ভারতের মধ্যপ্রদেশের ছাতারপুর জেলায় তিন নাবালিকা বোনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশকে না জানিয়েই তড়িঘড়ি করে মরদেহগুলো দাফন করার খবর পেয়ে ঘটনাটি তদন্তে নেমেছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। আসল কারণ উন্মোচনে নিহত শিশুদের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) জেলার ঈশানগর থানা এলাকার পিপোরা খুরদ গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত তিন শিশু ওই গ্রামের বাসিন্দা বালমুকুন্দ কুশওয়াহার কন্যা। তারা হলো- পুনম (৭), মনীষা (৩) এবং নয় মাস বয়সী শিশু চাহত।
প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মৃত্যুর আগে ওই তিন শিশু বাড়িতে বেগুন ভর্তা ও রুটি খেয়েছিল। তবে মৃত্যুর পেছনে এই খাবারের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শিশুদের মৃত্যুর পর স্বজনেরা পুলিশে খবর না দিয়ে কিংবা ময়নাতদন্ত ছাড়াই গোপনে মরদেহগুলো দাফন করে দেয়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় পুলিশ ও চিকিৎসকদের একটি দল গ্রামে গিয়ে দাফনের স্থানটি পরিদর্শনে যায়।
ছাতারপুরের মুখ্য চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (সিএমও) আর পি গুপ্তা বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে জানান, ঘটনা জানার পরপরই তিনি পুরো দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পাশাপাশি পুলিশ, রাজস্ব বিভাগ এবং ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির (এফএসএল) টিমকে খবর দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এবং কী কারণে শিশুগুলোর মৃত্যু হয়েছে তা বের করতে কাজ করছে বিভিন্ন টিম। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং কবর থেকে মরদেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।
মৃত্যুর আগের ও পরের ঘটনা জানতে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন কর্মকর্তারা। পাশাপাশি আলামত সংগ্রহ করতে নিয়োজিত করা হয়েছে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আইফোনের কিস্তি নিয়ে কলহ; পাহাড় থেকে পড়ে বাবা-ছেলের মৃত্যু, মায়েরও ঝাঁপ







