শরীর ও মন চনমনে করার পাশাপাশি কফি কিন্তু আপনার ত্বকেও যোগ করতে পারে উজ্জ্বলতা। কফিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে থাকা ক্যাফেইন ফোলাভাব কমাতে, নিস্তেজ ত্বককে উজ্জ্বল করতে এবং টানটান করতে সাহায্য করে। জেনে নিন ত্বকের যত্নে কোন কোন উপায়ে ব্যবহার করবেন কফি।
- ১ চামচ কফি, ১ চামচ মধু ও সামান্য অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। আলতো করে ঘষুন। এক বা দুই মিনিট স্ক্রাব করুন, তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কফি এক্সফোলিয়েট করে ত্বক। মধু হাইড্রেট করে এবং তেল ত্বকে আর্দ্রতা জোগায়।
- এক চামচ কফি ও দুই চামচ টক দই এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিষ্কার ত্বকে লাগান। ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।দইতে ল্যাকটিক অ্যাসিড আছে যা উজ্জ্বল এবং মসৃণ করে ত্বক।
- আইস ট্রেতে কফির মিশ্রণ জমিয়ে চোখের নিচে লাগান। তাৎক্ষণিকভাবে চোখের ফোলাভাব দূর করে এটি। এছাড়া ত্বক টানটান করতেও এর জুড়ি নেই।
- ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে কফি। এছাড়া প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবেও কফি দারুণ। ত্বকে ধীরে ধীরে কফি ঘষুন। ত্বকের মরা চামড়া দূর হবে ও ব্রণ কমবে। ৩ চা চামচ কফির সাথে ১ টেবিল চামচ বেসন মিশিয়ে নিন। ৩ চা চামচ মধু, ২ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং ২-৩ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন। প্যাকটি ১৫ মিনিটের জন্য বা শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত রাখুন এবং তারপরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
- আধা চা চামচ কফি পাউডার, আধা চা চামচ মধু এবং অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি মুখের ত্বক ও ঠোঁটে লাগান। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।
- সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এই ফেসপ্যাকটি। ত্বকের মরা চামড়া দূর করার পাশাপাশি ত্বকের একদম ভেতরের ময়লা দূর করে কফি ও ওটমিলের ফেসপ্যাক। ১ চা চামচ ওটমিলের সঙ্গে ১ চা চামচ কফি মেশান। এই দুই উপাদানের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি ত্বকে ২ মিনিট ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।








