পাহাড় ও টিলা কাটা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না জানিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, “জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পাশাপাশি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়েরর সভাকক্ষে ‘পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে করণীয় নিরূপণ’ শীর্ষক এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “খাগড়াছড়িতে পাহাড় কাটার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে কোনও সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সভায় জানানো হয়, খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। এতে সদর উপজেলার খাড়িছড়া এলাকায় দু’টি এক্সকেভেটর জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া মানিকছড়িতে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং যোগ্যাছোলা ও বাটনাটলী এলাকায় মামলা করা হয়েছে।
এদিকে, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ শাহ-আরেফিন টিলায় অভিযান চালিয়ে ১০টি পাথর উত্তোলন যন্ত্রের বিভিন্ন অংশ ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি তিনটি পাথরবোঝাই ট্রাক জব্দ করা হয় এবং তিনজনকে আটক করে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।
নির্দেশনা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “পাহাড় কাটায় এক্সকেভেটর ব্যবহার বন্ধে নজরদারি বাড়াতে হবে। এক্সকেভেটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হবে। ইটভাটায় ব্যবহৃত মাটির উৎস যাচাই ছাড়া অনুমতি দেওয়া যাবে না এবং কৃষি জমির মাটি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।”








