X
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪
২৮ আষাঢ় ১৪৩১
বাংলা ট্রিবিউনকে বিএএফসি চেয়ারম্যান

ফাইন্যান্স কোম্পানি আইনে ‘সুরক্ষা পাবেন’ আমানতকারীরা

গোলাম মওলা
২০ নভেম্বর ২০২৩, ২০:০০আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৩, ২০:৫৩

সদ্য পাস হওয়া ‘ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন ২০২৩’-এ আমানত সংগ্রহের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আইনটির এই ধারা নিয়ে অনেকের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) মালিকদের পাশাপাশি এই খাতের গ্রাহকরাও রয়েছেন ধোঁয়াশার মধ্যে। এরই মধ্যে গত  ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা (সিইও) বৈঠক করেছেন। এছাড়া মালিকদের পক্ষ থেকে গভর্নরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠিও দিয়েছেন। সার্বিক বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করেছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফাইন্যান্স কোম্পানিজ (বিএএফসি) ও মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম।

বাংলা ট্রিবিউন: সদ্য পাস হওয়া ফাইন্যান্স কোম্পানি আইনটিকে কীভাবে মূল্যায়ন করছেন?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: সামগ্রিকভাবে আইনটিকে ইতিবাচকভাবে আমরা দেখতে পারি। কেননা, এনবিএফআই সেক্টরের উন্নয়ন দরকার। এ ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা এসেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে বেশকিছু প্রভিশন নিয়ে আইনটা করা হয়েছে। আমি মনে করি, এনবিএফআই খাত যাতে স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়, অগ্রগতি হয়, সেজন্যই আইনটি করা হয়েছে। এই আইনটি করা হয়েছে— যাতে আমানতকারীরা ক্ষতির মুখে না পড়েন। আমানত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানেরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তা আছে— এই আইনে সেটি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: আইনে আমানত রাখার ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকার যে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তার প্রভাব সম্পর্কে বলুন।

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: এখনও পর্যন্ত এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। নতুন আইনে আমানত সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়নি। এতদিন আমরা যেভাবে আমানত সংগ্রহ করেছি, এখনও সেভাবেই করা যাচ্ছে। তবে আমানত গ্রহণের ক্ষেত্রে আইনে ৫০ লাখ টাকার যে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে তার নেতিবাচক প্রভাব যাতে না পড়ে— এ বিষয়ে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সহযোগিতা চেয়েছি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোভাব হলো— এই বিধান সব প্রতিষ্ঠানের জন্য একরকম হবে না। এই বিধান আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ভিন্ন রকম হবে। কীভাবে হবে, সেই বিষয়টা বাংলাদেশ ব্যাংক চিন্তাভাবনা করছে। আমরা আশ্বস্ত হয়েছি যে, আমাদের কোনও ক্ষতি হবে না। গ্রাহকের কোনও ক্ষতি হবে না, প্রতিষ্ঠানের কোনও ক্ষতি হবে না।

বাংলা ট্রিবিউন: তাহলে আইনে ৫০ লাখ টাকার সীমা বেঁধে দেওয়া হলো কেন?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: বিগত দিনগুলোর যে বাস্তবতা, অনেকেই গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে পারছে না, অনেকেই টাকা উঠাতে না পেরে বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ দিয়েছেন। সে কারণেই এই বিধানটি রাখা হয়েছে। আমরা মনে করি, পাওনাদারের টাকা ফেরত দিতে না পাড়ার ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্যই এ আইন করা হয়েছে। মনে রাখতে হবে, গ্রাহক যেকোনও সময় তার আমানত তুলে নিতে চাইতে পারে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উচিত হবে— চাওয়ামাত্রই তার আমানত ফেরত দেওয়া।

বাংলা ট্রিবিউন: নতুন আইনে কোনও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা কি আছে?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে জানিয়েছি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেভাবেই আমাদের গাইড দেবে। যেকোনও আইনে দুর্বলতা থাকতে পারে। ফাইন্যান্স কোম্পানি আইনের যে দুর্বলতাগুলো আছে, সেগুলো প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে সংস্কার হবে। আইন হলেই যেকোনও কিছু পরে বদলানো যায় না, এমনটিও নয়। আইন করে ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ তদারকিতে হলেও সমগ্র অর্থনৈতিক সেক্টর বিশেষ করে ব্যাংকিং সেক্টর শৃঙ্খলার মধ্যে আনার অংশ হিসেবে এনবিএফআইকেও শৃঙ্খলায় আনতে হবে।

আমরা এনবিএফআই'র দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার জন্য আলোচনা করেছি, আগামীতেও এই আলোচনা করতে থাকবো। যা করলে জনজীবনে এই আইনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, বাংলাদেশ ব্যাংক সেটাই করবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে।

বাংলা ট্রিবিউন: এনবিএফআই খাতে নতুন আইনের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কি?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: এই আইনের কারণে গ্রাহকের মধ্যে অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের কারোর মধ্যেই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ, আইন পাস হওয়ার পর গ্রাহকদের মধ্যে আমানত তুলে নেওয়ার কোনও আগ্রহ নেই। বরং আমানত রাখার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: কেউ কেউ বলছেন নতুন আইনের কারণে ভালো প্রতিষ্ঠান থেকেও আমানত চলে যাচ্ছে। আসলে কি তাই?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: এখনও নতুন আইন প্রয়োগ হয়নি। আইনের কপি বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে এখনও যায়নি। আইনটি পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সার্কুলার জারি হবে, তারপর সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ আইন পাস হওয়ার পর আমার প্রতিষ্ঠান থেকে একটি টাকাও কেউ তুলতে আসেননি। বরং আরও  নতুন আমানত এসেছে। এমনকি বিতরণ করা ঋণের আদায়ও বেড়েছে। আমানতের সীমা বেঁধে দেওয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করবে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদাভাবে সার্কুলার জারি করবে। সাধারণ মানুষকে যেন আইনের কারণে টাকা ওঠাতে না হয়, সে ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করবে। অর্থাৎ সাধারণ গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

বাংলা ট্রিবিউন: আমানতের সীমা বেঁধে দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আপনাদের কী বলেছে?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন এনবিএফআই খাতে কোনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। ভালো প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতি করা আইনের উদ্দেশ্য নয়, বরং আইনের উদ্দেশ্য তুলনামূলক দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলো যেন ঘুরে দাঁড়িয়ে অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলা ট্রিবিউন: এ সময়ে নতুন আইন পাস হওয়ার প্রয়োজনীয়তা যদি বলেন।

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: অর্থনীতির অন্যান্য খাতের মতো ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনবিএফআই’র সংস্কার দরকার। দেশের অর্থনীতির সাইজ অনুযায়ী এই খাতটি আরও প্রসারিত হওয়ার সুযোগ আছে। সে ক্ষেত্রে আইন পাস হওয়া খুবই যুক্তিযুক্ত।

বাংলা ট্রিবিউন: এনবিএফআই কতটুকু মানি মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: দেশের অর্থনীতিতে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের ক্ষেত্রে (সিএমএসএমই) এনবিএফআইয়ের ভূমিকা প্রশংসনীয়। এনবিএফআই মেয়াদি আমানত সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন মেয়াদে ঋণ দেয়। যারা ব্যাংকের কাছে ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস পায় না, তারা আসে এনবিএফআই'র কাছে। এনবিএফআই মূলত বিনিয়োগের জায়গা। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এনবিএফআই যাতে সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের সবাই স্বীকার করেছে।  তবে ব্যাংকের মতো চাহিদা অনুযায়ী, আমানত সংগ্রহ করতে পারে না এবং চাওয়ামাত্র আমানতের অর্থ গ্রাহককে ফেরত দিতে পারে না। কারণ এখানে ক্যাশ বা নগদ কাউন্টার সুবিধা নেই। তাই এই প্রতিষ্ঠানগুলো মেয়াদপূর্তিতে বা নির্দিষ্ট সময় পর আমানত পরিশোধ করে।

বাংলা ট্রিবিউন: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ব্যাংকগুলোর তুলনায় এনবিএফআইয়ের গুরুত্ব কেমন?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে এনবিএফআই'র গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি। আগে যেকোনও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ডেপুটি গভর্নর পর্যন্ত যেত। এখন গভর্নর নিজেই তদারকি করেন। আমাদের সঙ্গে বৈঠকে গভর্নর অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কথা শুনেছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এনবিএফআই নিয়ে এখন সময় দিচ্ছেন। এই খাতে যেন শৃঙ্খলা বজায় থাকে, সেজন্য তিনি উদ্যোগ নিয়েছেন। আমরা অত্যন্ত খুশি যে, গভর্নর নিজেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব বিষয়গুলো দেখছেন।

বাংলা ট্রিবিউন: ব্যাংকের চেয়ারম্যানদের সংগঠন বিএবির মতো আপনারা কতটা সংগঠিত?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: ইতোমধ্যে এনবিএফআই'র প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যানদের একটি অরগানাইজেশন গঠিত হয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে আমরা একাধিক বার বসেছি। এতদিন আমাদের এ ধরনের অরগানাইজেশন ছিল না। কাজেই প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থে আমরা নিজেরা বসছি। সংগঠিত থেকে এই খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছি। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও কিছু সুনির্দিষ্ট দায়-দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আমরা এই খাতের অগ্রগতি বা প্রতিবন্ধকতা কোথায়, সেটা নিয়ে কাজ করবো। মানুষের আস্থা অর্জনে আমাদের যা যা করা দরকার, আমরা তার সবই করবো। মার্কেটের ওপর ভিত্তি করে আমাদের ব্যবসাকে আরও সামনের দিক এগিয়ে নিতে পারবো।

বাংলা ট্রিবিউন: দুর্দশাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান কি ঘুরে দাঁড়াতে পারে?

কাজী এম আমিনুল ইসলাম: গত দুই-তিন বছর আমরা যদি দেখি, করোনাসহ কঠিন সময়ের মধ্যেও কিছু প্রতিষ্ঠান দুর্বলতাটা কাটিয়ে উঠেছে। বেশকিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে যদি বলি— খেলাপি ঋণ আগে যাদের ছিল ২৫ শতাংশ, সেখান থেকে তারা ১০ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক উদ্যোগকে সাপোর্ট দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

/ইউএস/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ খাইরুল বাসারবাংলাদেশিদের জন্য লিবিয়ায় শ্রমবাজার তৈরি হচ্ছে, আছে চ্যালেঞ্জও
বাংলা ট্রিবিউনকে ইউটিএস-এর পরিচালকদেশে থেকেই সিডনির বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ সম্পন্নের সুযোগ, কমবে খরচও
একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমবঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ধরে রেখেছেন শেখ হাসিনা
সর্বশেষ খবর
পদ্মার পানি বিপদসীমার ওপরে, ফেরি চলছে ধীরে
পদ্মার পানি বিপদসীমার ওপরে, ফেরি চলছে ধীরে
কেয়ার হোম নিয়ে ব্রিটেনের আদালতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য
কেয়ার হোম নিয়ে ব্রিটেনের আদালতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য
উইম্বলডনে আবার জোকোভিচ-আলকারাজ ফাইনাল
উইম্বলডনে আবার জোকোভিচ-আলকারাজ ফাইনাল
১২ বছর বয়সী মেয়েকে বিয়ে দিয়ে জরিমানা গুনলেন বাবা
১২ বছর বয়সী মেয়েকে বিয়ে দিয়ে জরিমানা গুনলেন বাবা
সর্বাধিক পঠিত
দুই টাইলসের মাঝে দাগ পড়লে কী করবেন
দুই টাইলসের মাঝে দাগ পড়লে কী করবেন
রাশিয়াকে সহযোগিতা নিয়ে ন্যাটোর অভিযোগে চীনের পাল্টা আক্রমণ
রাশিয়াকে সহযোগিতা নিয়ে ন্যাটোর অভিযোগে চীনের পাল্টা আক্রমণ
ভিটামিন বি-১২ কমে গেলে যেসব রোগের ঝুঁকি বাড়ে
ভিটামিন বি-১২ কমে গেলে যেসব রোগের ঝুঁকি বাড়ে
পুলিশ কর্মকর্তা কামরুলের স্ত্রীর নামে আছে পাঁচ জাহাজ
পুলিশ কর্মকর্তা কামরুলের স্ত্রীর নামে আছে পাঁচ জাহাজ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর ব্যাপারে ইতিবাচক মিয়ানমার
বিমসটেক রিট্রিটরোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর ব্যাপারে ইতিবাচক মিয়ানমার