ইন্দোনেশিয়াকে সহযোগিতার নতুন পথ খুঁজবে যুক্তরাষ্ট্র: পম্পেও

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১১:৪৮, অক্টোবর ২৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫১, অক্টোবর ২৯, ২০২০

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ‌‘বেআইনি’ দাবি প্রত্যাখ্যান করে নিজের পানিসীমা সুরক্ষার জাকার্তার প্রচেষ্টাকে সম্মান করে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে সেখানে ইন্দোনেশিয়াকে সহযোগিতার নতুন পথ খুঁজবে ওয়াশিংটন। পাঁচ দিনের এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়া গিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।মাইক পম্পেও

সফরে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেটনো মারসুদি-র সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন পম্পেও। এ সময় তিনি দক্ষিণ চীন সাগরের নাটুনা দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী পানিসীমায় নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জাকার্তার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। চীন সাগরের এই অঞ্চলটিরও মালিকানা দাবি করে থাকে।

এদিনের সংবাদ সম্মেলনে নাটুনা দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী পানিসীমায় চীনের দাবিকে বেআইনি হিসেবে আখ্যায়িত করেন পম্পেও।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বিশ্বের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক রুটগুলোকে সুরক্ষিত রাখে। আমি সামুদ্রপথের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে নতুন উপায়ে  ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা করার অপেক্ষায় রয়েছি।

এমন সময়ে পম্পেও ইন্দোনেশিয়া সফর করলেন, যার কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা বিমানকে নিজ দেশে অবতরণের অনুমতি দিয়ে অস্বীকৃতি জানায় জাকার্তা। ওই গোয়েন্দা বিমানগুলো ছিল প্রকৃতপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের পি-৮ পোসেইডন মেরিটাইম সার্ভেইলেন্স প্লেন। এই বিমানগুলো মূলত দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতার প্রতি নজর রাখে। মার্কিন কর্মকর্তারা এগুলোকে ইন্দোনেশিয়ায় অবতরণ এবং সেখান থেকে জ্বালানি নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে এমন আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে জাকার্তা।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো যুক্তরাষ্ট্রের ওই আহ্বান প্রত্যাখ্যানের আগে বিষয়টি নিয়ে জাকার্তার উচ্চ পর্যায়ে দফায় দফায় যোগাযোগ করেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ফলে দৃশ্যত উচ্চ পর্যায়ের এসব যোগাযোগ কোনও কাজে আসেনি।

এর আগে ভারত, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা সফরেও চীনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন পম্পেও। মূলত বেইজিং-এর প্রভাব মোকাবিলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মার্কিন নির্বাচনে আগ মুহূর্তে এশিয়ার দেশগুলোতে তার এ সফর।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার বাস্তবতায় এশিয়ার দেশগুলোকে নিজের পাশে পেতে চায় ওয়াশিংটন। এজন্য এ অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের কৌশল নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সূত্র‍: রয়টার্স।

/এমপি/

লাইভ

টপ