জলবায়ু ইস্যুতে আগের সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছিল না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট  
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:২৭আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:২৭

জলবায়ু ইস্যুতে আগের সরকারের কোনও রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার রয়েছে। এ কারণেই প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক একটি পৃথক শাখা খোলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের পথে’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট সংকট এবং বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে।

নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কপ-৩১ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী না হলেও এর কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। এই ক্ষতি মোকাবিলায় বৈশ্বিক ফোরামে বড় দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন যেন ঋণ হিসেবে না দিয়ে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়, সেটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দাবি থাকবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কপ-৩১ সম্মেলনে পাট ও পাটজাত পণ্যকে পচনশীল ও প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে তুলে ধরা হবে।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আগের বিনা ভোটের সরকারের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য এখানেই যে, আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার রয়েছে।’

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুরু করা বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন কর্মসূচি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, এবার প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতিত্ব করছেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীও বক্তব্য দেবেন এবং তার বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গত ১০ বছর ধরে ১৩ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তারা পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি অঞ্চলে বসবাস করছে। এর ফলে বাংলাদেশের জলবায়ু বাস্তুচ্যুতির সঙ্গে অতিরিক্ত পরিবেশগত চাপ তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের ওপর থেকে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত চাপ কমানো সম্ভব হবে।

/এসও/এম/    
সম্পর্কিত
তিস্তা থেকে ব্রহ্মপুত্র: কেন বাংলাদেশ ও ভারতের পানি-নিরাপত্তার সংকট অভিন্ন
মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমে যাবে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেবেন না প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
জানি সময় নষ্ট হচ্ছে, তবু কেন দেখছি এআই ড্রামা?
জানি সময় নষ্ট হচ্ছে, তবু কেন দেখছি এআই ড্রামা?
চীনাদের বিদেশযাত্রায় নতুন বিধিনিষেধ 
চীনাদের বিদেশযাত্রায় নতুন বিধিনিষেধ 
কমলা রঙের শাড়িতে নজর কাড়লো নীতা আম্বানির জমকালো নেকলেস
কমলা রঙের শাড়িতে নজর কাড়লো নীতা আম্বানির জমকালো নেকলেস
আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ
আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ
সর্বাধিক পঠিত
মদিনায় ১১০ মিলিয়ন টন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ আকরিকের সন্ধান
মদিনায় ১১০ মিলিয়ন টন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ আকরিকের সন্ধান
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষ বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে কক্সবাজারে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষ বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে কক্সবাজারে
একদিনের ছুটি নিতে পারলেই একটানা মিলবে ৫ দিনের ছুটি
একদিনের ছুটি নিতে পারলেই একটানা মিলবে ৫ দিনের ছুটি
জেলের জালে একসঙ্গে ধরা পড়লো ২৬ লাখ টাকার ইলিশ
জেলের জালে একসঙ্গে ধরা পড়লো ২৬ লাখ টাকার ইলিশ
পুলিশের খাবার পৌঁছানোর দৃশ্য বদলে দিলো নতুন ভ্যান
পুলিশের খাবার পৌঁছানোর দৃশ্য বদলে দিলো নতুন ভ্যান