ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকার কার্যকারিতা বাড়াতে তৃতীয় ডোজের প্রয়োজন পড়তে পারে। কোম্পানিটির এক বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে শুক্রবার সকালে বার্তা সংস্থাগুলোর খবরে বলা হয়েছে, তৃতীয় ডোজ গ্রহণ করা হলে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত বেটা ভ্যারিয়েন্ট ও ভারতে পাওয়া ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকে বেশি সুরক্ষা পাওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার ফাইজার ও বায়োএনটেকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন নিয়ে চলমান পরীক্ষার অন্তর্বর্তী তথ্যে দেখা যাচ্ছে বেটা ও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকারিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে তৃতীয় ডোজ। আর এই তথ্যের ভিত্তিতে তৃতীয় ডোজের অনুমোদন পেতে নিয়ন্ত্রকদের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
ফাইজার ও বায়োএনটেক বলছে, অন্তর্বর্তী তথ্যে দেখা গেছে, দুই ডোজের তুলনায় তৃতীয় আরেকটি ডোজ নিলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায় পাঁচ থেকে দশগুণ। আর এই বেশি প্রতিরোধক্ষমতা করোনার বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সম্প্রতি ইসরায়েল সরকার জানিয়েছে, ছয় মাস পর ফাইজার-বায়োএনটেকের কার্যকারিতা কমে যায়। এই কমে যাওয়ার কারণেই দেশটিতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রাদুর্ভাবও দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফাইজার-বায়োএনটেক বলছেন, ছয় থেকে ১২ মাসের মধ্যে তৃতীয় আরেকটি ডোজ নিলে পূর্ণ সুরক্ষা পাওয়া যাবে।









