X
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪
৯ শ্রাবণ ১৪৩১

প্রায় সব ক্ষেত্রেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে: আইনমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৮ জুন ২০২৪, ১৭:৫৯আপডেট : ০৮ জুন ২০২৪, ১৭:৫৯

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের সব অঙ্গ-প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতামূলক মনোভাব এবং ঐক্যমতের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সব সময় বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে এবং বিচারকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা ও বিচারকর্মে স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে আন্তরিক। বর্তমানে প্রায় সব ক্ষেত্রেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৮ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন জুডিসিয়ারি অ্যাক্রোস দ্য বর্ডার্স’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আনিসুল হক বলেন, দেশের জাতীয় অগ্রগতি ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও আইনের শাসননীতির ভিত্তিতে সুপ্রতিষ্ঠিত। এসব নীতির প্রতি বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বঙ্গবন্ধু প্রণীত সংবিধানের আলোকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনার সরকার অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ফলে বর্তমানে প্রায় সব ক্ষেত্রেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিচারকরা স্বাধীনভাবে ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিচার বিভাগের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে সরকারের অগ্রণী ভূমিকা পালনের কথা উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন, বিচারকদের কর্মক্ষেত্রের সুযোগ-সুবিধা, বেতন-ভাতা, আবাসন এবং পরিবহনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করা হয়েছে। ফলে নাগরিকদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ দক্ষতার সঙ্গে ও কার্যকরভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গড়া ডিজিটাল বাংলাদেশের ওপর ভিত্তি করে আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদে নির্মাণের যাত্রা শুরু করেছি, যেখানে থাকবে স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি এবং স্মার্ট সমাজ। জনগণের জন্য ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক অধিকার, আর্থসামাজিক অধিকার এবং সাংস্কৃতিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য স্মার্ট বিচার বিভাগ অপরিহার্য। স্মার্ট বিচার বিভাগ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির সমন্বয় ও বিচার প্রক্রিয়ার আধুনিকায়নের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থার মধ্যে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে শুধু বিচার প্রশাসনের উন্নতিই হবে না বরং বিচারব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থাও জোরদার হবে।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নেপালের প্রধান বিচারপতি বিসম্ভর প্রসাদ শ্রেষ্ঠা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, ভুটানের হাইকোর্টের বিচারপতি লবজাং রিনজিন ইয়ারগে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

/বিআই/এনএআর/
সম্পর্কিত
পাহাড়ের বাঙালিদের কোটায় অন্তর্ভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি
কোটা আন্দোলন: হতাহতের ঘটনা তদন্তে বিচারবিভাগীয় কমিটি গঠন
কোটা সংস্কারের দাবির সঙ্গে একমত সরকার, আলোচনায় বসতে রাজি
সর্বশেষ খবর
জ্বালাও-পোড়াও ও নিহতে মিরপুরের ৩ দিন
জ্বালাও-পোড়াও ও নিহতে মিরপুরের ৩ দিন
কূটনীতিকরা স্তম্ভিত, বলেছেন বাংলাদেশের পাশে আছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কূটনীতিকরা স্তম্ভিত, বলেছেন বাংলাদেশের পাশে আছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সংঘাতে ডিএনসিসির ২০৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি
সংঘাতে ডিএনসিসির ২০৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি
নাটকীয় হারে আর্জেন্টিনার অলিম্পিক যাত্রা শুরু
নাটকীয় হারে আর্জেন্টিনার অলিম্পিক যাত্রা শুরু
সর্বাধিক পঠিত
ধারণা ছিল একটা আঘাত আসবে: প্রধানমন্ত্রী
ধারণা ছিল একটা আঘাত আসবে: প্রধানমন্ত্রী
কোটা নিয়ে রায় ঘোষণার আগে যা বলেছিলেন প্রধান বিচারপতি
কোটা নিয়ে রায় ঘোষণার আগে যা বলেছিলেন প্রধান বিচারপতি
চাকরিতে কোটা: প্রজ্ঞাপনে যা আছে
চাকরিতে কোটা: প্রজ্ঞাপনে যা আছে
কোটা আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রীর বর্ণনায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র 
কোটা আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রীর বর্ণনায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র 
কারফিউ বা সান্ধ্য আইন কী 
কারফিউ বা সান্ধ্য আইন কী