শুক্রবার ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় বসবে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২১ জুলাই ২০২৫, ০৯:১৯আপডেট : ২১ জুলাই ২০২৫, ০৯:১৯

ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানির সঙ্গে শুক্রবার ইস্তাম্বুলে পারমাণবিক আলোচনায় বসবে ইরান। সোমবার (২১ জানুয়ারি) সকালে এক ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে তিনটি ইউরোপীয় দেশ সতর্ক করেছিল যে আলোচনা পুনরায় শুরু না হলে ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা হতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ইসমাইল বাঘাইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, “ইরান, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানির মধ্যে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।”

শুক্রবারের জন্য নির্ধারিত এই আলোচনা ইউরোপীয় তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধানের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে হওয়া ফোনালাপের পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একমাস আগে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালালে আরাঘচিকে ফোন করেন তারা।

এই তিনটি ইউরোপীয় দেশ একত্রে যাদের ই৩ (ইথ্রি) নামে পরিচিত। চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে মিলে ২০১৫ সালের একটি পারমাণবিক চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে সরে যায়।

ই৩ জানিয়েছে, ইসরায়েল-ইরান বিমানযুদ্ধের আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা চলছিল। যদি ওই আলোচনা পুনরায় শুরু না হয় বা ফলপ্রসূ না হয়, তবে তারা আগস্ট মাসের শেষ নাগাদ জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা ‘স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম’-এর মাধ্যমে পুনরায় তা আরোপ করবে।

আরাঘচি বলেন, “যদি ইইউ/ই৩ সত্যিই কোনও ভূমিকা রাখতে চায়, তাহলে তাদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। হুমকি ও চাপের পুরোনো নীতিগুলো, বিশেষ করে ‘স্ন্যাপব্যাক’ ব্যবস্থার মতো যেগুলোর নৈতিক বা আইনি কোনও ভিত্তি নেই, তা পরিত্যাগ করতে হবে।”

স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম ব্যবহার করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে অনুমোদিত চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই, অর্থাৎ ১৮ অক্টোবরের আগে, নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা সম্ভব।

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের আগে, ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পাঁচ দফা পারমাণবিক আলোচনা করেছিল। তবে সেখানে প্রধান বাধা ছিল ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম, যেটিকে পশ্চিমা শক্তিগুলো শূন্যে নামিয়ে আনতে চায় যাতে অস্ত্রায়নের ঝুঁকি কমানো যায়।

/এস/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
শুরু হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা পরিশোধ
শুরু হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা পরিশোধ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী