দূর হোক বার্ধক্যের একাকিত্ব

Send
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৪:২০, নভেম্বর ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:১৭, নভেম্বর ২৪, ২০১৯

দীর্ঘদিনের চাকরি জীবন শেষ হওয়ার পর কিংবা বার্ধক্যের নানা পর্যায়ে একাকিত্ব জেঁকে বসে বেশ ভালোভাবেই। পরিবারের বাকি সদস্যের ব্যস্ততা যেন এই একাকিত্বকে করে তোলে আরও বিষাদময়। তবে অবসর জীবন মানে কি কেবল একাকিত্বের বেদনা? চাইলে কিন্তু এসময়টাকেও করে তুলতে পারেন রঙিন। জেনে নিন কীভাবে।

  • বার্ধক্যে যাওয়ার আগেই কিছু ব্যাপার মাথায় রাখুন। বেশিভার সময়ই আমরা নিজের উপার্জনের পুরোটুকু খরচ করে ফেলি সন্তান বা সংসারের পেছনে। এটি করবেন না। নিজের জন্য অবশ্যই কিছু অর্থ সঞ্চয় করে রাখুন। এই সঞ্চয়ই শেষ বয়সে আপনাকে সাহস জোগাবে।
  • ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে ছুটতে নিজের সব শখ জলাঞ্জলি দিয়েছেন? কিন্তু অবসর জীবনে এসে দেখা যায় যে চাকরি বা সংসারের জন্য এত ছুটোছুটি, তার কিছুই পড়ে নেই। কেবল হারিয়ে গেছে শখটা। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও নিজের সামান্য কিছু শখ বাঁচিয়ে রাখবেন। সেটাই কিন্তু হবে আপনার অবসরের সঙ্গী। আগের শখ না থাকলেও নতুন করে শুরু করতে পারেন বাগান করা অথবা বই পড়া।
  • ডিজিটাল দুনিয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খানিকটা ‘স্মার্ট’ কিন্তু হয়ে যেতেই পারেন! সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরনো বন্ধুদের খুঁজে বের করুন। সম্ভব হলে একসঙ্গে কারোর বাসায় বসে আড্ডা দেওয়ার পরিকল্পনা করে ফেলুন।
  • রোজ সকালে হাঁটতে বের হোন। এতে যেমন শরীর ভালো থাকবে, তেমনই বাড়বে বন্ধুর সংখ্যাও।
  • নানা ব্যস্ততায় নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখার প্রয়োজন বোধ করেন না অনেকেই। কিন্তু বার্ধক্যে একাকিত্ব এড়ানোর প্রধান উপায় নিজেকে সুস্থ রাখা। অনেক সময়ে শারীরিক অক্ষমতা থেকে আসে মানসিক অবসাদ। আবার উল্টোটাও কিন্তু হতে পারে।
  • সন্তানদের সঙ্গে অনেক সময় বিভিন্ন কারণে থাকা সম্ভব হয় না। অনেক সময় প্রবাসী সন্তানরাও দূর থেকে চিন্তা করতে থাকেন বাবা মাকে নিয়ে। সম্ভব হলে ভাইবোন, বন্ধুদের কাছাকাছি ফ্ল্যাটে থাকুন। এতে ব্যক্তিগত পরিসর যেমন বজায় থাকবে, আবার হাত বাড়ালেও পাওয়া যাবে ভরসার হাত।
/এনএ/

লাইভ

টপ