‘দেশে টেলিভিশনের বাজার ২০২৫ সালে হবে ৯৪০ মিলিয়ন ডলার’

ঢাবি প্রতিনিধি
২৪ নভেম্বর ২০২১, ১৮:২৮আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২১, ১৮:২৮

বাংলাদেশে মোট বিক্রিত ইলেকট্রনিক্স পণ্যের মধ্যে টেলিভিশনের বাজারের আকার ৩০.০৩ শতাংশ। ২০২০ সালে টেলিভিশনের বাজারের আকার ছিল ৬৩৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৯৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সেমিনার কক্ষে 'মার্কেটিং ওয়াচ বাংলাদেশ' আয়োজিত বাংলাদেশে টেলিভিশন শিল্পের উপর গবেষণা কার্যক্রমের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়।

মার্কেটিং ওয়াচের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিয়া বেগম এবং ড. আবুল কালাম আজাদ। গবেষণার ফল উপস্থাপন করেন সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হুসেইন।

গবেষণাপত্রে টেলিভিশন শিল্পের হুমকিস্বরূপ 'গ্রে মার্কেট'র (অননুমোদিত পণ্যের বাজার) কথা উল্লেখ করে বলা হয়, বিভিন্ন অননুমোদিত মাধ্যমে যে টেলিভিশন আনা হয় এটা বাজারের ১০-১২ শতাংশ দখল করে আছে। আর ৮ থেকে ১০ শতাংশ রয়েছে স্টিকারভিত্তিক। অর্থাৎ মোট ২০ শতাংশ নকল বা অননুমোদিত টেলিভিশন বাজারে রয়েছে। এতে বলা হয়, সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ আর সর্বোচ্চ ৮১ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবহারকারী দেশীয় টেলিভিশনগুলোতে সার্বিকভাবে কোনও সমস্যা না থাকার কথা জানিয়েছেন।

গবেষণাপত্রে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করা হয়। সেগুলো হলো- উচ্চবিত্ত ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণে দেশি ব্র‍্যান্ডগুলোর মাল্টিব্র্যান্ডিং পদ্ধতি অনুসরণ করা, লেটেস্ট ফিচার যোগ করা, ওয়ারেন্টি অনুযায়ী কাস্টমার সেবা প্রদান করা, অনলাইন মার্কেটিং, ফ্রিইনসটলেশন ও ডেলিভারি, ইএমআই সুবিধা প্রদান করা, ক্রেতাদের অভিযোগ শোনার জন্য ২৪/৭ কলসেন্টার এবং চ্যাটবটের মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা এবং গবেষণা ও উন্নয়নে অধিক বিনিয়োগ করা।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পের বিকাশে সরকারের করণীয় সম্পর্কে গবেষণাপত্রে বলা হয়, নকল টিভির আমদানি সংযোজন ও বিক্রি বন্ধ করা, গ্রে-মার্কেটকে নিরুৎসাহিত করার জন্য বিদেশি টিভির ওপর বর্ধিত করোরোপসহ কর আদায়নিশ্চিত করা, দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করতে টিভি তৈরির সরঞ্জাম ও কাঁচামাল আমদানিতে কর কমানো এবং রফতানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং রফতানিকারকদের আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থা করা।

এই বছরের মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত দেশব্যাপী একটি গবেষণাকার্য পরিচালনা করে সংগঠনটি। গুণগত এবং সংখ্যাগত উভয় পদ্ধতিতে গবেষণা কার্যটি পরিচালনা করা হয়। এতে প্রধানত প্রাথমিক উপাত্ত এবং কিছুটা সেকেন্ডারি উপাত্ত ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণা পরিচালনার জন্য জরিপ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এতে ২৪৩৯ জন উত্তরদাতাকে আটটি বিভাগ থেকে নির্বাচন করা হয়। উত্তরদাতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক নমুনায়ন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।

/এমএস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মালদার আম রফতানি নিয়ে সুখবর দিলো ভারত
মালদার আম রফতানি নিয়ে সুখবর দিলো ভারত
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৮
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৮
৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে তিন মাস সময় দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক 
৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে তিন মাস সময় দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক 
জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে দেওয়া সহায়তা ৫০০ মিলিয়নে উন্নীত করবে জাপান 
জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে দেওয়া সহায়তা ৫০০ মিলিয়নে উন্নীত করবে জাপান 
সর্বাধিক পঠিত
‘এখন ক্ষমতা আছে গ্রেফতার দেখান, আমরাও শেষ দেখে নেবো’
‘এখন ক্ষমতা আছে গ্রেফতার দেখান, আমরাও শেষ দেখে নেবো’
রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ, ঠিকাদার বললেন ‘দুই পাশে দিয়েছি’
রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ, ঠিকাদার বললেন ‘দুই পাশে দিয়েছি’
নবম পে-স্কেল কার্যকর আজ, বর্ধিত বেতন কবে মিলবে?
নবম পে-স্কেল কার্যকর আজ, বর্ধিত বেতন কবে মিলবে?
আত্মসমর্পণের পর এসএ পরিবহনের চেয়ারম্যানের জামিন
আত্মসমর্পণের পর এসএ পরিবহনের চেয়ারম্যানের জামিন
এরদোয়ানকে ‘শান্ত হতে’ বললেন নেতানিয়াহু
এরদোয়ানকে ‘শান্ত হতে’ বললেন নেতানিয়াহু