X
মঙ্গলবার, ০৯ আগস্ট ২০২২
২৫ শ্রাবণ ১৪২৯

এক উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের ৪৯৫ স্মৃতিবিজড়িত স্থান, পড়ে আছে অবহেলায়

বিপুল সরকার সানি, দিনাজপুর
২২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:০০আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২২, ১৬:২০

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত অনেক স্থানের কথাই আমাদের অজানা। যেসব স্থান চিহ্নিত হয়েছে সেগুলোও অরক্ষিত। কিছু স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ, স্মৃতিফলক, ভাস্কর্য, বিজয়স্তম্ভ কিংবা নামফলক থাকলেও তা পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়। এখনও অনেক স্থান চিহ্নিত করা হয়নি কিংবা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র দিনাজপুর সদর উপজেলায় রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ৫০৫টি স্মৃতিস্থান। এর মধ্যে ১০টি সংরক্ষিত। বাকি ৪৯৫টি স্মৃতিস্থান অরক্ষিত। এসব স্থানে স্মৃতিসৌধ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি দিনাজপুরে গণহত্যা, বধ্যভূমি ও গণকবর জরিপ করেছেন দিনাজপুর সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোজাম্মেল বিশ্বাস। তার জরিপ ও গবেষণায় জেলায় ১৮৬৭টি গণহত্যার নিদর্শন তুলে ধরেছেন। যদিও এতদিন সবার জানা ছিল, জেলায় অন্যায়-অত্যাচার-নির্যাতন, গণহত্যা, বধ্যভূমি ও গণকবরের সংখ্যা ৫৫-৫৬টি।

গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক এই জরিপ পরিচালিত হয়। ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্টের প্রকাশনায় মোজাম্মেল বিশ্বাসের লেখা একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়, ‘দিনাজপুর জেলায় গণহত্যা হয়েছে ১৭২৬টি স্থানে, বধ্যভূমি রয়েছে ৩২টি, গণকবর রয়েছে ৩৪টি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর রয়েছে ১০টি ও নির্যাতন কেন্দ্র রয়েছে ৬৫টি।’

সদর হাসপাতাল মোড়ে স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভ

জরিপে উল্লেখ করা হয়, ‘১৯৭১ সালে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায়। এই উপজেলায় ৫১৩টি গণহত্যা হয়েছে, বধ্যভূমি রয়েছে তিনটি, গণকবর তিনটি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর একটি ও নির্যাতন কেন্দ্র ছিল ছয়টি। এরপরের অবস্থানে সদর উপজেলা। এখানে গণহত্যা হয়েছে ৪৬৮টি, বধ্যভূমি সাতটি, গণকবর আটটি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর দুটি ও নির্যাতন কেন্দ্র ২০টি। বিরামপুরে গণহত্যা হয়েছে ১৬৯টি, বধ্যভূমি তিনটি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর একটি ও নির্যাতন কেন্দ্র পাঁচটি। বিরল উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ১৩৮টি, বধ্যভূমি দুটি, গণকবর সাতটি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর তিনটি ও নির্যাতন কেন্দ্র ছয়টি। ঘোড়াঘাট উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ১১৯টি, বধ্যভূমি চারটি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর একটি ও নির্যাতন কেন্দ্র তিনটি। চিরিররবন্দর উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ১০৭টি, বধ্যভূমি তিনটি, গণকবর দুটি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর দুটি ও নির্যাতন কেন্দ্র তিনটি। বোচাগঞ্জ উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ৭২টি, বধ্যভূমি চারটি, গণকবর ছয়টি ও নির্যাতন কেন্দ্র সাতটি। ফুলবাড়ী উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ৭৮টি, বধ্যভূমি চারটি, গণকবর দুটি ও নির্যাতন কেন্দ্র চারটি। হাকিমপুর উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ২৬টি, বধ্যভূমি একটি ও নির্যাতন কেন্দ্র তিনটি। বীরগঞ্জ উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ১৩টি, বধ্যভূমি একটি, গণকবর চারটি ও নির্যাতন কেন্দ্র একটি। খানসামা উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ১০টি ও নির্যাতন কেন্দ্র তিনটি। নবাবগঞ্জ উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে সাতটি, গণকবর দুটি ও নির্যাতন কেন্দ্র তিনটি। কাহারোল উপজেলায় গণহত্যা হয়েছে ছয়টি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর একটি ও নির্যাতন কেন্দ্র একটি।’

শহীদ আবু আহমেদ আসাদুল্লাহর কবর

জেলার মধ্যে যেসব স্থানে একসঙ্গে অধিক সংখ্যক মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন তার অন্যতম নবাবগঞ্জ উপজেলার চড়ারহাট। এখানে একই স্থানে ৯৯ জন গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন। এ ছাড়া সংখ্যার দিক দিয়ে বেশি এবং উল্লেখযোগ্য স্থান একই উপজেলার কাতলমারীতে গণহত্যায় নিহত হয়েছিলেন ৬৭ জন, পার্বতীপুরের ভবানীপুরে ৫৪ জন, ফুলবাড়ীর আখিরায় ৫৭ জন, চিরিরবন্দরের কাউগা রেলওয়ে স্টেশনে ৫৭ জন, কাহারোলের বিভন্নগ্রামে ৬২ জন ও বোচাগঞ্জের দোমোহনী ঘাটে ৭৩ জন।

সদর উপজেলায় প্রথম গণহত্যার ঘটনা ঘটে চেহেলগাজী ইউনিয়নের খালখলি সেতুর কাছে। ২৭ মার্চের ওই গণহত্যায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরপর রামডুবি লালব্রিজ গণহত্যায় ১৫ জন, রাজবাটি গণহত্যায় ২৫ জন, টেলিফোন ভবন গণহত্যায় ৭০ জন, সদর হাসপাতাল গণহত্যায় ২০ জন, দিনাজপুর পৌর গণহত্যায় ১৩৩ জন, মাঝাডাঙ্গা গণহত্যায় চার জন, গোদাগাড়ি গণহত্যায় ৫০ জন, গোসাইপুর গণহত্যায় ১০ জন, দাড়াইল গণহত্যায় চার জন, রামপুর গণহত্যায় পাঁচ জন, বিশ্বম্ভরপুর গণহত্যায় ৩০ জন, কামারপাড়া গণহত্যায় চার জন, ফুলতলা গণহত্যায় দুই জন, গহনগাছি গণহত্যায় তিন জন, পাতলশাহ গণহত্যায় প্রায় ৩০ জন, কুতইড় গণহত্যায় আট জন, কমলপুর গণহত্যায় ২৪ জন, খানপুর গণহত্যায় পাঁচ জন, রাঘবপুর গণহত্যায় তিন জন, রামসাগর গণহত্যায় প্রায় ২৫০ জন, নিউটাউন গণহত্যায় ২৭ জন, ঘুঘুডাঙ্গা গণহত্যায় চার জন, উমরপাইল গণহত্যায় দুই জন, পাঁচবাড়ী গণহত্যায় নয় জন, মোহনপুর সেতু গণহত্যায় প্রায় ৪০০ জন, তীরশুলা গণহত্যায় প্রায় ১০০ জন, চকগোপাল গণহত্যায় শতাধিক, বক্সিদিঘি গণহত্যায় শতাধিক, পরমেশ্বরপুর গণহত্যায় প্রায় ১০০ জন, ঝানজিরা গণহত্যয় ২২ জন, ভাটপাড়া গণহত্যায় ২৩ জন, কেবিএম কলেজ গণহত্যায় প্রায় ৩০ জন, পুলহাট জুটপ্রেস গণহত্যায় ছয় জন, মাসিমপুর গণহত্যায় ১০ জন, কাউগাঁ রেলব্রিজ গণহত্যায় প্রায় ৫০০ জন, সুন্দরবন গণহত্যায় ৩৬ জন, রানীগঞ্জ গণহত্যায় ১১ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।

সদর হাসপাতালের দক্ষিণ দিতে অবস্থিত অরক্ষিত বধ্যভূমি

এ ছাড়া সদর উপজেলায় বেশ কয়েকটি বধ্যভূমি চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি কাঞ্চনঘাট। পুনর্ভবা নদীর কাঞ্চনঘাট এলাকায় মুক্তিযুদ্ধকালীন বিভিন্ন সময়ে কয়েক হাজার মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যায় পাকিস্তানি বাহিনী। 

একইভাবে জুলুমসাগর বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ও সন্দেহভাজনদের ধরে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। সদর উপজেলায় গণকবর রয়েছে ওয়াপদা মোড়, যেখানে ১৪ জনের অধিক লাশ কবর দেওয়া হয়। রাজবাটি গণকবরে প্রায় ২৫ জনকে কবর দেওয়া হয়।

সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছিল নির্যাতন ক্যাম্প। এসব ক্যাম্পে নারীদের ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হতো। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক এবং সন্দেহভাজনদের সেসব স্থানে নির্যাতন করা হতো। এসব স্থানের মধ্যে অন্যতম ছিল দিনাজপুর সার্কিট হাউজ। এ ছাড়া কাউগা রেলসেতু ক্যাম্প, টেলিফোন ভবন, কুঠিবাড়ি সেক্টর ক্যাম্প, কোতোয়ালি থানা, মাঝাডাঙ্গা গ্রাম, গোদাগাড়ি ক্যাম্প, গোসাইপুর গ্রাম, পাঁচবাড়ি স্কুল, মোহনপুর ওয়াপদা ক্যাম্প, তীরশুলা ক্যাম্প, পরমেশ্বরপুর গ্রাম, কেবিএম কলেজ ক্যাম্প, বেঙ্গরদিঘি ক্যাম্প, দক্ষিণ কোতোয়ালি ক্যাম্প, খানপুর ক্যাম্প, গৌরিপুর ওয়াপদা ক্যাম্প, রামসাগর ক্যাম্প, ভুষিরবন্দর ডাকবাংলো ক্যাম্প নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হয়েছিল।

সদর উপজেলায় বেশ কয়েকটি স্মৃতি সংরক্ষণ ও স্মারক রয়েছে। এর মধ্যে দিনাজপুর পৌরসভা চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ‘সূর্য সৈনিক’, সদর হাসপাতাল মোড়ে স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভ, মহারাজা স্কুল ট্রাজেডি স্মৃতিস্তম্ভ, জেলা প্রশাসক চত্বরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বেদি, মোহনপুর গণহত্যা স্মৃতিসৌধ, শহীদ আবু আহমেদ আসাদুল্লাহর কবর, দিনাজপুর তোরণ স্মৃতিসৌধ, চেহেলগাজী মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধ, তীরশুলা গণহত্যা স্মৃতিসৌধ ও বিশ্বম্ভরপুর গণকবর স্মৃতিসৌধ রয়েছে।

সদর হাসপাতালের সামনে স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভ

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দিনাজপুর সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোজাম্মেল বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা জরিপ করে বেশ কিছু স্থান চিহ্নিত করেছি। যেসব স্থান অরক্ষিত রয়েছে। আবার অনেক স্থানের খোঁজ পাওয়া যায়নি। চিহ্নিতকরণ ও সংরক্ষণের অভাবে অনেক স্থান হারিয়ে যেতে বসেছে। এখনই সময় ওই স্থানগুলোকে সংরক্ষণ করার। নয়তো ধীরে ধীরে এসব স্থান হারিয়ে যাবে। এসব স্থান আমাদের স্বাধীনতার দলিল। জরিপকালে আমরা উল্লেখযোগ্যভাবে তথ্য ও তত্ত্বের ভিত্তিতে যা পেয়েছি, তাই তুলে ধরেছি। এখন আমাদের প্রয়োজন এসব স্থানকে সংরক্ষণ করার। ইতোমধ্যে দিনাজপুর সদর উপজেলার স্থানগুলোকে সংরক্ষণের জন্য জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিমের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি এসব স্থান সংরক্ষণ করে স্মৃতিসৌধ কিংবা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কথা জানিয়েছেন।’

তৎকালীন জয়বাংলা বাহিনীর প্রধান মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম তালুকদার বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ হয়েছে। এসব স্থানের কথা এলাকাবাসী বলতে পারবেন, আবার কোনোটির কথা বলতে পারবেন মুক্তিযোদ্ধারা। একেকজন মুক্তিযোদ্ধা একেক স্থানে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তাই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসব স্থান চিহ্নিত করা প্রয়োজন। এসব স্থানকে সংরক্ষণ করা জরুরি। ইতিহাসের পাতায় স্থানগুলোকে স্থান দেওয়া প্রয়োজন। যাতে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম স্বাধীনতার ইতিহাসকে ধারণ করতে পারে, লালন করতে পারে।’

জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম বলেন, ‘যেসব স্থান ইতোমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে; সেগুলো যাতে সংরক্ষিত হয় সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যে সেসব স্থানের তালিকা সংগ্রহ করে একটি প্রস্তাবনা তৈরির কাজ করছি। সরকারের পক্ষ থেকে ওসব স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ বা স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি।’

/এএম/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
কলকাতায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত
কলকাতায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত
দেশীয় গ্যাস কোম্পানিগুলো পাচ্ছে আরও অনুসন্ধান ও উত্তোলনের দায়িত্ব
জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস আজদেশীয় গ্যাস কোম্পানিগুলো পাচ্ছে আরও অনুসন্ধান ও উত্তোলনের দায়িত্ব
লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবে ২ শ্রমিক নিখোঁজ
লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবে ২ শ্রমিক নিখোঁজ
গ্রিস থেকে ইতালি যাওয়ার পথে পাহাড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু
গ্রিস থেকে ইতালি যাওয়ার পথে পাহাড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু
এ বিভাগের সর্বশেষ
‘মোরা একখানা ভালো ছবির জন্য যুদ্ধ করি’
‘মোরা একখানা ভালো ছবির জন্য যুদ্ধ করি’
মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক-সেতু-ইউনিয়ন, জানেন না অনেকে
মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক-সেতু-ইউনিয়ন, জানেন না অনেকে
১৬ বছরের কিশোরের অর্ধশতাধিক অপারেশন ও বিজয়ের গল্প
১৬ বছরের কিশোরের অর্ধশতাধিক অপারেশন ও বিজয়ের গল্প
স্বীকৃতি চান গেরিলা যোদ্ধা মোক্তার হোসেন
স্বীকৃতি চান গেরিলা যোদ্ধা মোক্তার হোসেন
রঙ-তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠলো বিশ্বের দীর্ঘতম সড়ক আলপনা!
রঙ-তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠলো বিশ্বের দীর্ঘতম সড়ক আলপনা!