ঢাকায় আগামী ২ সেপ্টেম্বর চালু হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা আবেদন কেন্দ্র। রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউতে কেন্দ্রটির কার্যক্রম শুরু হবে। ছুটির দিন ছাড়া রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত আবেদন কেন্দ্র খোলা থাকবে।
ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালুর পর সাধারণ ভিসার আবেদন জমা ও পাসপোর্ট সংগ্রহের কার্যক্রম এখান থেকেই পরিচালিত হবে। তবে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল ভিসার পাসপোর্ট সংগ্রহের কাজ দূতাবাসেই হবে। ভিএফএসের মাধ্যমে ভিসা আবেদন কেন্দ্রের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ভিসার আবেদন যেভাবে
দক্ষিণ কোরিয়ার সাধারণ ভিসার জন্য প্রথমে ভিসার ধরন অনুযায়ী ক্যাটাগরি নির্বাচন করে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সহায়ক কাগজপত্র প্রস্তুত করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বুক করতে হবে।
প্রত্যেক আবেদনকারীকে আলাদা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। পরিবারের সদস্য বা একই গ্রুপের একাধিক আবেদনকারী একটি অ্যাপয়েন্টমেন্টের আওতায় আবেদন জমা দিতে পারবেন না। প্রত্যেককে পৃথকভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে ভিসা আবেদন কেন্দ্রে যেতে হবে।
নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভিসা আবেদন ফর্ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে এবং প্রযোজ্য ভিসা ফি ও সার্ভিস ফি পরিশোধ করতে হবে।
ভিসা ফি কত
ভিসার ধরন ও থাকার সময় অনুযায়ী ৪০, ৬০, ৭০ অথবা ৯০ মার্কিন ডলার ভিসা ফি দিতে হবে। এর সঙ্গে প্রতি আবেদনে ভিসা আবেদন কেন্দ্রের সার্ভিস ফি ২ হাজার ১৫০ টাকা।
ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালুর পর প্রাথমিকভাবে প্রায় দুই সপ্তাহ সার্ভিস ফি নগদে পরিশোধ করতে হবে। এরপর অনলাইনে অগ্রিম সার্ভিস ফি দেওয়া যাবে।
ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদন বাতিল কিংবা মাল্টিপল এন্ট্রির পরিবর্তে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হলেও ভিসা ফি ফেরতযোগ্য নয়।
আবেদন ট্র্যাক করবেন যেভাবে
ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে থাকা অ্যাপ্লিকেশন ট্র্যাকিং সার্ভিসের মাধ্যমে আবেদনকারীরা তাদের আবেদনের অবস্থা জানতে পারবেন। ভিসা মূল্যায়ন শেষ হলে নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, ভিসা আবেদন কেন্দ্র ভিসা ইস্যু বা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নেয় না। এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসই নিয়ে থাকে।
নোটারাইজেশন ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটসংক্রান্ত সেবা আগের মতোই দূতাবাস থেকে দেওয়া হবে। ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালুর শুরুতে অ্যাপয়েন্টমেন্টের চাহিদা বেশি হতে পারে বলে আবেদনকারীদের আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।







