চলতি বছরে পবিত্র ঈদ-উল-আযহায় নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি নিশ্চিত করবে সরকার। পরিবেশ দূষণরোধ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি ঠেকাতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সোমবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে কোরবানির পশু সুনির্দিষ্ট স্থানে জবাই ও দ্রুত বর্জ্য অপসারণ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে দেশের সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে এ বিষয়ে পদক্ষেপও নিতে বলা হয়েছে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার সচিব আবদুল মালেক বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট স্থান ছাড়া বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশু জবাই করার কারণে পরিবেশ দূষণে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। সে কারণে যত্রতত্র পশু কোরবানি না করে সারাদেশে নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।’
সচিব বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে দেশের মোট ২২০টি গ্রোথ সেন্টারসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই নিশ্চিত করা হবে।’
এ বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারের জন্য সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যমকে আহ্বান জানান স্থানীয় সরকার সচিব।
সভায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারাদেশে নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই এবং কসাইদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে কর্মপরিকল্পনা পাঠাতে দেশের সব সিটি করপোরেশন,বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোকেও ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় আরও জানানো হয়, যত্রতত্র কোরবানির পশুর হাট না বসানোর এবং কোরবানির পশু জবাই না করার জন্য ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ সালে এর পরিসর বড়ানো হয়। এবার দেশব্যাপী এ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে।
সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভার মেয়র ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/এসএমএ/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন
বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালকের মেয়াদ ৯ বছর
নতুন জোট করলেও সরকারের সঙ্গে থাকবে জাতীয় পার্টি: ওবায়দুল কাদের








