নঈম নিজামসহ ৩ সাংবাদিকের মামলা বাতিলের নির্দেশ

বাংলা ট্রিবিউন  রিপোর্ট
১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:০০আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:০০

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাবেক সম্পাদক নঈম নিজামসহ তিন জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা একটি মামলা বাতিল করে তাদেরকে খালাসের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমানের আদালত এই আদেশ দেন। খালাসপ্রাপ্ত অপর দুই সাংবাদিক হলেন— বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী, বাংলা ইনসাইডার পোর্টালের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীর।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনের ধারাগুলো কাভার না করায় মামলাটি বাতিলের আদেশ দেন আদালত।

ময়নাল হোসেন চৌধুরীর পক্ষের আইনজীবী এনামুল হক মামলাটি বাতিল চেয়ে আবেদন করেন।

ওই আবেদনে বলা হয়, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ধারাগুলো অর্থাৎ ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯/৩৫ ধারা সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৫০ এর (৪ক) ধারা মোতাবেক ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর বাতিল বলে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এই অধ্যাদেশে বলা হয়েছে— ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯/৩৫ ধারায় আদালতে বিচারাধীন কোনও মামলা আর চলবে না। এমতাবস্থায়, এই মামলা থেকে আসামিকে খালাস দেওয়া একান্ত আবশ্যক।

২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন বাদী হয়ে নঈম নিজামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওইদিন আদালত ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টকে (সিআইডি) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলায় আরও যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন— ওয়েবসাইট ভাইরাল প্রতিদিনের অ্যাডমিন, বর্ণনাকারী, ভিডিও প্রস্ততকারী ও টেকনিশিয়ান।

২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর তিন জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন সিআইডির উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত করা হয়। তা অনলাইনেও দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, “নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে ব্যারিস্টার এম সারোয়ারের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তারা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।

মামলায় সারোয়ার বলেছেন, তিনি নুসরাতের আইনজীবী নন। নুসরাতের মামলার নারাজি আবেদনের শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন। ওই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ইনসাইডার পত্রিকায় ‘কে এই সারোয়ার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি সারোয়ার বলেন, ফেসবুক পেজ ভাইরাল প্রতিদিনে তাকে নিয়ে উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে লেখা হচ্ছে।

/এএসএ/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
ধর্ষণের শিকার শিশু ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, থানায় মামলা
সাত মামলায় ডা. দীপু মনির জামিন আবেদন
আমার স্ত্রীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে: আমির হামজা
সর্বশেষ খবর
মিষ্টির দোকানে জরিমানা, কী ঘটেছিল ইউএনওর সঙ্গে
মিষ্টির দোকানে জরিমানা, কী ঘটেছিল ইউএনওর সঙ্গে
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের