‘সেলিব্রেটি অন্ধকারের রোশনাই’-এর পাণ্ডুলিপি থেকে

Send
সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৪:০৯, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৫৫, ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২০

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে রুমা মোদকের ৫ম গল্পগ্রন্থ ‘সেলিব্রেটি অন্ধকারের রোশনাই’। বইটি প্রকাশ করেছে সময় প্রকাশনী। প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্রুব এষ। বইটিতে মোট ১০টি গল্প রয়েছে। বইটির পাণ্ডুলিপি থেকে একটি গল্প বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।

থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার

শেষ অংকটা আজ শেষ হবার সাথে সাথে আমার নিশ্চিতভাবে থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বারে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটিও সমাপ্ত হয়। হবার সুষ্পষ্ট লক্ষন দগদগে ঘা হয়ে প্রকাশিত হওয়ার জন্য চামড়ার নিচে অপবাদের রক্ত, পুঁজ নিয়ে অপেক্ষা করছিলো অনেকদিন থেকেই। অনিবার্যভাবেই আমার জীবনের পরিণতি এগুচ্ছিলো থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার হওয়ার দিকে। এর কিছু দায় আমার যদিও, রহস্যময় নিয়তিকেও আমার কম সন্দেহ হয় না। যেনো প্রতি পদে  ছক কেটে রেখে এক অন্ধ বুড়োর মতো আমাকে টেনে নিয়ে গেছে এই শেষ অংকের দিকে।

কিন্তু মানুষ তো আশায় বাঁচে। আশায় বেঁচে থাকার অস্পষ্ট ফাঁক ফোঁকর গলে তবুও কিছু সম্ভাবনা টিকে ছিলো। প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া ঘটনাসমূহের স্তুপীকৃত স্মৃতির তলে চাপা পড়ার মতো দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়া, আমার নিজের পা দুটোকে সম্বল করে স্বাবলম্বী হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়া কতো কিছুই ছিলো, মলমের মতো নিরসন করে দিতে পারতো আমার দগদগে ঘা হওয়ার সম্ভাবনা। যার জন্য সকল ঘটনা-দুর্ঘটনায় উপশমের আশার প্রলেপ বুলিয়ে আমি অপেক্ষা করেছিলাম, অপেক্ষা করেছিলাম আজ এই শেষ অংক পর্যন্ত।

হ্যাঁ আশা ছাড়িনি। বাবা, মা এমনকি আমিও। লাজ-শরমের মাথা খেয়ে এর ওর ঠাট্টার উত্তরে বলেছি, পাত্র দেখেন-না আমার  জন্য। তারাও পবিত্র দায়িত্ব ভেবে যোগ্যতার পরিমাপ দাঁড়িপাল্লায় না মেপে কত শত পাত্র-প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয়েছে। কিন্তু ব্যাটে বলে কিছুতেই জিতে যাওয়ার স্কোর হয়নি। এদিকে দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে মেঘে মেঘে অনেক বেলা গড়িয়ে গেলো। মেজো-সেজো-ছোট এদের কারোরই অবশ্য আর মাথাব্যথা ছিলো না। 

ডুবে যায় আশার তরী সব একে একে।

আমি টেবিলে ইলিশ সর্ষে, খাসির মাংস আর মুরগির রোস্ট সাজাতে সাজাতে জানালার গ্রিলে আদুরে গাল লাগিয়ে বসে থাকা পেয়ারা গাছের ডালে বসা শালিকটাকে দেখছিলাম। তার সঙ্গীটি কই? আমি এদিক-সেদিক খুঁজি। কোথাও তো আছে নিশ্চয়ই। আমি দৃষ্টির সীমা বাড়াই, পাশের বাসার ছাদ থেকে লাগোয়া আমের ডাল। কোথায় গেলো জোড়ার অন্যটা? তখনই দরজার কলিংবেল বাজে। আমি ভেতরে ঢুকে যাই। একাই শাড়ির কুঁচি ঠিক করে মুখে কমপেক্ট বুলাই। খুব দরকার নেই। ম্যাসেঞ্জারে মাসখানেক চ্যাটিং করে আমি টের পেয়েছিলাম এই লোকটির আমাকে ছাড়া কোন গতি নেই। আমি নিশ্চিত ছিলাম এ-যাত্রা আর ভেস্তে যেতে পারে না। আমাকে তার যতটা দরকার, তারচেয়ে বেশি দরকার মাস শেষে আমার টাকাগুলো। অফিস শেষে ক্লান্ত ঘর্মাক্ত হয়ে দুদিন বসুন্ধরার ফুড কোর্টেও বসেছি। তার চোখে ছিল কৃত্রিম মুগ্ধতা। আমি যে সেই মুগ্ধতার আসল উদ্দেশ্যটা অনুবাদ করতে পারছিলাম। তাকে তা বুঝতে দিচ্ছিলাম না। আমি যে বুঝতে পারছিলাম হয়তো সেও বুঝতে পেরেছিল, আমাকে বুঝতে দিচ্ছিল না।

আমি নিশ্চিত ছিলাম সে ফিরবে না। এই যাদুর শহরে একার চাকরিতে বাবা-মা দুই বোন সমেত সংসারটা টেনে নেয়া তার জন্য কঠিন ছিল। আমার চাকরিটা তার লক্ষ্য। আর আমার, তবু যদি শেষ পর্যন্ত বাবা মাকে একটু স্বস্তি দিতে পারি। গলার কাঁটা হয়ে আটকে আছি যে। আত্মীয়-পরিজন পাড়া-পড়শীর বাঁকা দৃষ্টি আর ত্যাড়া কথার তোড় সেই কাঁটা তলিয়ে দিতে পারে না। বরং যন্ত্রণায় বিক্ষত করতেই থাকে, করতেই থাকে...।

সব ঠিকঠাক। ব্যাটারা চিনিগুড়া চালের পোলাও আর খাসির রেজালার পর দইয়ের প্লেটও চেটেপুটে খায়। খুব ভালো দই, কোন দোকানের বিয়াই, বলে খালি প্লেট খানা এগিয়ে দেয় আরও একবার নেয়ার জন্য। এই বেয়াই ডাক, আন্তরিক কথোপকথন, সবকিছুই ঘটনাটা ঘটার পক্ষেই ছিলো।        

শুধু খটকা হয়ে বসেছিলো ঐ শালিকটা।

কোন কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া হবে এটুকু পর্যন্ত ঠিক করে ব্যাটা কিনা রাতে আমাকে সেই পুরানো পত্রিকার কাটিং ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়ে ব্লক করে দিলো!

আমার শেষ আশাটাও শেষ হয়ে গেলো। আঙুলের কর গুনে দেখি বয়স পয়ত্রিশ পুরলো।

বন্ধুর পথযাত্রার ক্লেশ

টু ফর জয় অ্যান্ড ওয়ান ফর সরো। স্কুলের বারান্দায় সহপাঠীদের লাফালাফি সেই ফ্রকপরা শৈশবে আমাকে জোড়া শালিক খুঁজতে শিখিয়েছে. আমি বৈশাখের খর রোদে কদমতলার মাঠে একটা শালিক দেখে ইতি-উতি আরেকটা শালিক খুঁজি। খুব কাছেই দেখি ঘাপটি মেরে আছে অন্যটি। ঝুম বৃষ্টিতে টিনের চালে ভিজছে একটি শালিক, অন্যটি খোঁজে আমার ব্যস্ত চোখ, ঐ যে কদম গাছের গোড়ায়। পরীক্ষার হলে যেতে, দোকানে ঈদের জামা কিনতে গেলে, নিজামের সাথে কলেজের পেছনে প্রেম করতে গেলে আমি শুধু টু ফর জয় খুঁজতাম।

সত্যি, যেদিন কলেজের গেটে একটা শালিক দেখেছিলাম, সেদিন আমাকে উৎ পেতে থাকা বখাটেদের দল টেনে হিড়হিড় করে কামিজ অন্তর্বাস সব ছিঁড়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছিল। ভাগ্যিস তারা উপগত হবার সময়টুকু পায়নি। কী করে হঠাৎ অবতারের মতো পুলিশ এসে আমাকে আর নিজামকে উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছিল! সন্ধ্যায় বাবা মুচলেকা দিয়ে আমাকে ছুটিয়ে এনেছিলেন। নিজাম জেল খেটেছিল কয়েকদিন।

আমি জেল খাটিনি বটে, তবে যে জীবনে পতিত হয়েছিলাম তা আসামি-পুলিশ বেষ্টিত জেলাখানার চেয়ে নির্মম, রূঢ়।

পরদিন সবকটা খবরের কাগজে ঢালাওভাবে আমার নাম আর ছবি ছাপা হয়েছিল আর আমি প্রায় ছয়মাস গৃহবন্দি ছিলাম। আমার জীবন থেকে ছয়টা মাস বিয়োগ হয়েই যদি ঘটনাটা ক্ষান্ত হতো, জীবনভর তার মাশুল টানতে হতো না। কিন্তু তারপর প্রতিদিন প্রতিমূহুর্ত সেই একটি বিকেলের জন্য কতো উৎসুক দৃষ্টি, বিদ্রুপের আঙুল, বিরূপ আলোচনার কাঁটাতার পাড়ি দিতে গিয়ে ক্ষত-বিক্ষত হয়েই গেছি ক্রমাগত।              

আবার টু ফর জয় দেখে যেদিন ভাইবা রুমে ঢুকেছিলাম সেই ইন্টারভিউতে আমার চাকরি হয়েছিলো। ভেবেছিলাম, পিছু ছাড়লো বুঝি আমার অকল্যাণ। আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার সে মূহুর্তে ভাবলাম, বুঝি আবার স্বাভাবিকত্বে ফিরবে আমার দিন। কিন্তু না। ঐ একবারই। তারপরই, ওয়ান ফর সরো আমার জীবনে স্থায়ী হয়ে যায়।

সেই বিকেলে আর সংশ্লিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষিতে নিজামের সাথে আমার ব্রেক আপ হবার পর আমি আমার প্রেমের দোহাই, আমার শরীরের দোহাই কত চেষ্টা যে করেছি পুনর্বার যোগাযোগের! কলেজের মাঠে-ঘাটে যখন কাকপক্ষী থাকত না, নিজাম তার হাত ঢুকিয়ে দিত জামার গলা ভেদ করে, সেই শরীরের দোহাই দিয়ে কতবার ওকে কল করে কতভাবে ওর সাথে দেখা করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। ওকে ফোন করতে করতে ক্লান্ত আমি ভাবতাম, এবার দেখা হলে ও যদি আরেকবার হোটেলে যেতে বলে আমি ঠিক রাজি হয়ে যাবো। কিন্তু নিজাম আর ফোন ধরেনি। কদিন পর শুনেছি নতুন বান্ধবী পলিকে নিয়ে ঘুরছে নিজাম। একদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে দেখি ভর সন্ধ্যায় কলেজ গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকছে দুজন।

মোহনার বেদনা জানে না উৎস...

শুনেছি আমার জন্মটা খুব কাঙ্ক্ষিত ছিল। বাবা-মায়ের বিয়ের সাত বছর পর জন্ম আমার। কত কবজ-তাবিজ, মানত-পীর, পানিপড়া, তেলপড়া! কোনটাকে অব্যর্থ করে যে আমার জন্ম ঠিকঠাক কেউ জানে না। আমি জন্মেছি বাবা-মায়ের অপেক্ষা সার্থক করে, তাদের চোখের মণি হয়ে। কী ঘটা করে ঘরে ঘরে মিষ্টি বিলানো, সোনার হার, দামি ফ্রক! কিন্তু তারপর পরপর আরও চারটা মেয়ে হলে আমার অপাংক্তেয় হবার বেদনার শুরু। জন্মের সময় আমি নানার অনার্য রং নিয়ে জন্মেছিলাম। প্রথম সন্তানের জন্ম-মুহূর্তে এই গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি কেউ তোলারই সাহস করেনি। কিন্তু যতই সময় যায়, অন্য বোনদের ঢলঢলে লাবণ্য উছলে উঠতে থাকে সবার সামনে, ধীরে ধীরে আমার গাত্রবর্ণের অযোগ্যতাও প্রকট হতে থাকে সমাজ সংসারে।

বোনাগুলো বড় হয়, তাদের গায়ে যৌবনের রঙ ফুটে উঠে, আর আমার ক্লাসে ভালো ফল করা নিচে পড়তে থাকে। এতগুলো মেয়ে নিয়ে কী করবেন ভাবি, মানুষের ভয়াবহ দুশ্চিন্তা আমার পরের তিনজনের আকর্ষণীয় রূপে লোভনীয় পাত্রের প্রস্তাব নিয়ে ঘুরে বেড়াতো। বাবা-মা প্রথম প্রথম বিষয়টি নিজেদের অপত্য স্নেহে খুব গায়ে না মাখলেও পরিস্থিতির ক্রমাগত চাপে তারাও মুক্তির পথ খুঁজতে থাকেন। আর না পেয়ে অপরাধের দায় আমার ওপরই চাপাতে থাকে। বড় মেয়ে রেখে বাকিদের দেবেন না পণ আমার বয়স পঁচিশ পার না হতেই ভেঙে পড়ে। মেজোর জন্য দু-চারটে ব্যাংকার আর সেজোর জন্য ব্যবসায়ী পাত্র ফিরিয়ে দেন। কিন্তু আমেরিকান পিএইচডি হোল্ডার পাত্র মা হাতছাড়া করেন না। মেজোর বিয়ের দিন আমি ছুটি নেই না। সারাদিন অফিস করি। অফিসের স্টাফদের দাওয়াত দেই না। মা বাবা তখনও সম্ভ্রমে আমাকে এড়িয়ে যান। ঘাঁটতে যান না। অফিস থেকে ফিরে নিজের কক্ষে ঢুকে পড়ি। মা বটলুর মাকে দিয়ে চা-বিস্কুট পাঠিয়ে দেন। সকালে অফিস যাবার আগে ঘরভর্তি মেহমান রেখে আমার জন্য রুটি আলুভাজি সেমাই পাঠিয়ে দেন। মার চোখে তখনও অপরাধবোধ ঝুলে থাকতো আর বাবা আমাকে সিএনজি ডেকে দিতে দিতে অসহায়ত্ব ঢেকে রাখতেন।

সেজো প্রেম করে ব্যবসায়ী ক্লাসমেটকে বিয়ে করার জন্য গো ধরলে আমি নির্ঘুম রাতে শুনতে পাই মা-বাবার ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছেন, বড়টার জন্য কী আমি বাকিগুলোরে বুড়া বানাবো।

সকালে নাস্তা খেতে খেতে আমি ভেবেছি মা বোধহয় আমাকে জিজ্ঞেস করার ফর্মালিটিটুকু দেখাবেন। মার নীরবতায় আমি মোটামুটি এটা ভেবে নিয়ে অফিস যাই, মা বোধহয় বাবাকে মানাতে পারেননি। কিন্তু সন্ধ্যায় ফিরে সদর দরজার সামনে স্তুপীকৃত জুতো দেখে আমি পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকি।

সবশেষে বছর না-ঘুরতেই ছোটটা পাশের ফ্ল্যাটে নতুন আসা ভাড়াটের বেকার ছেলেটাকে নিয়ে রেজিস্ট্রি করে বাসায় ফিরলো। ছেলের বাপ রিটায়ার্ড পুলিশ অফিসার, ছেলের মায়ের কী চোটপাট! কিছুতেই বউ ঘরে তুলবেন না। আশেপাশের ফ্ল্যাটের অন্য সবাই শোনার আগে আমার মা এগিয়ে গেলেন তড়িঘড়ি। অংকিতাকে যেদিন আমার শোয়ার ঘরটা আমার অজস্র অশ্রুসমেত বালিশ, পাশ ফিরে ছটফট করা সহস্র মূহুর্ত আর টেবিলে তারাপদ, আবুল হাসানের কবিতাসমগ্রসহ ছেড়ে দিয়ে এলাম আর মুখে ফুটিয়ে রাখলাম নির্বিকার আনন্দ, যেনো কিছুই হয়নি, সেদিন আমার সত্যিকার অর্থে মনে হলো আমি তৃতীয় জন। অপর জন। অনাকাঙ্ক্ষিত, অযাচিত জন। থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার।   

মা আমার দিকে ভালো করে তাকাতে ভুলে গেলেন কিংবা তাকালেন না কিংবা তাকাতে হবে টেরই পেলেন না। ফ্রিজে কিমা করা আছে, তাড়াতাড়ি চপ করে ফেল। চায়ে দুধ ঘন করে দিস, কড়া লিকার দিস। ওয়ারড্রব থেকে গোলাপি চাদরটা খুলে দে। মায়ের মুখে আনন্দ ঝিলিক মারে। পাড়া-প্রতিবেশিদের খোঁচানো প্রশ্নের সামনে বিব্রত মুখ নিয়ে বসে থাকতে হবে না। বাপের বাড়িতে বুক ফুলিয়ে বসে মামীদের সাথে পান খাবেন। মায়ের তাড়াহুড়ায় বড়ো স্বস্তি বড়ো তৃপ্তি৷ এই স্বস্তি আর তৃপ্তির ফাঁক গলে আমি মায়ের প্রথম সন্তান কখন যে অবাঞ্চিত হয়ে উঠেছি মা বুঝতে পারেন না, কিন্তু আমি ভেতরে ভেতরে ক্ষয়ে যাই। অসংখ্য ক্ষয়তো ছিলোই আমার—ভেতরে মৌমাছির চাকের গর্তগুলোর মতো। শুধু না হয় যুক্ত হওয়া সংখ্যা বাড়বে! কে গুণতে বসবে? মৌমাছির চাক ভেঙে মধু সংগ্রহের সময় কেউ ক্ষত খোঁজে? 

//জেডএস//

লাইভ

টপ