‘কেবল চাপে নয়, স্বেচ্ছায়ও যৌনকর্ম চালিয়ে যান অনেকে’

বিদেশ ডেস্ক
০৪ মে ২০১৬, ১২:৫৮আপডেট : ০৪ মে ২০১৬, ১৩:১২

যৌনকর্মীদের বিরুদ্ধে সমাজে প্রচলিত নেতিবাচক ধ্যানধারণা পরিবর্তন ও যৌনকর্মীদের ক্ষমতায়নভিত্তিক সংস্থা সলিডারিটি ফাউন্ডেশনের নেওয়া এক প্রকল্প থেকে জানা গেছে, শুরুতে জোরপূর্বক এই পেশায় আসতে বাধ্য হলেও একসময় সুযোগ পেলেও আর তা ছাড়তে চান না যৌনকর্মীদের কেউ কেউ। স্বেচ্ছায়ই তারা পেশা হিসেবে যৌনকর্ম চালিয়ে যান।

‘কেবল চাপে নয়, স্বেচ্ছায়ও যৌনকর্ম চালিয়ে যান অনেকে’

সলিডারিটি ফাউন্ডেশনের এক প্রকল্পের অধীনে এক সাক্ষাৎকারের আয়োজন করা হয়। সাক্ষাৎকারে স্বেচ্ছায় যৌনকর্মীর জীবন বেছে নেওয়ার কথা জানান এই পেশায় থাকা বিভিন্ন বয়সের নারীরা।

সুনিথা(ছদ্মনাম) নামের একজন জানান, তিনি মাত্র ৩০ বছর বয়সেই দুই কিশোরী মেয়ের মা। স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে জোরপূর্বক এই পেশায় নিয়ে আসা হয়। তিনি পুলিশের সাহায্যে পালাতে চাইলে পুলিশ সাহায্য করলেও বিনিময়ে অন্যায্য যৌন সুবিধা আদায় করে। কিন্তু বর্তমানে তিনি ইচ্ছা করেই এই পেশায় থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

সখিকালা (ছদ্মনাম) জানান, এই পেশায় থেকেই তিনি দুই কন্যাসন্তানকে বিয়ে দিয়েছেন। তার জামাতারাও তার এই পেশা সম্পর্কে জানেন। তিনি বলেন, ‘আমি দরজির কাজ করেও সংসার চালাতে পারতাম। কিন্তু আমার সন্তানরাও জানে তাতে আমাদের পরিবারের এতটা স্বচ্ছলতা থাকতো না।’

আরও পড়ুনঃ যুক্তরাষ্ট্রের এক পরিবারে ১০০ বছর পর মেয়েশিশুর জন্ম!

যৌনকর্মীরা জানান, তাদের সন্তানদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা ও বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা সত্ত্বেও অনেক যৌনকর্মীর সন্তানই এমবিএ থেকে শুরু করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারও হচ্ছেন। তারা জানে তাদের মায়ের পেশা থেকেই এসেছে তাদের শিক্ষার ব্যয়।

অপর এক যৌনকর্মী বলেন, ‘সম্মান কোন সমস্যা নয়। যারা আমাকে জানে, তারা আমাকে ঠিকই সম্মান করে।’ সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

/ইউআর/বিএ/         

সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বশেষ খবর
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদায়ন, ৩১ শিক্ষককে বদলি
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদায়ন, ৩১ শিক্ষককে বদলি
খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী