আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক, সম্প্রতি একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন দলীয় পরিচিতিধারী ব্যক্তিদের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ১০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতকৃত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল হতে বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বাদ দিয়ে প্যানেল প্রস্তুতির জন্য সকল জেলা নির্বাচন অফিসারকে নির্দেশনা প্রদান করেছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটগ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মকর্তা না পাওয়া গেলে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ করা যাবে। উল্লিখিত নির্দেশনার আলোকে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের নিয়োগ চূড়ান্তকরণের জন্য সকল রিটার্নিং অফিসারকে ২৬ জানুয়ারি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ২৩ অক্টোবর বিএনপির পক্ষ থেকে ইসিতে ৩৬ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা পোলিং পারসোন্যাল নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বমহলের নিকট চিহ্নিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়োগ দেওয়া যাবে না। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা ইত্যাদি।
সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ইসলামী ব্যাংকে সারাদেশে প্রায় ৫,০০০ কর্মকর্তা/কর্মচারীর নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। এসব শূন্য পদে তড়িঘড়ি করে দলীয় লোকজন নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।









