কলকাতায় উপ-হাইকমিশনে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

রক্তিম দাশ, কলকাতা
০৫ আগস্ট ২০২২, ২১:৩৯আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২২, ২১:৩৯

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের ‘বাংলাদেশ গ্যালারিতে’-তে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর তার জীবনের উপর এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবন ও কর্ম নিয়ে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাইকমিশনের তৃতীয় সচিব (রাজনৈতিক) শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম। মুখ্য আলোচক হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন কলকাতার বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দূরদর্শন কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক শ্রী অভিজিৎ দাশগুপ্ত। শেখ কামালকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন কোর্সমেট মেজর (অব.) ওয়াকার হাসান।

এ ছাড়া কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের কাউন্সিলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া) রিয়াজুল ইসলাম রাষ্ট্রপতির বাণী, কাউন্সিলর (কনস্যুলার) মো. বশির উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপ-হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস। সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন মিজ সানজিদা জেসমিন, হাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক)।

উপ-হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস বক্তব্যে বলেন, শেখ কামাল ছিলেন মুক্তবুদ্ধি চর্চার অন্যতম কারিগর। সদ্য স্বাধীন দেশে প্রগতিশীল নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন শেখ কামাল। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে হলেও তার মধ্যে কোনও অহমিকাবোধ ছিল না। তিনি ছিলেন মার্জিত, বিনয়ী, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। নবসৃষ্ট বাংলাদেশের তরুণ সমাজের বিকাশে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চায় উদ্বুদ্ধকরণে তার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।

বিশিষ্ট সাংবাদিক অভিজিৎ দাশগুপ্ত বলেন, শেখ কামাল আমাদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে তারুণ্যের প্রতীক। মানুষকে আপন করে নেওয়ার এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল তার।

সবশেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

/ইউএস/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে