রাজধানীতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে ট্রাফিক পুলিশ। শনিবার (১ আগস্ট) শুরু হওয়া এ অভিযান চলতে পারে বেশ কয়েক দিন। অভিযানে গাড়ির ফিটনেস ঠিক আছে কিনা, নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারসহ কাগজপত্রের ত্রুটি আছে কিনা তা যাছাই-বাছাই করা হচ্ছে। সমস্যা থাকলে মামলা দিচ্ছেন ট্রাফিক সার্জেন্টরা।
সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে এমন তৎপরতা চোখে পড়েছে। গুলিস্তান, শাহবাগ, পল্টন, ফার্মগেট, মিরপুর, গাবতলী, উত্তরা, কুড়িল বিশ্বরোড, বাড্ডা বনানী, মহাখালী সব এলাকার সড়কগুলোতেই ট্রাফিক পুলিশের এই বিশেষ অভিযান চলছে।
ট্রাফিক পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার সকাল ৯টা থেকে এ অভিযান শুরু হয়েছে, চলবে সারা দিন। আগামী আরও কয়েকদিন এ বিশেষ অভিযান চলবে।
বাড্ডায় দেখা গেছে, ট্রাফিক সার্জেন্টরা বাসের কাগজপত্র যাছাই-বাছাই করছেন। হাইড্রোলিক হর্ন আছে কিনা তা পরীক্ষা করছেন, থাকলে খুলে ফেলা হচ্ছে। সমস্যা পেলেই মামলা করছেন। গণপরিবহনের সঙ্গে মোটরসাইকেলেও কাগজপত্র পরীক্ষা করতে দেখা গেছে।
সার্জেন্ট শুভ বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমাদের বিশেষ অভিযান চলছে। আমরা বিশেষ করে গাড়ির হাইড্রোলিক হর্ন লক্ষ্য রাখছি। কোনও গাড়িতে এ হর্ন যুক্ত থাকলে তা অপসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে মামলাও দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি গাড়ির কাগজপত্র আমরা যাছাই-বাছাই করছি। রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স টোকেন, চালকের লাইসেন্স ঠিক আছে কিনা তা দেখা হচ্ছে।
সার্জেন্ট সাকিব বলেন, আমরা গণপরিবহণের পাশাপাশি বাইকের কাগজপত্র দেখছি। হেলমেট রয়েছে কিনা, গাড়ির লাইসেন্সসহ সব কাগজই যাছাই-বাছাই করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমরা বিশেষ অভিযান চালাচ্ছি।
তেজগাঁও ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, দৈনন্দিন ডিউটির পাশাপাশি মাঝে-মধ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আজ বিশেষ অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, মূলত সড়কে শৃঙ্খলা আনার জন্য আমাদের এই কার্যক্রম পরিচালনা করা। ফিটনেসবিহীন গাড়ি, নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্নসহ কাগজপত্রের ত্রুটি পেলে আমরা মামলা দিচ্ছি। এ অভিযান আরও কয়েকদিন চলতে পারে।

গণপরিবহনে জিপিএস বসানোর বিষয়ে জানেন না চালক-ট্রাফিক






