মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৫ জানুয়ারি ২০২৪, ১৫:৫৬আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৪, ১৫:৫৬

জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই কনফারেন্স।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী জার্মানিতে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিয়ে আমরা কাজ করছি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পরও শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স দিয়ে তার বিদেশ সফর শুরু করেন।

৬০ বছর ধরে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স অনুষ্ঠান হচ্ছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেশ ও পৃথিবীর বিখ্যাত বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষ নেতৃত্ব সমসাময়িক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে থাকেন। ২০২৩ সালে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে ফ্রান্স ও ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব অংশ নিয়েছিল।

ফ্রান্স ও জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপোয় ও জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্স ও জার্মানি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। স্বাধীনতার পরপরই যে গুটি কয়েক দেশ আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছিল, দেশ দুটি তাদের মধ্যে অন্যতম।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার হচ্ছে জার্মানি। এটা জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ফ্রান্সও আমাদের রফতানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ওপরের দিকে।

যুদ্ধশিশু
মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ থেকে অনেক যুদ্ধশিশুকে দত্তক হিসেবে নিয়েছিল জার্মানি ও ফ্রান্স। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর আমাদের যুদ্ধশিশুদের নিয়েছিল জার্মানি ও ফ্রান্স। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার কারণেই ওই শিশুদের জন্ম হয়েছিল। এ জন্য তাদের যুদ্ধশিশু বলা হয়। তবে জার্মানি ব্যাপক হারে নিয়েছিল। ওই সময় শিশুগুলো অনাথ হয়ে গিয়েছিল।

এ ছাড়া আমাদের অনেক মুক্তিযোদ্ধা পঙ্গু হয়ে গিয়েছিলেন। তাদেরও চিকিৎসা দিয়েছিল দেশ দুটি। আমি এ জন্য জার্মানি ও ফ্রান্সকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি।

/এসএসজেড/এনএআর/
সম্পর্কিত
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে সহযোগীদের সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে