রাজধানীতে ব্যবসায়ী নূরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডে তার স্ত্রী নুরানী আক্তার নিজে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিলেও তাতে কবি শাহাবুদ্দীন নাগরীর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দা পুলিশও (ডিবি) এ হত্যাকোণ্ডে তার সম্পৃক্ততা পায়নি। বৃহস্পতিবার (৪ মে) ঢাকা মহানগর হাকিম মো. আহসান হাবিব জবানবন্দি গ্রহণ করে নুরানী আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে, শাহাবুদ্দীন নাগরী তৃতীয় দফায় গত ২ মে থেকে তিন দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, জবানবন্দিতে স্বামীর সঙ্গে পাসপোর্ট করাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির কথা উল্লেখ করেন নুরানী আক্তার। ১৩ এপ্রিল ওই কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূরুল ইসলামকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন নুরানী। এতে ড্রেসিং টেবিলে মাথায় আঘাত পান নূরুল এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয় বলে উল্লেখ করেন নুরানী।
উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) এলিফ্যান্ট রোডের ১৭০/১৭১ ডোম-ইনো অ্যাপার্টমেন্টে নিজ বাসার বেড রুমে ব্যবসায়ী নূরুল ইসলামের মরদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় পরদিন ১৪ এপ্রিল নিউমার্কেট থানায় নিহতের বোন শাহানা রহমান কাজল বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিহতের স্ত্রী ও স্ত্রীর বন্ধু কবি শাহাবুদ্দীন নাগরীসহ আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এরপর পুলিশ শাহাবুদ্দীন নাগরীকে গ্রেফতার করে। ২ মে তাকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আগে ১৭ এপ্রিল প্রথম দফায় পাঁচ দিনের ও ২৩ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় শাহাবুদ্দীন নাগরীকে। মামলাটি বর্তমানে ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে।
আরও পড়ুন-
শিশু সন্তানকে আনতে গিয়ে খুন হলেন শিরিন
ইনকিলাবে গণছাঁটাই, সাংবাদিক নেতাদের উদ্বেগ
মোদিকে চিঠি দিলেন যৌনপল্লী থেকে উদ্ধার এক বাংলাদেশি
/আরজে/টিআর/








