায়, এসব শিশুদের ফেরত পাঠানো হোক।

মস্কো দাবি করেছে, তারা ওই শিশুদের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবারের আলোচনার আর কোনও বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে তুরস্ক বলছে, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি ও যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলবে। যদিও দুপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি এখনও সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী।

/এএ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী