X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

‘ভূমি অধিগ্রহণে আমার বা আমার পরিবারের লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই’

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২২, ২৩:১৬

‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণে আমার এবং আমার পরিবারের লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই’ বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাকে বা আমার পরিবারকে জড়িয়ে কোনও ধরনের রিপোর্ট ভিত্তিহীন অসত্য। সামনের দুবছর নির্বাচনের সময়। এ সময়টাও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। কাজেই আমি বলবো— উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই কেউ এই কাজটি করছেন।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হলো চাঁদপুরে কোথাও ক্রয়সূত্রে আমার কোনও জমি নেই। উত্তরাধিকার সূত্রে আমার পৈতৃক ভিটায় অধিকার হয়তো থাকতে পারে কিন্তু চাঁদপুরে ক্রয়সূত্রে কোনও জমির মালিক নই। যে জমিটি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে, আমার বড় ভাইয়ের ব্যাপারে একটি কথা বলা হয়েছে। তিনি একজন চিকিৎসক। চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগেরও সহ-সভাপতি। তিনি লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে একটি হাসপাতাল করার জন্য কিছু জায়গা অল্প অল্প করে কিনেছিলেন। যখনই অধিগ্রহণের প্রক্রিয়াটি শুরু হয়, যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য করা হচ্ছে এবং আমি শিক্ষামন্ত্রী সেই কারণে তিনি জমিটি বিক্রি করে দেন।  অন্য যারা রয়েছেন তারা আমার রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। আমার নির্বাচনি এলাকার সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মী আমার পরিবারের সদস্য। তারা যখন কেউ জমি কেনে বা অন্য কিছু করেন সেটি তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও বৈষয়িক ব্যাপার।  এটা আমার জানা নেই। এখন কারও কারও নাম দেখছি আমার জানা ছিল না।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি অভিযোগে বলা হয়েছে এটি ভাঙন প্রবণ জায়গা এখানে বিশ্ববিদ্যালয় টিকবে না। আমরা তো বেশ কয়েকটি জায়গা দেখেছিলাম।  কতগুলো বিবেচনায় এই জায়গাটিকে আমরা নির্বাচন করি। একটি হচ্ছে— চাঁদপুর শহর ছোট ঘনবসতিপূর্ণ। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় হবার কোনও সুযোগ নেই। বাইরে যে জায়গাগুলো দেখেছিলাম তার মধ্যে দুটো জায়গা হাইওয়ের সঙ্গে। আমরা জানি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটু সমস্যা হলেই হাইওয়ে বন্ধ হয়ে যায়। সে কারণে হাইওয়ের পাশে আমরা যাইনি। আর এই জায়গাটা নির্বাচন করা হয়েছে পার্শ্ববর্তী এলাকার শিক্ষার্থীরাও যেন আসতে পারে। জমিটির পাশে স্থায়ী বাঁধ আছে। তারপর বেড়িবাঁধ আছে। অনেক মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বলেছে স্থাপনা করা যাবে। তাহলে কেন এই জায়গা অনুপযুক্ত?

দলের মধ্যে থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কেউ এমনটি করছে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার ভাই যে জমি কিনেছিলেন সেই জমি বিকি করে দিয়েছেন। যেহেতু হাসপাতাল বা বৃদ্ধাশ্রম বানানো যাচ্ছে না। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে আর তার ছোট বোন শিক্ষামন্ত্রী সে কারণে অধিগ্রহণের আগেই বিক্রি করে দিয়েছেন। রাজনৈতিক দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা সব দলেই থাকে আমার দলেও আছে।  নির্বাচনি এলাকার জেলার সভাপতি সরাসরি মিডিয়ায় আমার বা আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।  তাছাড়া দলের মধ্যে আর কোথাও কিছু আছে কিনা আমি জানি না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দুর্নীতি তো হয়নি। অভিপ্রায় বলতে পারেন। কিন্তু আমি বা আমার ভাই কোনওভাবেই জড়িত নই। আমি চাইবো তদন্ত করে যদি কেউ দোষী হয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

/এসএমএ/এমআর/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
‘আদর্শের বদলে সুবিধা নেওয়া এখন রাজনীতির নিয়ম’
মেননের ৭৯তম জন্মদিন উদযাপন‘আদর্শের বদলে সুবিধা নেওয়া এখন রাজনীতির নিয়ম’
ভোরের কাগজের প্রকাশক-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলায় এডিটরস গিল্ডের নিন্দা
ভোরের কাগজের প্রকাশক-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলায় এডিটরস গিল্ডের নিন্দা
বিশ্বকাপের কাজে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী কাতার
বিশ্বকাপের কাজে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী কাতার
তালাক দেওয়ায় সাবেক স্ত্রীর সন্তানকে হত্যা
তালাক দেওয়ায় সাবেক স্ত্রীর সন্তানকে হত্যা
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত