রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। এতে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। এর মধ্যে নতুন করে বেড়েছে চিনির দাম। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চিনির দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুই সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি চিনি ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে।
এদিকে বাজারে খোলা চিনি পাওয়া গেলেও প্যাকেটজাত চিনির সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ খুচরা দোকানে প্যাকেটজাত চিনি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেক দোকানি খোলা চিনি বিক্রি করছেন। তবে সেটিও আগের তুলনায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।
বিক্রেতারা বলছেন, উৎপাদক পর্যায়ে দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। মিলগেট থেকে চিনির সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। বিপণনকারী কিছু কোম্পানি সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। এ ক্ষেত্রে কারখানায় গ্যাস সংকটকেও কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিক্রেতারা।
রওসন মিয়া নামে এক বিক্রেতা বলেন, ‘আমরাও আগের মতো চিনি পাচ্ছি না। মিলগেট থেকে সরবরাহ কম। যে দামে আগে চিনি কিনতাম, এখন তার চেয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
রায়সাহেব বাজারে চিনি কিনতে আসা ক্রেতা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘সব ধরনের নিত্যপণ্যের দামই এখন বেশি। এর মধ্যে আবার চিনির দামও বেড়ে গেল। দুই সপ্তাহ আগেও যে দামে চিনি কিনেছি, এখন তার চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বাজার করা দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
আরেক ক্রেতা রাইসুল ইসলাম বলেন, ‘চিনির মতো একটি প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হঠাৎ করে এত বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। বাজারে প্যাকেটজাত চিনি পাওয়া যাচ্ছে না, আবার খোলা চিনিও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।’









