ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী হলগুলোতে প্রচলিত ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল এবং ২৪ ঘণ্টা হল খোলা রাখার দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। তারা বলছেন, এই আইন সম্পূর্ণ বৈষম্যমূলক। অবিলম্বে এই আইন বাতিল করে ২৪ ঘণ্টা ছাত্রীদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ছাত্রীদের স্বজনদের হলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনও ছাত্রী হলের অবাধ যাতায়াতের সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করত হবে।
আগামী ৬ আগস্ট সংগৃহীত গণস্বাক্ষর ভিসি বরাবর পেশ করা হবে উল্লেখ করে তারা বলেন, এর আগে মানবন্ধন করা হবে। একই সঙ্গে ছাত্রীদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের জন্য এক থেকে দুই দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হবে বলেও জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, এই আইন নিরাপত্তামূলক কোনও বিধিনিষেধ না বরং নারীর প্রতি নিপীড়নমূলক সামাজিক অবরোধের একটি ধারাবাহিক রূপ।
এর আগে গত ৩০ জুলাই গ্রাফিতি এঁকে এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল নারী শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘অবরোধবাসিনী’র উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচি চলাকালে পাঁচটি ছাত্রী হলের প্রধান ফটকে ‘নিরাপত্তার অজুহাতে, সংকুচিত স্বাধীনতা মানি না’, ‘সময়ের শেকল ভাঙো’-সহ বিভিন্ন স্লোগান ও চিত্রসংবলিত গ্রাফিতি আঁকেন শিক্ষার্থীরা।

ঢাবিতে ছাত্রদল ও শিবিরের হাতাহাতি







