আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের দুর্নীতি অনুসন্ধান বন্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)কে চিঠি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সেই চিঠির বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়েছে। রুলের রায় যে কোনও দিন দেওয়া হবে মর্মে অপেক্ষমান রেখেছে হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়টি সিএভি করে আদেশ দেন।
আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের দুর্নীতি অনুসন্ধান বন্ধে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের দেওয়া চিঠি নিয়ে রুল জারি করেন আদালত।
ওই রুলের শুনানিতে মঙ্গলবার তৃতীয় অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
এর আগে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে এ এম আমিন উদ্দিন ও প্রবীর নিয়োগী তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান, বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের পক্ষে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এবং সুপ্রিম কোর্টের চিঠির বিষয়টি আদালতের নজরে আনা আইনজীবী অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান তফাদার।
গত ৯ অক্টোবর আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া চিঠি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।
এরপর গত ১৯ অক্টোবর রুলের ওপর প্রথম শুনানি হয়।
গত ২৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া চিঠিটি হাইকোর্টের নজরে আনেন অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান তফাদার।
এরপর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন।
রুলে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, দুদক চেয়ারম্যান, আপিল বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার অরুণাভ চক্রবর্তী ও বিচারপতি জয়নুল আবেদীনকে ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়।
আরও পড়ুন:







