প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ঢাকা ক্লাবের সভাপতি শামীম হোসেনসহ চারজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- ডিরেক্টর ফাইন্যান্স তুহিন রেজা, সিইও এবং সচিব লে. কর্নেল ছাব্বির আহম্মেদ (অব.) এবং চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ইকবাল হোসেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে ক্লাবটির সাবেক কর্মচারী আশিক মোল্লা এ মামলার আবেদন করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন।’
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আশিক মোল্লা ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর ঢাকা ক্লাবে ‘অ্যাটেন্ডেন্ট’ পদে যোগদান করেন এবং ২০১৮ সালের ১৯ অগাস্ট স্থায়ী নিয়োগ পান। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি তাকে চাকুরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে ৬ মাস বরখাস্ত রাখার পর ২৭ জুলাই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তিনি (আশিক মোল্লা) সার্ভিস বেনিফিট, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, নোটিশ পে ও বকেয়া বেতন বাবদ ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওনা হন। পাওনা টাকা না পেয়ে বাদী কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১২৪(ক)-এর (৫) ধারায় মধ্যস্থতার আবেদন জানান।
তবে আসামিরা নোটিশ পেয়েও মধ্যস্থতায় উপস্থিত না হওয়ায় শ্রম পরিদর্শক বাদীকে লিখিত ছাড়পত্র প্রদান করেন।
ছাড়পত্র পাওয়ার পর গত ১৫ আগস্ট বাদী ঢাকা ক্লাবে গেলে আসামিরা তাকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৮১ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। তবে অবশিষ্ট ৩ লাখ ৭৩ হাজার ১৯ টাকা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানান। সেই টাকা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আসামিরা তাকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

১৫ আগস্টে নাশকতার পরিকল্পনা, আরও ২২ জন রিমান্ডে 







