করোনা রোগী ৪০০ জনকে আক্রান্ত করতে পারে: ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২:২৩, এপ্রিল ০৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:২৮, এপ্রিল ০৭, ২০২০

করোনাভাইরাসের মহামারির বিস্তার ঠেকাতে একটি নির্দেশনা প্রকাশ করেছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই নির্দেশনায় সাম্প্রতিক এক গবেষণার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, করোনায় আক্রান্ত কোনও রোগী সামাজিক শিষ্টাচার মেনে না চললে ৩০ দিনের মধ্যে ৪০৬ জনকে আক্রান্ত করতে পারে। ভারতের সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি এই খবর জানিয়েছে।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভারত সরকারের ঘোষিত লকডাউন শেষ হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি রয়েছে। তবুও দেশটিতে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ইতোমধ্যে লকডাউনের মেয়াদ বাড়াতে কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করেছে বেশ কয়েকটি রাজ্য। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ নির্দেশনা প্রকাশ করেছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়েছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত ৭০ শতাংশ রোগীরই লক্ষণ হয় সীমিত আর তাদের কোনও বিশেষায়িত হাসপাতালে যাওয়ার দরকার পড়ে না। মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা লাভ আগারওয়াল ভারতীয় মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের এক সাম্প্রতিক গবেষণার উল্লেখ করেছেন। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনায় আক্রান্ত কোনও রোগী যদি লকডাউনের আদেশ মানতে অস্বীকৃতি জানান বা সামাজিক শিষ্টাচার মেনে না চলেন তাহলে তার মাধ্যমে আরও চারশো জন আক্রান্ত হতে পারে।

লকডাউন ও কোয়ারেন্টিনের আদেশ মানতে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে রাজ্য সরকারগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এসব আদেশ না মানলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

সামাজিক শিষ্টাচার মেনে চলতে লকডাউন জারির পর থেকে সম্ভাব্য মহামারি মোকাবিলায় সতর্কতা নেওয়া শুরু করে ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলো। মঙ্গলবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, তার সরকার তিন হাজার হাসপাতাল শয্যা প্রস্তুত রেখেছে। প্রয়োজন পড়লে তা আট হাজার পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

ভারতে এখন পর্যন্ত চার হাজার দুইশোরও বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত টেস্টিং কিটের অভাবে অনেক রোগীই শনাক্ত করা যায়নি বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

/জেজে/

লাইভ

টপ