আইসিজে’র রায়ের ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশ কী ফলাফল পাবে: আইনমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০১:৩৭, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪২, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক (ফাইল ছবি)

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও গাম্বিয়ার মামলা করার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘সরকার বিশ্বাস করে, পরস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরাতে হবে। এর মধ্যেই গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিজে) একটি মামলা করেছে। সবাই বলছেন, আইসিজে’র এখতিয়ার খুব প্রসারিত। আসলে তা নয়, এর এখতিয়ার সীমাবদ্ধ। কিন্তু তারপরেও এই মামলার একটি তাৎপর্য আছে।’

মিয়ানমারে গণহত্যা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আইসিজে’র রায়ের উপর নির্ভর করবে বাংলাদেশ কী ফলাফল পাবে। আজকেই এর ফলাফল বলাটা সমীচীন হবে না।’

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আইজিসে’র আদেশ বা রায়ের জন্য আমাদের একটু ধৈর্য্য ধরা উচিত। তারপরে পরবর্তী কর্মপন্থার আলোচনায় যাওয়া উচিত। আইসিজে একটি স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক আদালত। এখানে দুইপক্ষের শুনানির নিশ্চয়ই তাৎপর্য আছে। প্রভাব আছে। আমার মনে হয় সেসবের আলোকেই আইসিজে মামলা শুনানির পরে তাদের বক্তব্য দেবে।’

আইসিজেতে বাংলাদেশ মামলা করলো না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গাম্বিয়া মামলা করেছে। আমার মনে হয়, আমাদের এখানেই থাকা উচিত। আর একটি মামলা বাংলাদেশ করতে পারতো কিনা এই মুহূর্তে সেটা কিন্ত একটি অ্যাকাডেমিক ডিসকাশন। এই অ্যাকাডেমিক ডিসকাশনে যাওয়ার তো প্রয়োজন নেই।’

বাংলাদেশ কেন মামলা করলো না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনও ফৌজদারি মামলায় যেখানে গণহত্যা হয় বা গণহত্যা হয়েছে- এরকম কোনও প্রশ্ন উঠে থাকে, সেটার ব্যাপারে সারা বিশ্বের যে কেউ মামলা করতে পারে। কোনও সভ্য দেশে (ফৌজদারি ) মামলার ব্যাপারে যদি একটি পুলিশ স্টেশনে শুধু একজন অভিযোগ করে যে, এখানে একটি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। সেটাই কিন্তু মামলায় রূপান্তরিত করা যায়। এই ক্ষেত্রেও, গাম্বিয়া মুসলিম রাষ্ট্র এবং তারা বলেছে যে, সেখানে মুসলমানদের হত্যা করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে গাম্বিয়ার মামলা করার এখতিয়ার আছে। বাংলাদেশও আইসিজে-তে একটি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলা চলতে পারে কিনা সে ব্যাপারে আইসিজে তদন্ত করছে।’

 

/এসআই/এএইচ/

লাইভ

টপ