পররাষ্ট্রসচিব এম শহীদুল হক বলেছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পরিণত হয়েছে এবং এটি সাহায্যনির্ভর সম্পর্ক থেকে কৌশলগত সম্পর্কে পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার ওয়াশিংটনে দুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত পঞ্চম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অংশীদার সংলাপের সমাপনী দিনে পররাষ্ট্রসচিব একথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।
সংলাপে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক জোরদার করা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ।
পররাষ্ট্রসচিব বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সেদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি টম শ্যানন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বৃহস্পতিবার দুই পক্ষের আলোচনা পর্যালোচনা করা হয়।
শহীদুল হক বলেন, বাংলাদেশ গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বহুত্ববাদের মূল্যবোধকে সঙ্গে করে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হতে চায়।
টম শ্যানন বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতির প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত এবং সামনের দিনগুলোতে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
তারা সার্ক, বিসিআইএম, বিমসটেক, আসেম, আইপিইসি সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন নিয়ে আলোচনা করেন।
সংলাপ ছাড়া পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন। এদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি নিশা দেশাই বিসওয়াল, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এ্যান সি রিচার্ড, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি বাথসেবা ক্রোকার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ম্যালিসোস্কি, প্রেসিডেন্ট ওবামার বিশেষ সহকারি পিটার ল্যাভয় এবং চিফ অফ স্টাফ অফ সেক্রেটারি অফ স্টেট জোনাথন ফিনার।
এদিকে যুক্তরাস্ট্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জন কার্বি শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের উদ্বেগ জানিয়ে এসেছি এবং সে বিষয়গুলো এখানে আলোচনা হবে।
এপিএইচ/
আরও পড়ুন:
অংশীদারিত্ব সংলাপে নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র







