যুদ্ধের শুরুর দিকে গুলি করে নামানো তিনটি বিমানে থাকা ইরানের তিন পাইলটকে কয়েক মাস ধরে কাতার আটকে রেখেছে, ইরানি সামরিক কমান্ডারের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে কাতার।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেছেন, ইরানি পাইলটদের আটকের বিষয়টি নিয়ে যে দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা আমরা পুরোপুরি অস্বীকার করছি। বিশেষ করে এই মুহূর্তে, যখন অঞ্চলে উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে নানা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ চলছে, ঠিক এমন সময়ে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে আমরা বিস্ময় প্রকাশ করছি।
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর নিখোঁজ অনুসন্ধান কমিটির প্রধান সামরিক কমান্ডার সৈয়দ মোহাম্মদ বাঘেরজাদে রেড ক্রসকে দেওয়া এক চিঠিতে দাবি করেন যে কাতার এই তিন ক্রু সদস্যকে কয়েক মাস ধরে আটকে রেখেছে। ওই দাবির পরই কাতারের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া এলো।
বাঘেরজাদে দাবি করেন, কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করার পর ইরানের দুটি এসইউ-২৪ বোমারু বিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। এতে তিনজন ইরানি পাইলট বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন এবং একজন নিহত হন। তবে নিজের এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দেননি।
আল-আনসারি জানান, কাতারের উদ্ধারকারী দলগুলো পাইলটদের মরদেহের খোঁজে তল্লাশি চালিয়েছে এবং নিহত এক পাইলটের মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে সমন্বয়ের জন্য ইরানের সঙ্গে কথাও বলেছে। কাতার গত এপ্রিলে উদ্ধার অভিযানের বিস্তারিত তথ্য জানানোর জন্য ইরানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, তবে তাতে তারা কোনও সাড়া দেয়নি।
বাঘেরজাদে নিখোঁজ তিন ক্রু সদস্যকে জাওয়াদ সালেহি, আবদুল মজিদ দশতিয়ান এবং ইমরান বে রউশিয়া হিসেবে শনাক্ত করেন। তার দাবি, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কাতারি বাহিনী তাদের বন্দি করে রেখেছে এবং দেখা বা সাক্ষাতের কোনও সুযোগ দিচ্ছে না।
সূত্র: সিএনএন

দাতাদের টাকা পেতেই কি ‘ভুয়া অভিযান’? চিতাবাঘের চামড়া উদ্ধারে কাঠগড়ায় এনজিও
তিন দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প, জেগে উঠছে কি ‘রিং অব ফায়ার’?







