যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের অংশ হিসেবে তেহরানের সাইবার নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে তৎপরতা বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। এই প্রক্রিয়ায় ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আমির ইয়ারইয়াবের তথ্য দেওয়ার বিনিময়ে ১ কোটি ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস কর্মসূচির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইয়ারইয়াব আইআরজিসির সাইবার-ইলেকট্রনিক কমান্ডের (আইআরজিসি-সিইসি) গুরুত্বপূর্ণ পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং এর সাইবার অপারেশনস কমান্ডের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি শহীদ হিম্মত ও শহীদ শুশতারি নামে দুটি কার্যকর দলকে দিকনির্দেশনা দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই দলগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিরক্ষা, গণমাধ্যম, নৌপরিবহন, ভ্রমণ, জ্বালানি, অর্থ ও টেলিযোগাযোগ খাতের জটিল অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী বেসামরিক অবকাঠামোতে ক্ষতিকর সফটওয়্যার (ম্যালওয়্যার) ব্যবহারে জড়িত সাইবারঅ্যাভেঞ্জার্স-সহ একাধিক সহযোগী গোষ্ঠীর কার্যক্রমও তিনি তদারকি করেন।
আইআরজিসি-সিইসি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারিতে থাকলেও বর্তমান মার্কিন-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের পরিস্থিতিতে ইরান তাদের এই অসমানুপাতিক কৌশলগত সক্ষমতা আরও বাড়িয়ে তুলছে। গত ৩০ জুলাই এফবিআই সতর্ক করে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত সাতটি অঙ্গরাজ্যের পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থার ওপর সাইবার হামলা চালানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এর পেছনে ইরানি দলগুলোর জড়িত থাকার দিকে ইঙ্গিত করেছেন।
অন্যদিকে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় থাকা রাভিন অ্যাকাডেমি’র মাধ্যমে ৬০০ থেকে ১ হাজার ২০০ তরুণকে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ব্যাহত করতে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বিকল করতে আমির ইয়ারইয়াব ও তার বাহিনীর ওপর ইরান আরও বেশি নির্ভর করতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর নীতি গ্রহণ করায় ইরানও তাদের এই সাইবার সক্ষমতা মার্কিন সীমান্তে অস্থিরতা সৃষ্টিতে কাজে লাগাতে পারে।
সূত্র: আল-মনিটর

নরওয়ের প্রয়াত রাজার শেষকৃত্যে যাচ্ছেন প্রিন্স উইলিয়াম
দিল্লির সত্য নিকেতনে বহুতল ভবন ধস, আটকা পড়ার শঙ্কা বহু শিক্ষার্থীর







