প্রকাশনা ব্যবসায় শিল্প ও ব্যবসার সংমিশ্রণ ঘটানো বাধ্যতামূলক : মারুফ হোসেন

Send
সাক্ষাৎকার গ্রহণ : শিমুল জাবালি
প্রকাশিত : ১৭:২৭, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৩০, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০

মারুফ হোসেন কলকাতার অভিযান পাবলিশার্সের কর্ণধার। অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। দুই দেশের প্রকাশনা ব্যবসার পার্থক্য এবং সাহিত্য-ভাবনা নিয়ে মারুফ হোসেন কথা বলেছেন বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে...

আপনি আগে কবিতা-গল্প লিখতেন, কাব্যগ্রন্থও আছে। তাহলে লেখা ছেড়ে প্রকাশক হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হলেন কেন?

একটা কথা আছে পশ্চিমবঙ্গে, ‘ব্যর্থ লেখকরা হয় সম্পাদক, নয় প্রকাশক হয়’। সেটা কিছুটা সত্যিও বটে। কারণ আমার শুরুটা হয়েছিল কবিতা লেখা দিয়ে। যেমনটা প্রায় সব বাঙালির শুরু হয়। তারপর গল্প লিখতাম। এই করতে করতে বুঝলাম যে, আমি খুব একটা ভাল লিখতে পারি না। একটা self-assessment করলাম—কী করলে আমি সাহিত্য জগতের সঙ্গে থাকতে পারবো। দেখলাম যে, একমাত্র প্রকাশক হলেই এই জগতে থাকতে পারবো, এই মানুষদের সঙ্গে থাকতে পারবো, এই লেখালেখির সঙ্গে থাকতে পারবো, সেজন্যই আমার প্রকাশক হওয়া।

 

শিল্প অথবা ব্যবসা, এ দুটোর মধ্যে ‘অভিযান’ কোনটাকে গুরুত্ব দেয়?

শিল্পসম্মত ব্যবসা। মানে শিল্প এবং ব্যবসা দুটোর একটা ব্যালেন্স করতে হবে। প্রকাশনা শুধু ব্যবসা হতে পারে না, প্রকাশনা শুধু শিল্পও হতে পারে না। শিল্প এবং ব্যবসা দুটো একসঙ্গে থাকতে হবে। আমি মনে করি, প্রকাশনা ব্যবসায় শিল্প ও ব্যবসার সংমিশ্রণ ঘটানো বাধ্যতামূলক। অভিযানে আমাদের প্রথমদিন থেকে ভাবনা ছিলো যেভাবেই হোক এ-দুটোকে ব্যালান্স করে চলবো। আমাদের বই যদি কখনো দেখেন, দেখবেন আমরা নানা ধরণের বই প্রকাশ করি, একজন বাঙালি পাঠক বা বাংলার পাঠকেরা যে যে ধরনের বই পড়তে পছন্দ করে আমরা সেই সেই ধরনের বই ছাপি। দেখবেন অনেক অনেক প্রকাশক আছেন যারা হয়ত শুধু মননশীল বই প্রকাশ করেন। আবার অনেক প্রকাশনা আছে তারা শুধু পপুলার ধারার বই করেন, কেউ শুধু কবিতা ছাপে, কেউ শুধুই থ্রিলার। আমরা এইটা ভেঙে ফেলতে চেয়েছি, আমরা চেয়েছি, যে ভালো বই পাঠক চাইছেন, আমরা সেটাই তার জন্য ছাপবো। আমরা বই ছাপতে চাই। বই মানেই ভালো, বই মানেই শুভ।

 

তাহলে বইয়ের গুনগত মানকে কীভাবে বিচার করেন? এটার জন্য সম্পাদনা পরিষদ আছে, নাকি লেখক-পাঠকের পছন্দটাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন...

আমাদের এডিটরিয়াল টিম আছে, যত বড় লেখকই হোন না কেন, প্রত্যেকটা লেখা আমাদের এডিটরিয়াল টিমের কাছে যায়, একদম নবাগত লেখক থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের লেখক পর্যন্ত। অর্থাৎ সিনিয়র, মোস্ট সিনিয়র যত লেখক আছেন সবার লেখা আমাদের এডিটরিয়াল টিমের কাছে যায়। তারপর সেই লেখা বিষয়ে যদি সম্পাদকমণ্ডলীর কোনোরকম মতামত থাকে, সেই মতামত তারা লেখকের সঙ্গে আলোচনা করেন। তারপর আমরা পরবর্তীতে ছাপার জায়গাটায় যাই।

 

এই জায়গাটাতে কোনো কম্প্রোমাইজ করার সুযোগ আছে?

না নেই। আমাদের প্রকাশনার বয়স যখন তিন বছর, তখন দেবেশ রায় একটা পাণ্ডুলিপি দেন। সচরাচর দেবেশ রায়ের মতো একজন লেখক পাণ্ডুলিপি দিলে যেটা হয়, লেখাটা সরাসরি ছাপাতে চলে যায়। কিন্তু আমাদের এডিটরিয়াল টিমের কাছে সেটা পাঠানো হয়। এডিটরিয়াল টিম দেখে যে এখানে দু’ধরনের লেখা আছে, যেটা একটা বই না হয়ে বরং দুটো আলাদা বই হওয়া উচিত, সেই প্রবন্ধগুলো নিয়ে। তো আমরা এরপর দেবেশ রায়ের সঙ্গে দেখা করি এবং আমাদের সমস্ত ব্যাপার তাকে বুঝিয়ে বলি। তিনি ফাইল রেখে যেতে বলেন। পরে অনেক খুশি হয়ে তিনি আমাদের জানান, ‘এটা আসলে আমারই ভুল। দুটো বইয়ের পাণ্ডুলিপি একটা খামের মধ্যে ঢুকে গেছে। আপনারা ছাড়া অন্য কেউ হলে হয়তো ছেপে ফেলত, আপনারা যে কাজটা করেছন, সেটা আসলেই প্রশংসার কাজ’। এরপর থেকে আমাদের এই সাহস আরও বেড়ে গেছে। আমাদের সঙ্গে কাজ করতে এলে আমরা প্রতিটি পাণ্ডুলিপি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ি।

 

এ পর্যন্ত ‘অভিযান’ কতগুলো বই প্রকাশ করেছে?

এই মুহূর্তে অভিযানের বয়স ১৫ বছর। ১৫ বছরে আমরা নয়শোর কাছাকাছি বই প্রকাশ করেছি।

 

এবার একটু প্রকাশনার বাইরের আলাপে যাই, কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গে বাংলা পড়ার আগ্রহ কেমন? আমার এক ভাই কলকাতা মেলা থেকে ঘুরে এসে জানালেন, কলকাতার বইমেলার প্রচুর মানুষ আসছে-যাচ্ছে কিন্তু তরুণদের উপস্থিতি কম।

আমি এটার সঙ্গে একমত নই। অভিযান পাবলিশার্সের যারা পাঠক তার ৭০ ভাগ পাঠক হচ্ছে তরুণ, মানে যাদের বয়স ৩৫-৪০ বছরের কম। এবং কলকাতা বইমেলায় যতগুলো বই বিক্রি হয়েছে তার বেশিরভাগই তরুণ পাঠকরা কিনেছে।

 

অর্থাৎ তরুণরা বাংলা বই পড়েন...

তরুণরা শুধু বাংলা বই পড়েন না, প্রচুর পরিমাণে বাংলা বই পড়েন। আসলে আমরা প্রকাশকেরা তরুণদের পাঠ অভ্যাসের দিকে তাকাই না। আমরা জোর করে পাঠকদের উপরে আমাদের পছন্দ চাপিয়ে দিতে চাই। অভিযান পাবলিশার্স গুরুত্বের সঙ্গে তরুণ পাঠকদের পাঠাভ্যাসের দিকটা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করে। তরুণরা কী বই পড়তে চাচ্ছেন, সেটা প্রকাশকদের জানা দরকার। সেই বই অবশ্যই তাদের জন্য প্রকাশ করতে হবে।

 

এই অনলাইন যুগে এসে কলকাতার লেখকদের সঙ্গে বাংলাদেশের লেখকদের যোগাযোগ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, লেখালেখির আদান-প্রদান হচ্ছে, ছাপানো হচ্ছে আগের চেয়ে বেশি। কিন্তু সেই তুলনায় কলকাতায় নিয়মিত বাংলাদেশি বই পাওয়া যায় না। এই বিষয়ে আপনার মতামত কী?

সেটা একেবারে ঠিক নয়। কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের একটি বড় প্যাভিলিয়ন থাকে। সেই প্যাভিলিয়নে ঢাকা থেকে প্রায় ৬০ জন প্রকাশকের স্টল থাকে। তারা সেই মেলাতে অংশ নেন। বিপুল বই বিক্রি হয় বাংলাদেশী প্রকাশকদের। তাছাড়া ‘বাংলাদেশ বইমেলা’ নামে প্রত্যেক বছরে আলাদা করেও শুধুমাত্র বাংলাদেশী বইয়ের বইমেলা হয় কলকাতায়।

 

বাংলাদেশের বইয়ের ওখানে চাহিদা কেমন বলে আপনি মনে করেন?

চাহিদা বাড়ছে দিন দিন। কিন্তু সে তুলনায় পাঠকের একটু সমস্যা হয়ই। এদিক থেকে ওদিক বা ওদিক থেকে এদিক দুই ক্ষেত্রেই বই আনা-নেওয়ার সমস্যা থাকে। কাগজপত্র, ব্যাংকিং সিস্টেম যদি বই ব্যবসার জন্য বা সংস্কৃতি আদান-প্রদানের জন্য সহজ করা সম্ভব হয় তাহলে দুই বাংলাতেই সাহিত্যের জন্য খুব আনন্দের ব্যাপার হবে এবং প্রসার বিস্তার লাভ করবে। বই ব্যবসা যেহেতু অন্য আর চার-পাঁচটা ব্যবসার মতন শুধুমাত্র ব্যবসা নয়, তাই সরকারের উচিত এই বিষয়টাকে গভীর যত্নের সঙ্গে ভাবা। আমরা আসার সময় বন্ধুদের উপহার দেওয়ার জন্য যদি একটু বেশি বই আনি তাহলে কাস্টমস অকারণ হয়রানি করে। এই কারণে আমরা অনেক সময় আমাদের লেখকদের প্রয়োজনীয় লেখক কপিও বেশি করে আনতে পারি না। দু'দেশের সরকারের উচিত, সংস্কৃতির বিনিময়ের জন্য এই বিষয়গুলিকে আরও সহজ করে তোলা।

 

অভিযান প্রসঙ্গে আসি। আপনার প্রকাশনার তিন-চারটা বই সম্পর্কে শুনতে চাই যেগুলো প্রকাশ করে আপনি সন্তুষ্ট এবং তৃপ্ত...

যেমন, একটি বইয়ের কথা আমি বলতে পারি—‘গো-রাখালের কথকথা’ এই বইটি লিখেছেন আনসারউদ্দিন। এ বইটি আমরা প্রকাশ করি ২০১৫ সালে। আনসারউদ্দিন পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার মানুষ, প্রান্তিক মানুষ, তিনি পেশাগতভাবে একজন কৃষিজীবী। তিনি যখন প্রথম আমাদের কাছে পাণ্ডুলিপি পাঠান তখন আমরা গুরুত্ব দিইনি। আমাদের এডিটরিয়াল বোর্ডের একজন এডিটর অন্য জায়গায় তার একটা লেখা দেখে আমাকে সাজেস্ট করেন বই ছাপাতে। যেহেতু আমাদের একজন এডিটর বলেছেন সেহেতু আমরা প্রিন্টে পাঠিয়ে দিই। কিন্তু বইটি বিক্রি হবে না এরকম ধারণা ছিল। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে, একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি একটা ভূমিকা লিখে দেবেন, তিনি ভূমিকা লিখলে তার অন্তত কয়েকশ কপি বিক্রি হবে। সবমিলিয়ে আমাদের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়, বইটি ছাপা হবে। আমাদের ওখানে সাধারণত প্রত্যেকটা বইয়ের তিনটে প্রুফ দেখা হয়। কিন্তু দুটো প্রুফ দেখার পরও ভূমিকা আমাদের হাতে পৌঁছায় না। উক্ত এডিটর জানান, ‘বইটা ছেপো না কারণ, ঐ ভূমিকাটা পাওয়া যাবে না। যিনি ভূমিকাটা লিখে দিতে চেয়েছিলেন তিনি ভূমিকাটা দেবেন না।

আমি বললাম, ‘লেখককে যখন কথা দেওয়া হয়ে গেছে আমি বইটা ছাপবো, ভূমিকার জন্য তো আমরা তাকে না করতে পারি না। তবে আমরা যেটা করতে পারি—কম ছাপতে পারি কিংবা একটু সামান্য দেরি করতে পারি। কিন্তু আমরা ছাপবো না এটা বলতে পারি না।

আমি ঠিক করলাম থার্ড প্রুফটা আমিই দেখব। দেখে আমরা ফাইনাল ডিসিশনে চলে যাব। তখন থার্ড প্রুফটা দেখার পর আমি এতটাই মোহিত হই যে, নিজেই সম্পাদক এবং লেখক দুজনকে ফোন করে বলি, এই বইটার জন্য কোন ভূমিকা লেখার দরকার নেই। এবং এই বইটা যদি কোনো বাংলা ভাষার প্রকাশক ছাপতে পারেন, সেটা তার জন্য গর্বের। তার অহংকার হবে যে, এমন একটা বই সে ছেপেছে। পরবর্তীতে সেটা ছাপা হয় এবং আমাদের সেই বইয়ের চার পাঁচটা এডিশনও হয়েছে।

আরেকটা বইয়ের কথা বলতে পারি, যেটা আমরা গত বছর ছেপেছি। বইটির নাম ‘মধুময় তামরস’। ‘গো-রাখালের কথকতা’ একটি উপন্যাস এবং ‘মধুময় তামরস’ও একটি উপন্যাস। ‘মধুময় তামরস’-এর লেখক প্রথম আমাদের কাছে এসেছিলেন ব্যাগভর্তি পাণ্ডুলিপি নিয়ে। বেশি করে বাজার করলে যে রকম হয়, সেরকম ব্যাগভর্তি পাণ্ডুলিপি। নাম না-জানা লেখকের এত বড়ো পাণ্ডুলিপি দেখে মনে মনে ভাবি যে, এই বই আর ছাপা হবে না। এডিটর দেখে না করে দেবে। লোকটা কষ্ট করে নিয়ে এসেছে আবার হয়তো কষ্ট করে বাড়ি নিয়ে যাবে। আমাদের একজন সম্পাদক পাণ্ডুলিপি পড়ে বলেন যে, এটি অসাধারণ ভালো। সমীরণ দাসের 'মধুময় তামরস' মাইকেল মধুসূদন-এর পুরো জীবনীগ্রন্থ। প্রায় বারোশো পাতার বই, দুখণ্ডে ছাপা হয় পরে।

 

বাংলাদেশী লেখক যদি আপনার অভিযান থেকে বই প্রকাশ করতে চায় সেটার নিয়ম কী?

আমাদের একটাই উপায়, তা হচ্ছে আমরা প্রত্যেক বছরের এপ্রিল মাস থেকে জুলাই মাস পাণ্ডুলিপি জমা নেই। এবং প্রত্যেক বছর প্রচুর নতুন লেখকের বই প্রকাশ করি। আমরা অনেক লেখকের প্রথম প্রকাশক। আমাদের এ বছর ৮২ টা বই বের হয়েছে। এবারও প্রায় গোটা পনেরোজন লেখকের প্রথম বই প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিবছর অন্তত কুড়িটা বই বের হয়, যে বইয়ের লেখকেরা বাংলাদেশের।

 

অর্থাৎ আপনাদের কাছে পাণ্ডুলিপি পাঠালে সেটা সম্পাদকের টেবিলে যায়। সেখান থেকে গ্রীন সিগ্ন্যাল আসার পর, লেখক কোন দেশের কোথাকার কী নাম, তা আর হিসেবে আসে না...

হ্যাঁ সেরকমই। যেখান থেকেই পাণ্ডুলিপি আসুক, এটাই প্রসেস। আমাদের সব পাণ্ডুলিপি পড়া হয়, সম্পাদকরা সম্মতি দিলেই, লেখকের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাবতীয় কাজ সম্পাদন করি।

 

আপনি প্রায় প্রতিবছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আসেন এবং প্রায় আট থেকে দশদিন থাকেন। আপনার চোখে এ মেলাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

বাংলাদেশের বইমেলার যে আবেগ, সেই আবেগ কিন্তু আমি কলকাতার বইমেলায় দেখতে পাই না। কলকাতা বইমেলা আন্তর্জাতিক বইমেলা, অনেক কর্পোরেট, অনেক গোছানো, সিস্টেমেটিক, সব ঠিক আছে। কিন্তু এ বই মেলার ভিতরে নানা বর্ণের মানুষকে আমি দেখতে পাই। কোনো একটা বিশেষ শ্রেণির মানুষ নয়। দেখা যায় যিনি বই পড়েন না, তিনিও এ মেলায় আসেন। এসে হয়তো একটা দুটো বই কিনে ফেলেন। আবার খুব পড়ুয়া পাঠক, সেও এই মেলায় আসেন। আমাদের কলকাতার বইমেলায় সেটা হয় না। এটা একটা বড় পার্থক্য। তাছাড়া এই বইমেলা তো শুধু একটা বইমেলা নয়, একটা ভাষা, একটা বেঁচে থাকার স্পন্দন।

আবার এই বইমেলাকে কেন্দ্র করে এখানকার মিডিয়া হাউজগুলো যেভাবে কভারেজ করে আমাদের ওখানে সেটা হয় না। দু’একটা নিউজ যায় হয়তো। এরকম তো এখানে ভাবাই যাবে না। এটাই বড় পার্থক্য।

আর এবার এসে তো অবাক! অনেক বড় যায়গা নিয়ে সুন্দর করে গোছানো। যে কারো মন ভালো হয়ে যাবে। বসার যায়গা আছে, আড্ডার যায়গা আছে। এক মাস ধরে মেলা হচ্ছে—যে মেলা পৃথিবীর অন্যতম বড়ো বইমেলা। বাংলা ভাষার পাঠক হিসেবে আমার গর্ব হয়।

//জেডএস//

লাইভ

টপ