মধ্যরাতে আবারও অবস্থান কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা

ঢাবি প্রতিনিধি
২৭ মে ২০১৯, ০২:২৩আপডেট : ২৭ মে ২০১৯, ১১:৪৮

ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের অবস্থান কর্মসূচি

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা আবারও অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছেন। রবিবার (২৬ মে) রাত ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ অবস্থান নেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচিতে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

তাদের দাবিগুলো হলো− পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে যোগ্যদের স্থান দেওয়া এবং মধুর ক্যান্টিনে ও টিএসটিতে তাদের ওপর হামলাকারীদের বিচার করা।

এর আগে, রবিবার ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সকাল ১১টায় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ৩০১ সদস্যের সবাইকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

এরই প্রতিবাদে আবারও অবস্থান কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পদবঞ্চিতরা।  

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সবাই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেন। এবারও তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিতর্কিতদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। কিন্তু তাদের দাবি মেনে না নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিতে যাওয়া হচ্ছে।

আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র ও ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের দাবি মেনে না নিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক বিতর্কিতদের নিয়ে বুধবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন। তাদের ঘোষিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিতর্কিত কমিটিকে বৈধ করার পাঁয়তারা চলছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু সেই দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আগে কেন বিতর্কিতদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিতে যাচ্ছেন তারা?’  

উল্লেখ্য, ১৩ মে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, চাকরিজীবী, ছাত্রদল রয়েছে বলে দাবি করে আন্দোলন করেন পদবঞ্চিত এবং পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীরা। পরে ১৯ মে আওয়ামী লীগ নেতারা দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন।

 

 

 

/এএইচ/এমএমজে/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
এমপি হওয়ার পর আপনার সফটওয়্যার মাথাটা কি ধ্বংস হয়ে গেলো, এখনও নির্যাতিত হচ্ছি
এমপি হওয়ার পর আপনার সফটওয়্যার মাথাটা কি ধ্বংস হয়ে গেলো, এখনও নির্যাতিত হচ্ছি
সরকারি বরাদ্দের ১০ মসজিদের ৮টি জামায়াত এমপির নিজ এলাকায়
সরকারি বরাদ্দের ১০ মসজিদের ৮টি জামায়াত এমপির নিজ এলাকায়
এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন
এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন
রফতানি খাত কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে
রফতানি খাত কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে
সর্বাধিক পঠিত
৪৫০ কোটির সাত তারকা রেস্টহাউস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলো সরকার
৪৫০ কোটির সাত তারকা রেস্টহাউস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলো সরকার
নিজেকে কারাগারে পাঠাতে ইউএনওর কাছে আবেদন, ৫ মাসের কারাদণ্ড
নিজেকে কারাগারে পাঠাতে ইউএনওর কাছে আবেদন, ৫ মাসের কারাদণ্ড
মন্ত্রিত্ব ছাড়ার একমাস পর এলাকায় গিয়ে যা বললেন দীপেন দেওয়ান
মন্ত্রিত্ব ছাড়ার একমাস পর এলাকায় গিয়ে যা বললেন দীপেন দেওয়ান
ঢাকার রাস্তায় যানজট শুল্কের প্রস্তাব, কিলোমিটারে দিতে হবে ৬.২৭ টাকা
ঢাকার রাস্তায় যানজট শুল্কের প্রস্তাব, কিলোমিটারে দিতে হবে ৬.২৭ টাকা
৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ 
৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ