মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার অনুবিভাগের সচিব ফারাহ শাম্মী বলেছেন, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ কেবল একটি আইনগত দলিল নয়। এটি গণতান্ত্রিক সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের অংশীদারিত্বের প্রতি আমাদেরজাতীয় অঙ্গীকারের প্রতীক।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে দ্য কার্টার সেন্টারের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত ‘তথ্যের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এবং জেন্ডার রেসপন্সিভনেস বিষয়ক প্রশিক্ষণে’ তিনি এ কথা বলেন।
ফারাহ শাম্মী বলেন, তথ্য নাগরিককে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে এবং নিজেদের অধিকার আদায়ে ক্ষমতায়িত করে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসান ইতিহাসের বিভিন্ন উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সময়োপযোগী ও সঠিক তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।
দ্য কার্টার সেন্টারের বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ শাম্মী লায়লা ইসলাম বলেন, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও নাগরিক ক্ষমতায়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে তথ্যের অধিকারে সবার সমান প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, তথ্য ও সরকারি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নারীরা প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। তাই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জেন্ডার-সংবেদনশীল শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তথ্য অধিকার আইনের জেন্ডার রেসপন্সিভ বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর কার্যকরবাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সক্ষমতাবৃদ্ধি করা এবং তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে জেন্ডার সংবেদনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি জোরদার করা। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি দপ্তরে কর্মরত তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৬ জন মনোনীত কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
অংশগ্রহণকারীরা ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে তথ্য অধিকার আইনের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেশনেও অংশগ্রহণ করেন, যা পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম।









