গরম অনুভূতি বাড়বে, শিশুদের জন্য বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:২৫, মার্চ ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৩১, মার্চ ১৪, ২০১৯

গরমের হাত থেকে শিশুদের ক্ষণিকের স্বস্তি (ছবি সংগৃহীত)
শীতের শেষ সময়ে টানা বৃষ্টিতে আবহাওয়ার ঠাণ্ডার আমেজ থাকলেও হুট করে তাপমাত্রা বেড়েছে। তবে তাপমাত্রা যত তারচেয়ে বেশি তাপ অনুভূত হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কনক্রিটের নগরী, শুষ্ক আবহাওয়া এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকায় বেশি গরম অনুভূত হবে। এদিকে হুট করে গরমের কারণে ঘাম থেকে শিশুদের নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা বেড়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, সিজন পরিবর্তনের সময় এমনিতেই বাড়তি সতর্ক থাকা লাগে। সেখানে ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা থেকে গরমের দিকে গেলে শিশুদের ভোগান্তি কম হয়। হুট করে গরম চলে আসায় সর্দিজ্বরের রোগী তুলনামূলক বেশি।

আবহাওয়া অফিস বলছে, বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) ঢাকায় বেশ গরম পড়বে। ঢাকায় এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হবে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কিছু বেশি থাকবে। তবে বৃষ্টির দেখা না মেলায় অনুভূত হবে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আপাতদৃষ্টিতে আকাশ মেঘলা মনে হলেও বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই।

আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজকে তাপমাত্রা বেশি অনুভূত হবে এমন না। এবারের গরমের সময়টা এরকমই থাকবে। আজকে ঢাকার তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কিছু বেশি, তবে প্রায় ৬ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি গরম অনুভূত হবে। যেস্থানে তাপমাত্রা পরিমাণ করা হয় তার থেকে অন্য স্থানের অবকাঠামো ও এলাকাগত পার্থক্য থাকায় এমনটা ঘটে। তবে কনক্রিটের নগরীতে এমনিতেই গরমটা বেশি অনুভূত হয়। আগামী দুইদিন কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় ঘরের বাইরেটা অস্বস্তিকর থাকবে।’

এদিকে রাজধানীর হাসপাতালগুলোয় সর্দিজ্বরে ভোগা শিশু রোগীদের আনাগোনা বেড়েছে।হাসনাত ফেরদৌস সন্তান নিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এসেছেন। সাত মাসের শিশু সর্দিতে নাজেহাল। হাসনাত চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে এরকম আরও কমপক্ষে ১০জন রোগী দেখতে পান। সবার শিশুই সর্দিজ্বরে ভোগছে। তার সন্তানকে চিকিৎসক দেখে নেব্যুলাইজ করার পরামর্শ দেন।

গ্রিনলাইফ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক বিভাগের প্রধান শিশু বিশেষজ্ঞ কাজী রাকিবুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শীতে শিশুদের বাড়তি কাপড় পরানো থাকে। হুট করে শীত চলে যাওয়ায় বুঝতে না পেরে গরম কাপড়ে ঘেমে শিশুদের ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দেখা যাচ্ছে। আবার দিনে একরকম তাপমাত্রা অনুভূত হয়, রাতে আরেকরকম। ফলে অভিভাবকরা সতর্ক থাকলেও খুব বেশি সামলাতে পারছেন না। কয়েকদিন যাবত বেশকিছু এমন রোগী দেখছি। এদের বেশিরভাগই একদম কয়েক মাসের শিশু যারা কিনা ঠাণ্ডা গরমের অনুভূতির কথাটা বলতে পারে না।’

/ইউআই/টিটি/

লাইভ

টপ
X