দা-বটি ধার করেছেন তো?

লাইফস্টাইল রিপোর্ট
০৯ আগস্ট ২০১৯, ১৯:০২আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৯, ১৯:০৩

দা-বটি ধার করেছেন তো? কোরবানির ঈদ আসলেই চারপাশে হিড়িক পড়ে যায় দা-বটি-ছুরি ধার করার বা নতুন করে কেনাকাটা করার। ঈদের দিন মাংস প্রস্তুত করতে দা, বটি ছুরি আবশ্যক বস্তু। ঢাকায় যারা ঈদ করছেন তারা নিশ্চয় ঢাকার কামার পাড়া নিয়ে খোঁজ রাখেন না। ঢাকা শহরে বেশ কয়েকটি কামার পাড়া রয়েছে। এর মধ্যে ঠাঠারিবাজার ও কাওরান বাজারের কামারপট্টি অন্যতম।

কাওরান বাজারের কামারপট্টিতে এই সময় চলছে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। চাপাতি, দা ও ছুরির চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে জানালেন কামারপট্টির ব্যবসায়ী আশিক। তিনি জানান, এখানে তৈরি করা প্রতিটি চাপাতি ৭০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কয়েক ধরনের ছুরি রয়েছে। এর মধ্যে চামড়া ছাড়ানোর ছুরি ১৫০ টাকা থেকে ৪০০টাকা পর্যন্ত রয়েছে।  এমনি সাধারণ ছুরির দাম ৯০ টাকা থেকে এক হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে।  দা-বটির দাম  কেজির ওপর নির্ভর করে। এক কেজি লোহার একটি দা বা বটির দাম ৭৫০ টাকা থেকে শুরু। তবে রেডিমেড কিনতে গেলে ৪০০ টাকা থেকে কেনা যায়। হাড় কাটার কুড়াল পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ টাকা করে।

কামারপট্টির পাশাপাশি সুপারশপগুলোর বুচার সেকশন কিংবা বড় বড় মার্কেটের ক্রোকারিজ সেকশনে চপার, ছুরি, কাঁচি, চাইনিজ কুড়াল পাওয়া যাচ্ছে।

নিউমার্কেটের খালেক এন্টারপ্রাইজে ১৫০টাকা থেকে ছুরির দাম শুরু। চপারের দাম ৫০০- ২৫০০ টাকা পর্যন্ত। জাপানি ছুরির দাম ৪০০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত। চাইনিজ কুড়াল আকার অনুযায়ী ৩০০ টাকা থেকে ১২৫০ টাকা পর্যন্ত।

ঢাকার বাইরে এসব পণ্য কামারপট্টিতেই মিলবে। প্রতিটি জেলা শহরের বাজারেই কামারপট্টি রয়েছে।

এদিকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দা-বটি ধার করাচ্ছেন যারা তাদের রেট কোরবানি উপলক্ষে একটু বেড়েছে। আগে যে ছুরি ২৫ টাকা করে ধারানো হতো সেটি এখন ৫০ টাকা। বটি ধার করাতে ১০০ টাকা নিচ্ছেন অনেকে। চাপাতি ও কুড়াল ধারাতেও ৭০ থেকে ১০০ টাকা রাখা হচ্ছে।

নিজেরাই ধার করানোর জন্য অনেকে বাড়িতে লোহার পাত কিনে নিচ্ছেন। ধারানোর রিবন আকারের ছোট ছোট চাইনিজ যন্ত্রও পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলোর দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পড়ছে।  

 

/এফএএন/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
চাপের মুখে দায়িত্ব ছাড়লেন জবি সমাজ বিজ্ঞানের ডিন
চাপের মুখে দায়িত্ব ছাড়লেন জবি সমাজ বিজ্ঞানের ডিন
বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলা মামলায় আরও দুজনের সাক্ষ্য
বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলা মামলায় আরও দুজনের সাক্ষ্য
বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে মিললো ১৬ কেজি স্বর্ণ
বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে মিললো ১৬ কেজি স্বর্ণ
দুর্নীতির তদন্তের মুখে চায়না ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট
দুর্নীতির তদন্তের মুখে চায়না ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট
সর্বাধিক পঠিত
মন্ত্রিসভায় রদবদলের গুঞ্জন, আলোচনায় যারা
মন্ত্রিসভায় রদবদলের গুঞ্জন, আলোচনায় যারা
নির্বাচন অফিসে পরীক্ষা ছাড়াই ১৪৩ জনকে নিয়োগ, কারা দিলো কীভাবে?
নির্বাচন অফিসে পরীক্ষা ছাড়াই ১৪৩ জনকে নিয়োগ, কারা দিলো কীভাবে?
হান্নান মাসউদের কাছে পরাজিত বিএনপি নেতা পেলেন নতুন দায়িত্ব
হান্নান মাসউদের কাছে পরাজিত বিএনপি নেতা পেলেন নতুন দায়িত্ব
২৭ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি বর্ণার, নদীর পাড়ে বসে কাঁদছেন বাবা
২৭ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি বর্ণার, নদীর পাড়ে বসে কাঁদছেন বাবা
সচিবকে লেখা চিঠিতে ‘আপনার আস্থাভাজন’ কেন লিখছেন এমপিরা
সচিবকে লেখা চিঠিতে ‘আপনার আস্থাভাজন’ কেন লিখছেন এমপিরা