আরব লিগে সিরিয়ার প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন মন্ত্রীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৮ মে ২০২৩, ১৪:৫৮আপডেট : ১৮ মে ২০২৩, ১৫:০২

আরব লিগে সিরিয়ার প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন আরব মন্ত্রীরা। জেদ্দায় বুধবার এক প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে আরব লিগের মহাসচিব আহমেদ আবুল গীত এবং বাকি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরব ব্লকে সিরিয়ার প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানান সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল।

 বৈঠকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে জানান সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল মেকদাদ। 

বিক্ষোভে দমন-পীড়ন চালানোর অভিযোগে ২০১১ সালে সিরিয়ার সদস্যপদ বাতিল করা হয় আরব লিগ থেকে। বিক্ষোভ দমনে সরকারি বাহিনীর নিষ্ঠুরতা দেশটিকে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়। গৃহযুদ্ধে কয়েকটি আরব দেশ আসাদবিরোধীদের অস্ত্র, অর্থ, প্রশিক্ষণ দেয়। তারা এক পর্যায়ে দামেস্ক থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতও প্রত্যাহার করে।  

আরব দেশগুলোর জোটে এক দশকের বেশি সময় ধরে সিরিয়ার সদস্যপদ স্থগিত ছিল। অবশেষে গত ৭ মে কয়েকটি শর্তের বিনিময়ে দেশটিকে পুনরায় সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আরব লিগের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

বুধবারের বৈঠকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরব ঐক্যের আহ্বান জানান সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশগুলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য অবশ্যই নতুন উপায় খুঁজে বের করতে হবে’।

বৈঠকে আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ আত্তাফ সুদানের অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিবদমান পক্ষগুলোকে যুদ্ধবিরতিতে আনতে সৌদি আরবের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান তিনি।

এ সময় স্বাধীনতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের সমর্থন করার প্রচেষ্টাকে দ্বিগুণ করার আহ্বান জানান আত্তাফ। পাশাপাশি ইয়েমেনে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় আলজেরিয়ার সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। কথা বলেন লেবানন ইস্যুতেও। 

আত্তাফ বলেন, ‘আশা করি লেবাননের সরকার সংকট থেকে বের হয়ে আসতে নিজেদের মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে’।

আগামী ১৯ মে জেদ্দায় শুরু হবে আরব লিগের শীর্ষ সম্মেলন। 

সূত্র: আরব নিউজ 

/এসপি/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী