কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর মাধ্যমে কৃষি ভর্তুকি, ঋণ ও অন্যান্য সহায়তা সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে প্রস্তাবিত বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি নতুন অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বাজেট।
বাজেট প্রস্তাবে কৃষি খাতে সরকারি সহায়তা আরও কার্যকর ও স্বচ্ছভাবে বিতরণের লক্ষ্যে কৃষক কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণের উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়। সরকারের আশা, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও কৃষিঋণ সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে মোট আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে। এই ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে অর্থায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে।









