হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ে হজ ও ওমরাহ ফেয়ার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই যাত্রায় বাংলাদেশি হজযাত্রীগণের জন্য যৌক্তিক খরচে, হয়রানিমুক্ত পরিবেশে হজ প্যাকেজ তৈরিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।”
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “গত বছর আমরা টিকিট প্রতি খরচ ১২ হাজার টাকা কমাতে সক্ষম হয়েছিলাম। এই বছর আমরা টিকিট প্রতি খরচ আরো ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।”
এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে সৌদি সরকারকে বিমান টিকেটের উপর আরোপিত সৌদি বিমানবন্দরের নির্মাণ কর কমানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশি হাজীদের আবাসন খরচ কমানোর লক্ষ্যে বিশেষ সুবিধা আরোপের বিষয়েও সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।”
বক্তব্যের শেষে প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করার যাত্রায় উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এছাড়া হজযাত্রীদের সঙ্গে কোনোরূপ প্রতারণা করা হলে সর্বোচ্চ শাস্তি পেতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, “বাংলাদেশের হজযাত্রীদের মাত্র পাঁচ শতাংশের মতো সরকারি মাধ্যমে হজ পালন করে থাকেন, বাকি ৯৫ শতাংশ বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে হজে যান।” তিনি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনও কাজ করা হতে বিরত থাকার জন্য এজেন্সি মালিকদেরকে অনুরোধ জানান।
অনুষ্ঠানে রাজকীয় সৌদি দূতাবাসের উপ মিশন প্রধান খালিদ সাঈদ আল হাদাল, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) নেতৃবৃন্দসহ হজপ্রত্যাশী ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা উপস্থিত ছিলেন।

মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী







