X
রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪
৮ বৈশাখ ১৪৩১

আবুবকর সিদ্দিক : অন্যরকম অনন্তযাত্রা

মামুন মুস্তাফা
২৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৩:৩০আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৩:৩০

সব্যসাচী লেখকের সংজ্ঞা কী? আমাদের সাহিত্যে একজনই সব্যসাচী লেখক হিসেবে চিহ্নিত হন, তিনি সৈয়দ শামসুল হক। কিন্তু আমার কাছে আবুবকর সিদ্দিকও তেমনই একজন। বাংলাদেশের কবিতা ও কথাসাহিত্যে তিনি সমান দেদীপ্যমান; শুধু তা-ই নন, বরং দুই ক্ষেত্রেই নিজস্ব ভাষারীতি গঠনের মাধ্যমে নিজেকে স্বতন্ত্র চিহ্নিত করেছেন। উপরন্তু তাঁর গণসংগীত আমাদের বাংলা সাহিত্যকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা এবং অবশ্যই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য তা ছিলো প্রেরণাদায়ক। আবুবকর সিদ্দিকের মতো একনিষ্ঠ পাঠকও আমার চোখে পড়েনি। তিরিশের অন্যতম প্রধান কবি বিষ্ণু দে-এর সঙ্গে তার সখ্য, চিঠির আদান-প্রদান, শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, মনোজ বসু, বুদ্ধদেব বসু ও প্রতিভা বসু; এদেশে সিকানদার আবু জাফর, হাসান হাফিজুর রহমান—এঁদের সঙ্গে তার কথোপকথনের বিষয় ও আড্ডা কবি আবুবকর সিদ্দিকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।

বাম-ঘরানার এই লেখক নিজে কখনো প্রশ্রয় দেননি কোনো শঠতাকে, ধূর্ততাকে। আর আমি মনে করি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি-বর্ধমানের জনপদ তাঁর কৈশোরের মনোভূমিকে ভিত্তি দিয়েছিল বলেই আবু বকর সিদ্দিকের পক্ষেও এটা সম্ভব হয়েছিল। বর্ধমান শহরের টাউন হলের রাজনৈতিক সভায় যে চারজন কিশোর উদ্বোধনী সংগীত গাইতো, তাদেরই একজন ছিলেন আবুবকর সিদ্দিক। নেহেরু-গান্ধীর জনসভায় থাকার সৌভাগ্য তাঁর হয়েছিল। সেই তখন কংগ্রেসের মিছিলে কিশোর বাহিনীতে থেকে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, স্লোগান দিয়েছেন। তাছাড়া তাঁর বাবা একজন রাজনীতিক-সাংস্কৃতিক সচেতন মানুষ ছিলেন বিধায় পিতার কাছ থেকেও কবি এ-বিষয়ে দীক্ষা পেয়েছেন। আবুবকর সিদ্দিকের ভাষায়— “এই রাজনৈতিক বাতাবরণ—নেহেরু-গান্ধী-সুভাষ বোসের দর্শন, বিশ্বযুদ্ধের চাপ, ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, দাঙ্গার মতো ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে ফিরে এলাম জন্মভিটে বাগেরহাটের বৈটপুর গ্রামে। আর এ সমস্ত কিছুই পরবর্তীতে আমার লেখক হয়ে ওঠার ভিত্তি রচনা করেছে।”

দেশভাগ উত্তর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক শোষণ-নিপীড়নের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে ষাটের দশকে আবুবকর সিদ্দিক প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। কবি বিষ্ণু দে-এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এবং পরবর্তীতে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সখ্যের ফলে তাঁর অনেক কবিতা, গল্পে রাজনীতি পরোক্ষভাবে ছায়া ফেলে। তবে খুলনা শহরে ষাটের দশকে সৃষ্টি হয়েছিল ‘সন্দীপন’ নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। মূলত সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ভিতর দিয়েই সে-সময়ের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক শোষণের বিরুদ্ধে মেহনতী মানুষের পক্ষে কথা বলতো ‘সন্দীপন’। খুলনার গার্লস কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক খালিদ রশিদের নেতৃত্বে এর সঙ্গে তখন যুক্ত ছিলেন সাধন সরকার, হাসান আজিজুল হক, নাদিম মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। এরও আগে কবি কলকাতার আন্ডার গ্রাউন্ড বামরাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, ফলে তখন তা আরো তীব্র হয় এবং গণসংগীত লেখা শুরু করেন। একসময় চরমপন্থী নকশাল রাজনীতির সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েন তিনি। বলা যায় এসময় থেকে আবুবকর সিদ্দিকের লেখায় গণমানুষ প্রধান হয়ে ওঠে, ব্রাত্যজন ঠাঁই নেয় তাঁর সাহিত্যে। আর ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গাওয়া হতো তাঁর লেখা গণসংগীত— ‘ব্যারিকেড বেয়নেট বেড়াজাল/পাকে পাকে তড়পায় সমকাল’। এই গণসংগীতের কারণে ওই যুদ্ধসময়ে রাজাকার-আলবদরদের দোসরদের হাতে তাঁকে নির্যাতিত হতে হয়েছিল।

একদিকে কমলকুমার মজুমদার, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়; অন্যদিকে বুদ্ধদেব বসু, বিষ্ণু দে, জীবনানন্দ দাশ—মূলত এঁদের মিশেলে নিজের ভেতরে এক আলাদা স্বতন্ত্র লেখক সত্তা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন আবুবকর সিদ্দিক। এক লেখায় আবুবকর সিদ্দিকের রচনাসমূহের স্বাতন্ত্রিকতা বুঝাতে গিয়ে বিশিষ্ট গবেষক ও কবি তপন বাগচী বলেছিলেন— ‘আবুবকর সিদ্দিকীয়’। আদতেই তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। কী কবিতায়, কী কথাসাহিত্যে। তাঁর লেখা যেমন ভাষা-নিরীক্ষা ও বিষয়-বৈচিত্র্যের স্বাতন্ত্রিকতায় বিশিষ্ট, তেমনি তাঁর গ্রন্থগুলোর নামকরণও অনন্য। যেমন— ‘ধবল দুধের স্বরগ্রাম’, ‘বিনিদ্র কালের ভেলা’, ‘হেমন্তের সোনালতা’, ‘শ্যামল যাযাবর’, ‘কংকালে অলঙ্কার দিয়ো’, ‘মানবহাড়ের হিম ও বিদ্যুৎ’, ‘চরবিনাশকাল’, ‘কুয়ো থেকে বেরিয়ে’, ‘ছায়াপ্রধান অঘ্রান’, ‘জলরাক্ষস’, ‘খরাদাহ’, ‘একাত্তরের হৃদয়ভস্ম’ ইত্যাদি।

আবুবকর সিদ্দিক বহুপ্রজ নন, বিরলপ্রজ। যা লিখেছেন, তাই এপিক। কী কবিতা, কী কথাসাহিত্য! তা না হলে, যখন আবুবকর সিদ্দিকের কোনো বই-ই প্রকাশ হয়নি, সেই তখন ষাটের দশকে তিরিশের পঞ্চপাণ্ডব খ্যাত কবি বিষ্ণু দে তাঁকে কেন বই উৎসর্গ করবেন? বাংলা সাহিত্যের অনন্য শীর্ষ কবি বিষ্ণু দে তাঁর সংবাদ মূলত কাব্য কবিতাগ্রন্থটি আবুবকর সিদ্দিককে উৎসর্গ করলেন, সঙ্গে শামসুর রাহমান। আমাদের কাব্যযাত্রার এ এক দুর্লভ ইতিহাস। বাংলাদেশের অন্যতম যশস্বী কবি নির্মলেন্দু গুণ আবু বকর সিদ্দিকের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় বলেছিলেন, “কবি আবুবকর সিদ্দিক সম্পর্কে এখানে আমি কিইবা বলতে পারি। যাঁকে বিষ্ণু দে বই উৎসর্গ করেন, তাঁকে নিয়ে বলার কিছু নেই।” অথচ আমাদের দুর্ভাগ্য জাতি হিসেবে আমরা আমাদের প্রকৃত গুণীদের মূল্যায়ন করতে জানি না। এ কথা সত্য যে, জাতি হিসেবে আমরা বিস্মৃতিপ্রবণ, অকৃতজ্ঞ এবং আত্মঘাতী। সেই মানুষই কেবল অন্যের গুণপনাকে মুক্ত মনে স্বীকার করতে পারেন, যিনি নিজে একাধিক বিষয়ে গুণময়। দুঃখদায়ক সত্য এই, আমাদের চারপাশে এমন মানুষের বড়ো আকাল। এই চাটুকারতাড়িত সমাজে এটুকুই আশার কথা যে, মিডিয়া কবি আবুবকর সিদ্দিককে নিয়ে ব্যবসা করতে চায়নি কিংবা পারেনি।

কবিতা ও গদ্য— এই দু-ধারী কলমের শক্তিকে ভয় মেনে আবুবকর সিদ্দিককে দূরে রেখেছেন আমাদের পাঠক-সমালোচক-লেখক, সবাই। এমনকি ঘনিষ্ঠ ছাত্ররাও তাঁর কাছ থেকে মধু আহরণ শেষে নিঃশব্দে কেটে পড়েছেন আড়ালে। তারা জেনে গেছেন, এই প্রত্যয়দীপ্ত ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে অমূলক, অনির্ণিত, অশোভন কিছু পাওয়া যাবে না, যা তাদের ওপরে ওঠার সিঁড়ি তৈরি করে দিতে পারে। অতএব তারা চাটুকারতাড়িত সমাজের মাথায় ঘি ঢালতে প্রস্তুত হয়ে গেলেন। কবিরা তাঁকে এড়িয়ে গেছেন তাঁর কবিত্বশক্তির কারণে, গদ্যকাররা কাছে টেনে নেননি তাঁর কথাসাহিত্যের ভাষারীতি ও অমিয় তেজের কারণে। কবিতার ক্ষেত্রে যেমন—‘ধবল দুধের স্বরগ্রাম’, ‘হে লোকসভ্যতা’, ‘মানুষ তোমার বিক্ষত দিন’, ‘হেমন্তের সোনালতা’, ‘মানবহাড়ের হিম ও বিদ্যুৎ’, ‘কংকালে অলঙ্কার দিয়ো’ কাব্যগ্রন্থের কথা বলা যায়, তেমনি কথাসাহিত্যে ‘চরবিনাশকাল’, ‘মরে বাঁচার স্বাধীনতা’, ‘কুয়ো থেকে বেরিয়ে’, ‘কালোকুম্ভীর’, ‘খরাদাহ’, ‘জলরাক্ষস’ কিংবা ‘একাত্তরের হৃদয়ভস্ম’ ইত্যাদির নাম করতে হয়।

নিজ দেশে সেভাবে সমাদৃত না হলেও আবুবকর সিদ্দিকের মেধার স্ফূরণকে স্বীকার করেছে পশ্চিমবঙ্গ। সেই ষাটের দশকে যেমন বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কবি বিষ্ণু দে তাঁকে কাব্য উৎসর্গ করেছেন; আবার শক্তিমান কথাকার সরোজ বন্দোপাধ্যায় চিঠিতে আবুবকর সিদ্দিককে তাঁর ‘খরাদাহ’ উপন্যাস পড়ে জানান, “টোপোগ্রাফির উপর আপনার দখল অনন্যসাধারণ। তবে তার থেকেও আপনার বড়ো ব্যাপার মানবিক বাস্তবতা সম্বন্ধে অভ্রান্ত জ্ঞান। সোনার দ’ত কলম হোক—এ শুভেচ্ছা আপনাকে জানাবো না। শুধু বলবো—আপনার লোহার দ’ত কলম অটুট থাকুক।” অন্য একজন লেখক কর্তৃক এভাবে সম্মনিত হওয়া একজন লেখকের জন্য এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!

তবে এদেশে আবুবকর সিদ্দিকের উইটকে ঠিকই ধরেছিলেন সিকান্দার আবু জাফর, হাসান হাফিজুর রহমান, শওকত ওসমান, শওকত আলী প্রমুখজন। সিকান্দার আবু জাফর সেই পাঁচের দশকে সম্পাদনা করতেন সাহিত্য পত্রিকা ‘সমকাল’। পরবর্তীতে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। এই ‘সমকাল’ নামে সিকান্দার আবু জাফরের একটি প্রকাশনাও ছিল। তিনি বহুবার আবুবকর সিদ্দিককে কবিতার পাণ্ডুলিপি দেবার কথা বলেছিলেন, তাঁর ‘সমকাল’ প্রকাশনী থেকে বের করবেন। কিন্তু পালিয়ে গেছেন আবুবকর সিদ্দিক। কবিতার বই, দুঃসাহস! আর আজ আমরা দু-কলম না লিখতেই অস্থির হয়ে উঠি বই প্রকাশে, কবি সাজতে! ১৯৫৭ সনে দুরু দুরু বক্ষে আবুবকর সিদ্দিক দুখানি কবিতা ‘সমকাল’ দপ্তরে হাসান হাফিজুর রহমানের হাতে দিয়ে আসেন। রাশভারী হাসান ফিরেও তাকাননি কবির দিকে। অথচ পরের সপ্তাহে প্রকাশ পেল সমকালে তাঁর দুটি কবিতাই। এই হাসান হাফিজুর রহমানই গদ্য লিখতে উৎসাহ দিয়েছেন আবুবকর সিদ্দিককে। কবিতার পাশাপাশি আমরা পেয়েছি একজন অদ্বিতীয় কথাকার আবুবকর সিদ্দিককে।

তাঁর ‘জলরাক্ষস’ উপন্যাস সম্পর্কে প্রথিতযশা সাহিত্যিক শওকত ওসমান লিখেছেন, “আবুবকর সিদ্দিক যে অমিত তেজ এবং সাহসের সঙ্গে বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন-ধারার আলেখ্য তুলে ধরেছেন, তা মনে রাখার মতো ঘটনা।” আর কলকাতা থেকে সাহিত্যিক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এ উপন্যাস প্রসঙ্গে শওকত ওসমানের উক্ত কথার প্রসঙ্গ টেনে আবুবকর সিদ্দিককে লেখেন, “তার সঙ্গে আমি আর একটি কথা যোগ করতে চাই। তেজ ও সাহসের সঙ্গে আছে অন্তহীন প্রেম। উপদ্রুত, অবহেলিত, ধূসর মানুষগুলি আপনার ভালোবাসার আতপ্ত স্পর্শে পঙ্ক-শয্যা থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে নতুন অস্তিত্বের সন্ধানে। সার্থক হোক, ফলবান হোক, অনাগত জীবনের সর্বতোভদ্র বার্তা বহন করে আনুক আপনার লেখা।”

জীবনব্যাপী তিনি দেখেছেন, ঘুরেছেন। শৈশব কেটেছে তাঁর বাবার চাকরিসূত্রে পশ্চিমবাংলার হুগলি ও বর্ধমানে। তাঁর এই রাজনীতি, সমাজনীতির দিকদর্শন ও সাংস্কৃতিক ভিত তৈরি হয়ে গিয়েছিল ওখানেই। সাতচল্লিশের দেশভাগের পরে ১৩/১৪ বছরের কিশোর আবুবকর সিদ্দিক ফিরে এলেন তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশে। শুরু হলো তাঁর নতুন যাত্রা। আবুবকর সিদ্দিকের ভাষায় বলি, “এই বিপুল বৈভব ভরা অফুরন্ত পুঁজি, অন্য আর কী সম্ভব হতে পারত আমার পক্ষে লেখক না হয়ে উঠে? ...সারা জীবন ঘুরেছি, দেখেছি, পড়েছি আর মনের মধ্যে পাহাড় জমিয়ে তুলেছি। আমার ভবিতব্য ছিলো লেখক হওয়া। যে সংবেদী সাহিত্যবীজ পশ্চিমবঙ্গ থেকে ধরে এনেছিলাম, দেশে এসে তাই উদ্গত হয়ে উঠতে থাকে।”

বাংলা সাহিত্যের এমন একজন মহীরুহের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আশৈশব। বাগেরহাট প্রফুল্লচন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে (বর্তমানে সরকারি) আমার পিতার সহকর্মী ছিলেন। আমার পিতা মুহম্মদ গোলাম রসূল ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক, আবুবকর সিদ্দিক বাংলার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচের দশকে তাঁদের সাক্ষাৎ। সেই থেকে শুরু—দিনে দিনে সেই সম্পর্ক রূপ নিয়েছে অমলিন বন্ধুত্বের। পরবর্তীতে তাঁদের সেই সম্পর্ক সূত্র বয়ে নিয়ে চলেছি আমি। আজ দুই বন্ধুই অনন্তলোকে। জানি ও মানি, এই সম্পর্কের এখানেই শেষ নয়, জানি না কোথায় তার পরিণতি! আমার জন্যে হয়তো এও এক অন্যরকম অনন্তযাত্রা, অনাদিকালের...।

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
৯ মাস ঘরছাড়া ২০০ পরিবার: এসপির ব্যাখ্যা চাইলো মানবাধিকার কমিশন
৯ মাস ঘরছাড়া ২০০ পরিবার: এসপির ব্যাখ্যা চাইলো মানবাধিকার কমিশন
লেট’স ভাইব ফেস্টিভ্যাল: ১২ হাজার দর্শক ও অন্যান্য
লেট’স ভাইব ফেস্টিভ্যাল: ১২ হাজার দর্শক ও অন্যান্য
বিমানবন্দরে বাস ঢুকে ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু: চালকের দোষ স্বীকার
বিমানবন্দরে বাস ঢুকে ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু: চালকের দোষ স্বীকার
তিস্তাসহ ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা দাবিতে বাসদের তিন দিনের রোডমার্চ
তিস্তাসহ ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা দাবিতে বাসদের তিন দিনের রোডমার্চ
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট, হিন্দু মহাজোট ‘নেতা’ পুলিশ হেফাজতে
ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট, হিন্দু মহাজোট ‘নেতা’ পুলিশ হেফাজতে
জানা গেলো বেইলি রোডে আগুনের ‘আসল কারণ’
জানা গেলো বেইলি রোডে আগুনের ‘আসল কারণ’
চট্টগ্রামে ভূমিকম্প, মাত্রা ৩ দশমিক ৭
চট্টগ্রামে ভূমিকম্প, মাত্রা ৩ দশমিক ৭
কেএনএফের গুলিতে সেনাসদস্য নিহত, কেঁদে কেঁদে স্ত্রী বললেন আমার ৩ সন্তানকে কে দেখবে?
কেএনএফের গুলিতে সেনাসদস্য নিহত, কেঁদে কেঁদে স্ত্রী বললেন আমার ৩ সন্তানকে কে দেখবে?
আজকের আবহাওয়া: ৩ বিভাগে বৃষ্টির আভাস
আজকের আবহাওয়া: ৩ বিভাগে বৃষ্টির আভাস