ট্রাম্পের বিচারের পরিকল্পনা প্রকাশ প্রতিনিধি পরিষদের

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ০৯:৪৯, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৫, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিচারের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস বা প্রতিনিধি পরিষদ। হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির প্রধান জেরি ন্যাডলার এ বিষয়ে আইনের দুইটি ধারা প্রকাশ করেছেন। এর প্রথমটিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দ্বিতীয়টিতে পার্লামেন্টের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
জুডিশিয়ারি কমিটি যদি এই দুটি ধারা অনুমোদন করে তাহলে সেটি হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে পূর্ণাঙ্গ ভোটের জন্য তোলা হবে। আর এই হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভের নিয়ন্ত্রণ বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির হাতে। সেখানে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থে প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনকে দেওয়া অর্থ সহায়তা স্থগিত করেছিলেন। তবে বরাবরই নিজের বিরুদ্ধে আনা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। এই পুরো বিচারিক প্রক্রিয়াকে তিনি পাগলামি হিসবে আখ্যায়িত করেছেন।

প্রতিনিধি পরিষদের ভোটাভুটিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগটি পাস হলে আগামী জানুয়ারির মধ্যে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সিনেটে পার্লামেন্টারি বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

গত সেপ্টেম্বর মাসে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি মার্কিন কংগ্রেসের কাছে অভিযোগ করেন, অর্থ সাহায্য স্থগিত রাখার প্রশ্নে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি টেলিফোন সংলাপ তিনি নিজে শুনেছেন। বিবিসি-র উত্তর আমেরিকা বিষয়ক সম্পাদক জন সোপেল বলছেন, এটা যে হবে তা বোঝাই যাচ্ছিল। কয়েক মাস ধরেই তিনি এ নিয়ে খবর পাঠাচ্ছিলেন। তারপরও জুডিশিয়ারি কমিটির সভাপতি যখন খোদ প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বড় মাপের অপরাধ এবং বিধিবহির্ভূত কাজের অভিযোগ করেন তখন আমার গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যায়।

হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ যদি প্রেসিডেন্টের বিচারের পক্ষে ভোট দেয় তাহলে ট্রাম্প দুইজন সাবেক প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জনসন (১৮৬৮) এবং বিল ক্লিনটনের (১৯৯৮) কাতারে গিয়ে দাঁড়াবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে শুধু এই তিন প্রেসিডেন্টের বিচার প্রক্রিয়া এভাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু এসবই ইতিহাস। জন সোপেল বলছেন, প্রশ্ন হলো এর পর কী ঘটতে যাচ্ছে? এই প্রক্রিয়া কি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আশাকে ধূলিসাৎ করবে? নাকি মার্কিন ভোটাররা একে তাদের প্রেসিডেন্টের ওপর হামলা প্রচেষ্টা হিসেবে দেখবে? সেই প্রশ্নের উত্তর সময়ই বলে দেবে।

/এমপি/

লাইভ

টপ