ঘৌটা ছাড়ছে বিদ্রোহীরা, উদযাপনে ব্যস্ত আসাদবাহিনী

বিদেশ ডেস্ক
২৪ মার্চ ২০১৮, ১১:০৭আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৮, ১১:০৮

অবরুদ্ধ ছিটমহল ঘৌটা ছাড়ছে সিরিয়ার বিদ্রোহীরা। শুক্রবার থেকে ছিটমহল থেকে চলে যাওয়া শুরু করেছে বিদ্রোহীরা। একই সঙ্গে আরেকটি শহর ছেড়ে চলে যাওয়াতে একমাত্র দৌমা শহর বিদ্রোহীদের দখলে রয়েছে। দামেস্কর নিকটে পূর্ব ঘৌটায় দীর্ঘ মাসব্যাপী অভিযানের মাথায় আসাদবাহিনী শক্তিশালী এই ঘাঁটি থেকে বিদ্রোহীদের সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৬ সালে আলেপ্পো থেকে বিদ্রোহীদের উৎখাতের পর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সবচেয়ে বড় এটি।

ঘৌটা ছাড়ছে বিদ্রোহীরা, উদযাপনে ব্যস্ত আসাদবাহিনী

ঘৌটায় আসাদবাহিনী ১৮ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভিযান শুরু করে। টানা অভিযানে ও সংঘর্ষের পর শহরটির ৯০ শতাংশ সরকারি বাহিনীর দখলে এসেছে।

যুদ্ধ পর্যালোচনাকারী একটি সংস্থা জানিয়েছে, এ অভিযানে ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।

শুক্রবার সিরীয় বাহিনীর সদস্যরা রাতের আকাশে ট্রেসার বুলেট ছুড়ে আনন্দ উদযাপন করে। হারাসাটা শহর থেকে বিদ্রোহীদের শেষ দল অন্যত্র বাসে যাওয়ার পরই এই উদযাপন করে সেনারা। সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে শহর ছাড়ছে বিদ্রোহীরা। সমঝোতা অনুসারে, শহর ছেড়ে যাওয়ার জন্য বিদ্রোহীদের ক্ষমতা ও নিরাপদে চলে যাওয়ার সুযোগ দেয় সরকারি বাহিনী। যারা শহরে থাকবে তাদের সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে।

সিরীয় বাহিনীর এই অভিযানে রাশিয়ার সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে অভিযান বন্ধ ও অস্ত্রবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেই চলে অভিযান। অভিযানের শুরুতে জাতিসংঘ জানিয়েছিল, ঘৌটায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ আটকা পড়েছেন। যাদের খাবার বা ওষুধের ঘাটতি রয়েছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার সকালে চুক্তি অনুসারে প্রায় সাত হাজার মানুষ শহর ছেড়ে চলে যাবে। হালকা অস্ত্রসহ বিদ্রোহী যোদ্ধারাও থাকবে চলে যাওয়ার দলে।

এদিকে, এই পরিস্থিতির মধ্যেই শুক্রবার রাতে দৌমা শহরে বোমা বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সরকার নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে সম্প্রতি কয়েক হাজার মানুষ এই শহরে আশ্রয় নিয়েছেন। সূত্র: রয়টার্স।

 

 

/এএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম