কার্পেটের যত্ন ও পরিষ্কার পদ্ধতি

Send
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৪:৩০, মার্চ ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৩০, মার্চ ১৯, ২০২০

কার্পেট ঘরের সৌন্দর্য বাড়ালেও এতে ধুলাবালি জমে বেশি। এছাড়া পোকার আক্রমণ, তেলের ছোপ ও যত্নের অভাবে অকালেই কার্পেট হয়ে যেতে পারে মলিন। কার্পেটের যত্ন ও পরিষ্কার পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন।


কার্পেট কেনার আগে
কার্পেট কেনার আগে কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে হবে। ঘরের মাপ অনুয়াযী কার্পেটের মাপ ও ডিজাইন বেছে নিন। কার্পেট কোন ঘরে রাখবেন তার উপরও নির্ভর করবে কী ধরনের কার্পেট কিনবেন। ড্রইং রুম, বেড রুম এবং শিশুদের রুমের কার্পেট ভিন্ন ভিন্ন হলেই ভালো। একরঙা কার্পেট সহজেই ময়লা হয়ে যায়। কিন্তু নকশাদার বা ডবল বুনুনির কার্পেট সহজে ময়লা হয় না। তাই শিশুর ঘরে রঙিন নকশাদার কার্পেট রাখুন। শিশুর ঘরের জন্য সুতি বা জুটের কার্পেট আদর্শ। কারণ এগুলো প্রয়োজনে সহজেই পরিষ্কার করা যায়। উল, সিল্কের কাশ্মীরি বা পারশিয়ান কার্পেট বেছে নিন বসার ঘরের জন্য।
যত্নে থাকুক কার্পেট
কার্পেটের কোনও কোনও জায়গায় চাপ বেশি পড়ে। যেমন আসবাবের পায়া, সোফাসেট বা সেন্টার টেবিলের সামনে ইত্যাদি। দীর্ঘদিন ধরে চাপ পড়লে কার্পেটের ওই জায়গা পাতলা হয়ে রঙ চটে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এক্ষেত্রে আলাদা রাগ বা কার্পেট পেতে দিন কার্পেটের উপর। এতে কার্পেট অনেকদিন ভালো থাকবে।
কার্পেটের ধুলো পরিষ্কার করতে বছরে অন্তত দুই থেকে তিনবার কার্পেট পিটিয়ে ঝাড়া দরকার। বড় বারান্দা, ছাদ বা প্রশন্ত লনে কার্পেটটি উল্টো করে পেতে মোটা লাঠি বা কার্পেট ব্রাশের লম্বা হাতল দিয়ে পেটান। তবে শখের দামি কার্পেটের ক্ষেত্রে প্রফেশনালের সাহায্য নেওয়াই ভালো।
কার্পেট পরিষ্কার করার আরও একটি সহজ উপায় আছে। গোটা কার্পেটে প্রচুর পরিমানে মোটা দানার লবণ ছড়িয়ে দিন। তারপর শক্ত দাঁড়ার স্টিফ ব্রাশ দিয়ে জোরে জোরে ঘষে সাফ করুন। কার্পেটের জমাট বুনন যেদিকে, সেই দিকেই ডাস্টার বা ব্রাশ চালাবেন। উলের কার্পেট থেকে নতুন অবস্থায় বেশ কিছু রোঁয়া বের হতে থাকে। এই কার্পেট খুব জোরে ঘষে পরিষ্কার করা উচিৎ নয়। ব্রাশের বদলে ভ্যাকুয়াম বা হালকা ঝাড়ন দিয়ে পরিষ্কার করুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিষ্কার করুন।
কার্পেটে খাবার পড়ে গেলে খাবার তুলে নিয়ে সেই জায়গায় ভিনেগার বা লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। এবার ইষদুষ্ণ সাবান-পানি দিয়ে ঘষে নিন। একটা পরিষ্কার কাপড় অ্যামোনিয়ায় ভিজিয়ে জায়গাটি মুছে নিন। শুকিয়ে গেলে ডিওডোরাইজার ছড়ান। খাবারের দাগ, গন্ধ পুরোপুরি দূর হবে। কার্পেটের দাগ ছোপ তোলার জন্য কোনও ক্লিন সলিউশন বা রিমুভার ব্যবহার করার আগে কার্পেটের কোনও একটি কোণায় ক্লিনারটি ঢেলে পরীক্ষা করে দেখে নিন রঙ চটে যাচ্ছে কি না বা কার্পেটর অন্য কোনও ক্ষতি হচ্ছে কি না। নিশ্চিত হলে তবেই ব্যবহার করুন।
পুরনো কার্পেট ফেলে দেবেন না। যেকোনও দরজিকে দিয়ে মাপমতো কাটিয়ে সেলাই করিয়ে নিন। দরজার সামনে বা বারান্দায় রাখার পাপোশ কিংবা বাথরুম রাগ বানিয়ে নিতে পারেন।

/এনএ/

লাইভ

টপ