জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে করা আপিল এবং তার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদন একসঙ্গে শুনানির জন্য ৩ জুলাই দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। ওইদিন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কাজী সলিমুল হক কামাল ও শরফুদ্দিন আহমদের আপিলেরও শুনানি হবে।
রবিবার (১ জুলাই) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশ দেন।
এসময় আদালতে ছিলেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান, অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা প্রমুখ।
দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে করা আমাদের আবেদন হাইকোর্ট শুনতে অপারগতা প্রকাশ করে দুদকের মামলার জন্য নির্ধারিত বেঞ্চে শুনানি করতে বলেন। কিন্তু আমরা উভয়পক্ষের আবেদন একসঙ্গে শুনানি করতে চেয়েছি। তাই এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানাই। এর পরিপ্রেক্ষিতেই খালেদা জিয়ার আপিল আবেদনের সঙ্গে আমাদের রিভিশন আবেদন ও অন্য দুই আসামির আপিল আবেদনের একসঙ্গে শুনানির আদেশ দেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ।’
প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। এরপর থেকেই তিনি পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।







