পদোন্নতি পাওয়া ডিসিদের তুলে আনা হবে: জনপ্রশাসন সচিব

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:২২আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:২২

নির্বাচনের আগে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি পাওয়া জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) তুলে আনা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান। তিনি বলেন, যেসব জেলা থেকে পদোন্নতি পাওয়া ডিসিদের তুলে আনা হবে সেখানে নতুন ডিসি পদায়ন করতে হবে। মাঠ প্রশাসন বলতে সিভিল এবং পুলিশ এই দুটোকেই বোঝায়।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মোখলেস উর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচন সামনে রেখে যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে– হোমওয়ার্ক ভালো থাকলে যে দিনটাকে কেন্দ্র করে কাজটা করা হচ্ছে, সেই দিনটা ভালো হবে, কোনও সমস্যা হবে না।

তিনি বলেন, অভিযোগের বিপরীতে ডিসি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আমাদের কাছে ফিট লিস্ট আছে। মাঝে কিছু নতুন ডিসি পদায়ন করা হয়েছে, সামনে আরও হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নিয়োগ স্বচ্ছ করার জন্য লটারিতে তারা এসপি নিয়োগ দেবে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জনপ্রশাসন সচিব বলেন, প্র্যাকটিস অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পরই আমরা সবাই নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে যাবো। তখন এ বদলিগুলো করবে নির্বাচন কমিশন।

তিনি বলেন, ইউএনওদের বদলিটা করেন বিভাগীয় কমিশনার। নির্বাচনের সময় একটা বড় ধরনের রদবদল হয়। সেটা নির্বাচন কমিশন করবে। সেখানে কারও বলার কিছু থাকবে না, তদবির থাকবে না। যাকে যেখানে দেওয়া হবে, সেখানে তারা যেতে বাধ্য।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব আরও বলেন, ইউএনওরা হলো অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার। এরপর হলো ডিসি। ডিসি নিয়োগের জন্য আমাদের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সাত সদস্যের একটি কমিটি আছে। এছাড়া ডিসি সিলেকশন কমিটি আছে পাঁচ সদস্যের, ডিসি ফিট লিস্ট হয়। ফিট লিস্টের পর কমিটিতে সেটা তোলা হয়। সেখান থেকে দেখে ডিসি পোস্টিং হয়। সেটা প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন করেন। এরপর সেটা জনপ্রশাসনে আসে, আমরা প্রজ্ঞাপন জারি করি। এটা জনপ্রশাসনের একক কাজ নয়।

/এসআই/আরকে/
সম্পর্কিত
মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় সেই যুগ্মসচিব সন্তানকে মোংলা বন্দর থেকে প্রত্যাহার
ছুটির দিনে প্রশাসনের তিন কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়ে সচিব
আজ শেষ কর্মদিবস, সোমবার থেকে শুরু দীর্ঘ ঈদ অবকাশ
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী