গুলশান হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার অভিযোগ

গোয়েন্দা প্রধানদের বরখাস্ত করা উচিৎ: এরশাদ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
১২ জুলাই ২০১৬, ১৭:৪৬আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৬, ১৭:৫৭

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, গুলশান হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থতার জন্য দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের বরখাস্ত করা উচিৎ। এত বড়ো বাহিনী থাকা সত্ত্বেও গুলশানের আর্টিজান রেস্টুরেন্টে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জঙ্গিরা ঢুকলো কিভাবে সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। তবে এই হামলার জন্য প্রকারান্তরে পশ্চিমাদের দায়ী করেন এরশাদ। এসময় জঙ্গি ইস্যু সমাধানে সব দলকে নিয়ে বসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ঠাকুরগাঁওয়ে এরশাদ

মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড় খোঁচাবাড়ি দৌলতপুর গ্রামে নর্থ’স এগ মুরগি ফার্ম পরিদর্শন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের  সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন এরশাদ।

এরশাদ বলেন,‘গুলশান হামলায় প্রথমে বিদেশিদের হত্যা করা হয়েছে। বাঙালিদের গায়ে হাত দেওয়া হয়নি। বাঙালি একটি ছেলে মারা গেছে। প্রশ্ন হলো, কেন বিদেশিদের মারা হলো। এর উত্তর আমি দিচ্ছি।’

এই উত্তর দিতে গিয়ে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া, আফগানিস্তান ধ্বংসের ঘটনায় পশ্চিমা শক্তিগুলোকে দায়ী করেন। তিনি পশ্চিমাদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরা মারছো। তারা প্রতিশোধ নিয়েছে। কিন্তু সাহস করে কেউ কিছু বলতে পারছে না।’

এরশাদ আরও বলেন, ‘গুলশানে এতো বড় হত্যাকাণ্ড ঘটলো, এতো অস্ত্রপাতি নিয়ে জঙ্গিরা ঢুকল। কিন্তু তাদের এভাবে ঢোকার কথা না। জঙ্গিদের ব্যাপারে গোয়েন্দাদের কোনও খোঁজ-খবর ছিল না। ইন্টেলিজেন্স বিভাগ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তাই গোয়েন্দা প্রধানদের বরখাস্ত করা উচিৎ।’

সমস্যা সমাধানে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে এরশাদ বলেন, ‘আসুন, বসে আলোচনা করি। আমরা সুস্থধারার রাজনীতি করি। তাই আসুন, সন্ত্রাস আর ভাঙচুরের রাজনীতি বন্ধ করি। যেসব দল সুস্থধারার রাজনীতি করে তাদের নিয়ে বসা যায়। তবে কাজটি সরকারকে করতে হবে।’

গুলশান হামলা প্রতিরোধে গোয়েন্দাদের ব্যর্থতার অভিযোগ নিয়ে কয়েকদিন থেকেই সরব রয়েছেন তিনি।

 /এমএসএম/টিএন/

আরও পড়ুন:

ফেসবুকে এখনও নিয়ন্ত্রণহীন সব ‘জিহাদি পেজ’

সংবাদমাধ্যম আমার বক্তব্য বিকৃতভাবে ব্যবহার করেছে: জাকির নায়েক

নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, স্বামীসহ গ্রেফতার

প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
হলি আর্টিজান থেকে উদ্ধার হওয়া সবাই নজরদারিতে

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
‘জীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা’, হাসপাতালের চিত্র দেখে ক্ষুব্ধ পর্যটনমন্ত্রী 
‘জীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা’, হাসপাতালের চিত্র দেখে ক্ষুব্ধ পর্যটনমন্ত্রী 
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের দুই দূতের বৈঠক, ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের দুই দূতের বৈঠক, ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি
পুলিশের এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা
পুলিশের এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা
সিলেটে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার
সিলেটে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার
সর্বাধিক পঠিত
বন্ধ হয়ে গেলো ১৮ বছর ধরে চলা দূরপাল্লার বাস সার্ভিস
বন্ধ হয়ে গেলো ১৮ বছর ধরে চলা দূরপাল্লার বাস সার্ভিস
পরীমণির প্রথম সিনেমায় পারিশ্রমিক কত ছিল
পরীমণির প্রথম সিনেমায় পারিশ্রমিক কত ছিল
সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনামূল্যে দেখা যাবে তিন সিনেমা
সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনামূল্যে দেখা যাবে তিন সিনেমা
১৪ কেজি স্বর্ণসহ বিমানের কর্মী আটক
১৪ কেজি স্বর্ণসহ বিমানের কর্মী আটক
সরকার যাত্রা শুরুর ছয় মিনিটের আগেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: মামুনুল হক
সরকার যাত্রা শুরুর ছয় মিনিটের আগেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: মামুনুল হক