হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের বিশেষ নজরদারিতে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ৪৪ পিস ভেপ এবং ১৪৪ পিস মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়েছে। আটক পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের বি-শিফট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আসা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি গ্রহণ করে।
দুবাই থেকে আগত এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে ৫৮৪ ফ্লাইটের যাত্রী আব্দুল করিম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে তার ব্যাগেজ সন্দেহজনক হওয়ায় তল্লাশি ও ইনভেন্টরি করা হয়। এ সময় তার ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট আটক করা হয়।
একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে আগত এয়ার এশিয়ার যাত্রী শিপনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪৪ পিস ভেপ আটক করেন কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে গুয়াংজু থেকে আসা ইউএস বাংলার ফ্লাইটের যাত্রী কেএম তোফায়েল আহমেদের এর কাছ থেকে ৯৮ পিস মোবাইল ডিসপ্লে এবং একই ফ্লাইটের যাত্রী শামিমা আক্তারের কাছ থেকে আরও ৪৬ পিস মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়। ফলে ওই দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট ১৪৪ পিস মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়।
একদিনে তিন আন্তর্জাতিক রুটে কাস্টমস গোয়েন্দার নজরদারি
সব মিলিয়ে দুবাই, মালয়েশিয়া ও গুয়াংজু থেকে আগত তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন সিগারেট, ৪৪ পিস ভেপ ও ১৪৪ পিস মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়েছে। এসব পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১৭,৪৫,৫০০ টাকা।
একই দিনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে এ ধরনের পণ্য বহনের ঘটনাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। এসব ঘটনার পেছনে কোনও সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কিনা, যাত্রীদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত— সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।








