X
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
৯ আশ্বিন ১৪২৯

আবুল হাসানের মানবপ্রেম

জান্নাতুল যূথী
০৪ আগস্ট ২০২২, ১২:২৭আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২২, ১২:২৭

ষাটের দশকের জনপ্রিয় কবিদের অন্যতম আবুল হাসান (৪ আগস্ট ১৯৪৭-২৬ নভেম্বর ১৯৭৫)। পৃথিবীর বুকে বেশিদিন শ্বাস নিতে না পারলেও অল্পসময়েই বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছেন। অসুস্থ অবস্থাতেই তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাজা যায় রাজা আসে’ (১৯৭২) প্রকাশিত হয়। এরই কিছুদিন পরই বের হয় ‘যে তুমি হরণ করো’ (১৯৭৪) কাব্যগ্রন্থটি। তাঁর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ  ‘পৃথক পালঙ্ক’ (১৯৭৫) রচনা করেন হাসপাতালের বেডে শুয়ে। মৃত্যুর দশ বছর পর ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয় ‘আবুল হাসানের অগ্রন্থিত কবিতা’। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েও কবি থেমে থাকেননি। সৃষ্টি করেছেন মনোমুগ্ধকর রচনা। তাই দৈহিক মৃত্যু অতিক্রম করে পাঠক হৃদয়ে আজও তিনি বেঁচে আছেন।

আবুল হাসান তাঁর কবিতায় প্রেমকে শিল্পের সঙ্গে সংযুক্ত করেছেন। সহজ-সরল প্রেম যেন কবির কবিতায় শিল্পের মাধুর্য হয়ে উঠেছে। সাদাসিধা গিন্নি মেয়ের মতো নানারকম ছলা-কলার ধার-ধারে না তাঁর কবিতা। বরং তাঁর কবিতা রঙিন ধূলিমাখা কালি, উল্টো-পাল্টা শব্দ রঙকেই সুন্দর করে উপস্থাপন করে। শিল্প হয়ে দেখা দেয় মনের আঙিনায়।

কবিতায় যেমন মনের ভাব ফুটে ওঠে, তেমনই ছন্দে শাসন-শোষণেরও বেড়ি ভাঙা হয়। সমালোচকদের মুখের ওপর উচিত জবাব দেওয়ার অন্যতম হাতিয়ার কবিতা। আবুল হাসান ‘শিল্পের সহবাস’ কবিতায় কবিতার সঙ্গে মানুষের বসবাস কেমন, তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। কবির ভাষায়: 

এই কবিতা তোমার মতো সমালোচকের ভুল শোষণের
শাসনত্রাশন ভেঙে ফেলে, মুখের উপর থুথুড়ি দেয়;
ইচ্ছে হলেই শিল্প দেখায় রক্ত মাখায় এই কবিতা।
(শিল্পসহবাস : রাজা যায় রাজা আসে )

কবির মৃত্যুচেতনা প্রবলভাবে লক্ষ করা যায় ‘জন্ম মৃত্যু জীবনযাপন’ কবিতায়। তিনি মানবের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন। পৃথিবীর এত হানাহানি কেন! যুদ্ধ করে কী লাভ? বরং গোলাপ ফুলের মতো শান্ত হলে পৃথিবীর ক্ষয়ক্ষতি, ধ্বংসযজ্ঞ মোকাবিলা করা সম্ভব। আধিপত্য বিস্তার না করে তীব্র স্বাধীন জীবনযাপনের মাঝেই সুখের সাক্ষাৎ ঘটে। জীবনের অর্ধেক সময় সঙ্গম, সন্তান উৎপাদনে চলে গেলেও দিনশেষে কয়জন প্রাণ খুলে হাসতে পারে! বলতে পারে আমি ভালো আছি? জীবনের পাওয়া না পাওয়ার হিসাব মেলাতে গিয়ে যেটুকু আনন্দ উপভোগের, সেটুকুও হারিয়ে বসা বোকামি। তাই পৃথিবীর রূঢ়তার মাঝেই নিজের স্বস্তি খুঁজে নিতে হবে। আবুল হাসান মানবপ্রেমী কবি। মানুষের মাঝেই তাঁর বাস। তাই মানবের জীবন-যন্ত্রণাকে বিশেষভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। কবিতায় তা পেয়েছে জীবন্ত রূপ:
 
মৃত্যু আমাকে নেবে, জাতিসংঘ আমাকে নেবে না,
আমি তাই নিরপেক্ষ মানুষের কাছে, কবিদের সুধী সমাবেশে
আমার মৃত্যুর আগে বোলে যেতে চাই,
সুধীবৃন্দ ক্ষান্ত হোন, গোলাপ ফুলের মতো শান্ত হোন
কী লাভ যুদ্ধ কোরে? শত্রুতায় কী লাভ বলুন?
(জন্ম মৃত্যু জীবনযাপন :  রাজা যায় রাজা আসে)

সত্যিই মৃত্যুই কবিকে স্থান দিয়েছে। মানুষের ক্ষয়ক্ষতি, ধ্বংস কিছুই তাকে আর ছুঁতে পারবে না। কবির গভীর অন্তর্বেদনা ফুটে উঠেছে মাতৃভাষা কবিতায়। কবি সবকিছুর মধ্যেই তার মাতৃভাষাকে খুঁজেছেন! ভালোবাসা, বেদনা, যুদ্ধ, নদী, নগ্নতা সবকিছুরই প্রকাশের ভাষা আছে। সে ভাষার আলাদা ধরন। কিন্তু কবির প্রাণের মাতৃভাষা ক্ষুধা! যে ক্ষুধা কবিকে ছাপিয়ে মানুষের! দুর্ভিক্ষ-দারিদ্র্ পীড়িত মানুষের প্রাণের ভাষা ক্ষুধা। সব ভাষা দমে গেলেও ক্ষুধার তাড়না কখনো পিছু ছাড়ে না। কবিতার মধ্য দিয়ে কবির সমাজ-রাষ্ট্রচেতনা প্রচণ্ড পরিমাণে ক্রয়াশীল: 

শুধু আমি জানি আমি একটি মানুষ
আর পৃথিবীতে এখনও আমার মাতৃভাষা ক্ষুধা!
(মাতৃভাষা : রাজা যায় রাজা আসে)

সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া মানুষের ধর্ম। মানুষ প্রতিনিয়ত বদলায়। আবুল হাসানও তাঁর কবিতায় মানবের বদলে যাওয়ার প্রতি আহ্বান করেছেন। সেই বদলে যাওয়া ইতিবাচক। শান্তির শর্তে সবকিছু বদলে নিতে হবে। রাস্তা-ঘাট, দালান, দোকান-পাট, রাজা-রাণী, রাজমহিষীর
ঘোড়া সবকিছুর পরিবর্তন একশর্তেই হবে, ‘তা হলো শান্তি-কল্যাণ’! উচ্ছ্বল আনন্দে জীবনের ডাকে সাড়া দিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানোই যেন মানবের উদ্দেশ্যে হয়। তাহলেই পৃথিবীর কল্যাণ হবে। কবির আহ্বান ধ্বনিত হয়েছে এভাবে: 

কেবল শান্তির শর্তে লোকগুলো যার যার
বদলে বদলে নেবে।
(শান্তিকল্যাণ: রাজা যায় রাজা আসে)

প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গও কবির কবিতায় স্থান পেয়েছে। প্রকৃতির প্রতি এত কোমল, অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ কবিতার পটে জীবন পেয়েছে। নগরজীবন পরিত্যাগ করে কবি ফিরতে চেয়েছেন লোকজীবনে। নগরজীবনের দ্বন্দ্ব-জটিল জীবনে কবি কাতর হয়ে উঠেছেন। বহুদিনের তৃষ্ণা নিয়ে তাই ফিরে গেছেন পল্লীগ্রামে। পারদমাখা শয্যা, নারী, কেউ তাকে শান্তি দিতে পারেনি। গ্রন্থগুলোও আজ শুধুই ছাপার হরফ। সভ্যতার নামে অধঃপতন চারিদিকে। কোনো একজন মানুষ আজ পাওয়া ভার, যার কাছ থেকে আলোর পথের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। শুধু শুধুই জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। শিল্প-সাহিত্য থেকে শুরু করে সবকিছুই আজ সুবিধাবাজদের দখলে। যান্ত্রিক জীবনের দ্বন্দ্ব-জটিলতাকে পেছনে ফেলে কবিও  প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পেতে চেয়েছেন। 

আবুল হাসান মানবপ্রেমী কবি। কবিতায় রাজনীতির অশোভন দিকের চিত্রও তিনি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, পথে-ঘাটে কোথায় রাজনীতি নেই? সামান্য দেবদারু গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে, সেখানেও রাজনীতি। মারামারি, অত্যাচার, গুম, খুন, হত্যার আগ্রাসী মনোভাব দিকে দিকে। কোথাও শান্তি নেই। নারীরা রক্তের ভেতর সমস্যার ভ্রূণ নিয়ে পথ চলছে। বেদনার বিষবাষ্পে জর্জরিত চারিদিক। খাঁ খাঁ করছে সব তবু চলছে রাজনীতি! দুর্ভিক্ষ, দুর্নীতি, দারিদ্র্য একাকার হয়ে গেছে। তবু চলছে রাজনীতি। কবিতার শরীরে আবুল হাসান তুলে ধরেছেন বাস্তবতার চরমতম দিক। কবির ভাষ্য তাই চিরন্তন: 

আমি পকেটে দুর্ভিক্ষ নিয়ে একা একা অভাবের রক্তের রাস্তায় ঘুরছি
জীবনের অস্তিত্বে ক্ষুধায় মরছি রাজনীতি, তাও রাজনীতি আর
বেদনার বিষবাষ্পে জর্জরিত এখন সবার চতুর্দিকে খাঁ খাঁ, খল,
তীব্র এক বেদনার সাপ খেলা দেখছি আমি; রাজনীতির তাও কি
রাজনীতি?
(অসভ্য দর্শন : রাজা যায় রাজা আসে)

সমাজ-সংসার-সভ্যতার বিবর্তনে মানুষের পরিবর্তন তেমন ঘটেনি। বরং মানুষ থেকে গেছে অন্ধকার তিমিরে। সবদিকে অধঃপতনের ধুম। মতবাদ, রাজনীতি, শিল্পকলা কোথাও প্রকৃত কল্যাণ নেই আজ। শহরের সবদিকে ছড়ানো দুর্দিন, বন্যা, অবরোধ, আহত বাতাস। মানুষের যতদিন ভালো-মন্দের প্রভেদবোধ না আসবে, ততদিন সব অন্ধকারেই তলিয়ে থাকবে। শহরে শুধু স্বপ্ন, স্মৃতি, শব্দ, অলঙ্কার, অভাবের মরীচিকায় দেখা দেবে। হাহাকারের ব্যথা ছাড়া আর কিছু মিলবে না। কবি মানুষের দুঃখ এত কাছ থেকে উপলব্ধি করেছেন বলেই কবিতায় ফ্রেমে সেই চিত্র এঁকেছেন।

জীবন-যন্ত্রণা জটিলতার ঊর্ধ্বে কবি নন। বরং কবিতার মাধ্যমে পৃথিবীর রূঢ়তাকে অতিক্রম করতে চেয়েছেন। তবুও সমাজের সঠিক দিশা তিনি পাননি। সবকিছুর মধ্যেই ধ্বংস দেখেছেন।  কবির কবিতায় হতাশা-স্বপ্নভঙ্গ যেমন আছে, তেমনই তিনি আশাও ব্যক্ত করেছেন। ‘ফেরার আগে’ কবিতায় কবি সেই আশাই ব্যক্ত করেছেন। পৃথিবীর ধ্বংসযজ্ঞ যদি থেমে যায়, তবে কবি নিজ গন্তব্যে ফিরতে চান। নারী যদি তার কাঙ্ক্ষিত অলঙ্কার পায়, মাঠ যদি সবুজ তৃণে ভরপুর হয়ে ওঠে, শিশুর শুভ্র হাসি ফিরে পায়, তবে কবি আর ফিরে তাকাবেন না। তিনি তার আপন গন্তব্যে পৌঁছাতে চান।

আবুল হাসান তাঁর কবিতায় ‘রাজহাঁস’কে লোকজীবনের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেছেন। যে রাজহাঁস ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের প্রতীক। শহরের অবরুদ্ধ জীবনের বিপরীতে সুন্দরের আহ্বান করেছেন কবি। তাঁর কবিতায় দুঃখ অতিক্রমের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। ব্যক্তিজীবনের ব্যর্থতা মুছে সামনে এগিয়ে যাওয়ায় কবির লক্ষ্য। কবির দরদি মন বারবার মানুষের জন্য পীড়িত হয়েছে। অন্তরে রক্তক্ষরণ হয়েছে তাঁর:

আমি ভুলে গিয়েছিলাম পৃথিবীতে তিন চতুর্থাংশ লোক এখনো
ক্ষুধার্ত!
আমি ভুলে গিয়েছিলাম রাজনীতি একটি কালো হরিণের নাম!
(ভ্রমণ যাত্রা : যে তুমি হরণ করো)

আবুল হাসানের কবিতায় এমন কোনো বিষয় নেই, যা তিনি প্রাধান্য দেননি! তবে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা কবিকে বিশেষভাবে কাতর করেছে। সমাজের নোংরামি যেন কিছুতেই থামতে চায় না। আপামর মানুষকে নিয়ে ভাবার কোথাও যেন কেউ নেই। যাদের জীবন চলে টেনেটুনে তারাও নির্যাতিত নিপীড়িত সমাজের রাঘববোয়ালদের দ্বারা। কবির ভাবনা বিশেষভাবে আঘাত হানে চেতনায়। আসলেই মানুষ কী ভালো আছে? জীবনের সঠিক দিশা কি কখনো পাওয়া সম্ভব নয়? দারিদ্র্যের সঙ্গে যাদের বসবাস, তারা কি প্রতিনিয়ত নিপীড়িত হবে? এসব প্রশ্নের উত্তর আজও প্রশ্নেই  সীমাবদ্ধ! কবির বুকফাটা আর্তনাদ তাই যেন কাউকেই সঠিকভাবে পথ দেখাতে চাইলেও পারছে না: 

বলা যায় না কোথায় ফুটুস করে কে কাকে ঝপাৎ করে মেরে ফেলে
মমতা তো নেই!
(অন্যরকম সাবধানতা : যে তুমি হরণ করো )

বিনষ্ট সমাজ থেকে নিজেকে মুক্ত করার কথা কবি বারবার বলেছেন। সাদা ঘোড়ার প্রতীকী রূপ যেন মানবের মুক্তির পথ! কবির আশার বাণী ফুটে উঠেছে এভাবে: 

সমাজের ডাইনীদের খলপনা থেকে তুমি বেরিয়ে এসেছো আজ
তমসার ভ্রূণ ভেঙে বেরিয়ে এসেছ তুমি সদ্যজাত ভোর
তুমি নব সকালের নব রৌদ্রযুগ!
(আশ্রয় : যে তুমি হরণ করো)

সমাজের অবক্ষয়, অধঃপতন, বিচ্ছেদ সবকিছু ছাপিয়ে মানুষকে নতুনের স্বপ্ন বুনতে হবে। আত্মার অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা ক্ষুধিত জানোয়ারটাকে গলা টিপে হত্যা করতে হবে। না হয়, শুভদিনের সাক্ষাৎ পাওয়া মুশকিল। ভেতরে যতই দ্বন্দ্ব-সংঘাত থাক না কেন দিনশেষে সুন্দরের পথ চেয়ে সে মতো কাজ করে যেতে হবে।  আবুল হাসান কবিতায় ফুটিয়ে তুলেছেন অনবদ্য চেতনার: 

ঝিনুক নীরবে সহো
ঝিনুক নীরবে সহো, ঝিনুক নীরবে সহে যাও
ভিতরে বিষের বালি, মুখ বুজে মুক্তা ফলাও!
(ঝিনুক নীরবে সহো : পৃথক পালঙ্ক)

সভ্যতার নেতিবাচক দিক, মৃত্যু-প্রেম দ্বিসত্তা, সুখ-দুঃখ, ধ্বংস সব স্থান পেয়েছে কবিতায়। কবিতায় নিঃসঙ্গতা প্রকাশ পেলেও আবুল হাসান ছিলেন ভবঘুরে, উদাসীন! জীবনের অতি অল্প সময় পেলেও পাখির মতো মুক্ত আকাশে নিজেকে মেলে ধরছেন। মৃত্যু যেন নবরূপে প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর কবিতায়:

কেবল মানুষ সর্বাঙ্গে মৃত্যুর কাঁটা
গলগণ্ডে ধুতরার বীজ নিয়ে শুয়ে আছে রাতে!
কারো আদি নেই। কারো অনাদি নেই!
(মৃত্যু, হাসপাতালে হীরক জয়ন্তী : পৃথক পালঙ্ক)

মাত্র তিনটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ পেতে না পেতেই জীবনের অবসান ঘটেছে তাঁর। মানুষের দুঃখ-বেদনা, প্রকৃতির প্রতি অপার মুগ্ধতা, না পাওয়ার বেদনা, মৃত্যুচেতনা, বিচ্ছিন্নতাবোধ, প্রেম, আত্মত্যাগ, দুর্ভিক্ষ, জীবনের টানাপড়েন একাকার হয়ে স্থান পেয়েছে তাঁর কবিতায়। জীবনের সীমারেখায় অভিজ্ঞতা মেধা মননে থেকেছেন ভিন্ন-স্বতন্ত্র। স্বল্পায়ু হলেও কবিতার অপরিমেয় শক্তি তাঁকে পাঠকমনে অম্লান করে রেখেছে।

/জেডএস/
সম্পর্কিত
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
আ.লীগ সব সময় জনগণের ভোটেই ক্ষমতায় আসে: প্রধানমন্ত্রী
আ.লীগ সব সময় জনগণের ভোটেই ক্ষমতায় আসে: প্রধানমন্ত্রী
মহরতে স্মৃতিকাতর প্রযোজক অপু বিশ্বাস (ভিডিও)
মহরতে স্মৃতিকাতর প্রযোজক অপু বিশ্বাস (ভিডিও)
আজ মহালয়া, দেবীপক্ষের শুরু
আজ মহালয়া, দেবীপক্ষের শুরু
প্রসঙ্গ রাজনীতি: কঙ্গনাকে ‘খোঁচা’ দিলেন হেমা মালিনী!
প্রসঙ্গ রাজনীতি: কঙ্গনাকে ‘খোঁচা’ দিলেন হেমা মালিনী!
এ বিভাগের সর্বশেষ
‘জাগ্রত বাংলাদেশ’ ও আহমদ ছফা : এক ক্ষ্যাপা বাউলের প্রাণ ।। পর্ব—সাত
পথে নেমে পথ খোঁজাআহমদ ছফা : এক ক্ষ্যাপা বাউলের প্রাণ
সাড়ে তিন আনা
সাদত হাসান মান্টোর ‘শিকারি আওরত’ থেকেসাড়ে তিন আনা
আকাশটা জুম করে দেখি
আকাশটা জুম করে দেখি
প্রসঙ্গ একজন বিনয় মজুমদার
জোনাকি পোকাই প্রকৃত জ্যোতির্ময়প্রসঙ্গ একজন বিনয় মজুমদার
প্রথম মানস-সন্তানের জন্মবৃত্তান্ত ।। পর্ব—৬
পথে নেমে পথ খোঁজাপ্রথম মানস-সন্তানের জন্মবৃত্তান্ত ।। পর্ব—৬